Dhaka শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডিসেম্বরে খুলছে তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতু

  • প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : ১২:৫৩:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ জুলাই ২০২২
  • ২৮২ জন দেখেছেন

নারায়ণগঞ্জের সৈয়দপুর-মদনগঞ্জ এলাকায় তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুর নির্মাণকাজ শেষের পথে। ছয় লেনের এই সেতুটি চালু হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাড়কের সঙ্গে পদ্মা সেতুর সংযোগ সহজ হবে। ডিসেম্বরে সেতুটি যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে বলে জানান প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

নারায়ণগঞ্জ সদর ও সিটি করর্পোরেশন এলাকার মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে শীতলক্ষ্যা নদী। দুই অঞ্চলের যোগাযোগ সহজ করতে সৈয়দপুর-মদনগঞ্জ এলাকায় এই নদীর উপর তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুর নির্মাণ কাজ শুর“ হয় ২০১৯ সালের ফেব্র“য়ারিতে। যার নতুন নামকরণ করা হয়েছে বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসিম ওসমান সেতু।

১ হাজার ২৫৩ মিটার দৈর্ঘ্য ও ২২ দশমিক এক পাঁচ মিটার প্রশস্ত ছয়লেনের সেতুটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৬০৮ কোটি টাকা। সেতুটির নির্মাণ কাজ ২০২০ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও করোনার কারণে তা দেরি হয়। তবে এখন সেতুর কাজ প্রায় শেষের পথে।

সেতুটি চালু হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাড়কের সঙ্গে পদ্মা সেতুর দূরত্ব ৯ কিলোমিটার কমে যাবে। এ সেতু নারায়ণগঞ্জ সদরের সাথে বন্দরের সংযোগ এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সাথে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে সরাসরি যাতায়াত করা যাবে।

সেতুটি নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলের অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

কেরাণীগঞ্জে অটোরিকশাচালককে হত্যার দায়ে ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

ডিসেম্বরে খুলছে তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতু

প্রকাশের সময় : ১২:৫৩:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ জুলাই ২০২২

নারায়ণগঞ্জের সৈয়দপুর-মদনগঞ্জ এলাকায় তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুর নির্মাণকাজ শেষের পথে। ছয় লেনের এই সেতুটি চালু হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাড়কের সঙ্গে পদ্মা সেতুর সংযোগ সহজ হবে। ডিসেম্বরে সেতুটি যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে বলে জানান প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

নারায়ণগঞ্জ সদর ও সিটি করর্পোরেশন এলাকার মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে শীতলক্ষ্যা নদী। দুই অঞ্চলের যোগাযোগ সহজ করতে সৈয়দপুর-মদনগঞ্জ এলাকায় এই নদীর উপর তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুর নির্মাণ কাজ শুর“ হয় ২০১৯ সালের ফেব্র“য়ারিতে। যার নতুন নামকরণ করা হয়েছে বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসিম ওসমান সেতু।

১ হাজার ২৫৩ মিটার দৈর্ঘ্য ও ২২ দশমিক এক পাঁচ মিটার প্রশস্ত ছয়লেনের সেতুটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৬০৮ কোটি টাকা। সেতুটির নির্মাণ কাজ ২০২০ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও করোনার কারণে তা দেরি হয়। তবে এখন সেতুর কাজ প্রায় শেষের পথে।

সেতুটি চালু হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাড়কের সঙ্গে পদ্মা সেতুর দূরত্ব ৯ কিলোমিটার কমে যাবে। এ সেতু নারায়ণগঞ্জ সদরের সাথে বন্দরের সংযোগ এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সাথে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে সরাসরি যাতায়াত করা যাবে।

সেতুটি নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলের অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।