Dhaka শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ওসমান হাদি হত্যা : জাতিসংঘ কার্যালয়ে তদন্তের প্রস্তাব দেবে সরকার

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ১০:০০:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৮৪ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জাতিসংঘকে তদন্তের প্রস্তাব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার এরই মধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যত দ্রুত সম্ভব এ মামলার তদন্তের জন্য জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাই কমিশনারের দপ্তরকে প্রস্তাব দেওয়া হবে।

রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টেও বিষয়টি উল্লেখ করেছেন প্রেস সচিব। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এ মামলায় পূর্ণ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিতে অটল রয়েছে। এ ধরনের তদন্তে সম্ভাব্য সব সহযোগিতা দেওয়া হবে।’

রাতে সরকারের পক্ষ থেকে যখন এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়, তখন হাদি হত্যার বিচার দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে পুলিশের বাধা উপেক্ষা সংগঠনটির নেতাকর্মীরা যমুনার দিকে অগ্রসর হন। তারা হাদি হত্যাকাণ্ডের দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।

পরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে শরিফ ওসমান হাদির মাথায় গুলি করে দুর্বৃত্তরা। প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হয় সিঙ্গাপুরে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়।

পরদিন ১৯ ডিসেম্বর হাদির মরদেহ দেশে আনা হয়। ২০ ডিসেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধিসৌধের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার দুদিন পর ১৪ ডিসেম্বর রাতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। হাদির মৃত্যুর পর এটি হত্যা মামলায় রূপ নেয়।

 

 

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

জরুরি প্রয়োজন ছাড়া যুক্তরাজ্য নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণে সতর্কতা

ওসমান হাদি হত্যা : জাতিসংঘ কার্যালয়ে তদন্তের প্রস্তাব দেবে সরকার

প্রকাশের সময় : ১০:০০:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জাতিসংঘকে তদন্তের প্রস্তাব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার এরই মধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যত দ্রুত সম্ভব এ মামলার তদন্তের জন্য জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাই কমিশনারের দপ্তরকে প্রস্তাব দেওয়া হবে।

রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টেও বিষয়টি উল্লেখ করেছেন প্রেস সচিব। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এ মামলায় পূর্ণ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিতে অটল রয়েছে। এ ধরনের তদন্তে সম্ভাব্য সব সহযোগিতা দেওয়া হবে।’

রাতে সরকারের পক্ষ থেকে যখন এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়, তখন হাদি হত্যার বিচার দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে পুলিশের বাধা উপেক্ষা সংগঠনটির নেতাকর্মীরা যমুনার দিকে অগ্রসর হন। তারা হাদি হত্যাকাণ্ডের দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।

পরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে শরিফ ওসমান হাদির মাথায় গুলি করে দুর্বৃত্তরা। প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হয় সিঙ্গাপুরে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়।

পরদিন ১৯ ডিসেম্বর হাদির মরদেহ দেশে আনা হয়। ২০ ডিসেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধিসৌধের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার দুদিন পর ১৪ ডিসেম্বর রাতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। হাদির মৃত্যুর পর এটি হত্যা মামলায় রূপ নেয়।