ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি :
নির্বাচন নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মো. শফিকুল আলম।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলায় হযরত শাহ ছৈয়দ আহমদ গেছু দরাজ শাহ পীর কল্লার (রা.) মাজার পরিদর্শন ও জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
প্রেস সচিব বলেন, নির্বাচন নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই। নির্বাচন খুব ভালোভাবে হবে। গতকালও ক্যাবিনেট মিটিংয়ে এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানিয়েছেন, কী ধরনের প্রস্তুতি আছে। এবার ফ্রি, ফেয়ার, পিসফুল উৎসবমুখর নির্বাচন হবে। যত ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া দরকার সেটা করা হয়েছে। নিরাপত্তার প্রস্তুতি শেষ। রিটানিং, পোলিং অফিসারসহ অন্যান্যসহ কার্যক্রমও শেষ। আমরা ওয়েট করছি ভোটের।’
মো. শফিকুল আলম বলেন, নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পোলিং কর্মকর্তাদের প্রস্তুতি সম্পন্ন। পাশাপাশি নিরাপত্তার জন্য নিরাপত্তা বাহিনীর প্রস্তুতিসহ পোস্টাল ব্যালটের কাজও সম্পন্ন হয়েছে। এখন বলা যেতে পারে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা মাত্র।
তিনি বলেন, আমরা সংস্কারের পক্ষে, দেশের অপশাসন দূর করতে হবে। শেখ হাসিনার মতো যেন আর দৈত্য-দানব না হয় সেজন্য ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে বলছি। চুরি-চামারি বন্ধ করতে হলে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষ নিতে হবে। কারণ আপনারা দেখেছেন, বিগত সরকার ব্যাংকের টাকা চুরি-চামারি করে খেয়ে গেছে। এখন এটার দায়িত্ব এসে পড়েছে বর্তমান সরকারের ওপর।
প্রেস সচিব বলেন, গণভোট নিয়ে যারা সমালোচনা করছেন, তাদের জানার পরিধি কম। পুরো পৃথিবীতেই সরকার গণভোটের পক্ষ নেয়। কখনো হ্যাঁ এর পক্ষ নেয়, কখনো না।
ভোট নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানার আশঙ্কার বিষয়টি তিনি উড়িয়ে দেন। শফিকুল আলম বলেন, রুমিন ফারহানার আশঙ্কা অমূলক। আমরা আমাদের কাজ দিয়েই তা প্রমাণ করবো। এই সরকারের কারো প্রতি কোনো পক্ষপাতিত্ব নেই।
যমুনায় তারেক রহমানের পরিবার নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ পারিবারিক সাক্ষাৎ হিসেবে উল্লেখ করে শফিকুল আলম বলেন, অনেকে বলছেন ডিনার হয়েছে, এটা ডাহা মিথ্যা। এটি ছিলো পারিবারিক সৌজন্য সাক্ষাৎ। এখানে আমাদের অফিসিয়াল কেউ ছিল না।
এর আগে প্রেস সচিব আখাউড়ার শাহ সৈয়দ আহমদ গেছুদারাজ (রহ.) এর মাজার শরীফ জিয়ারত করেন। এ সময় আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া, আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাবেদ-উল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) কফিল উদ্দিন মাহমুদসহ মাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি 



















