Dhaka মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাউজানে সাবেক যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা

চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি : 

চট্টগ্রামের রাউজানে নিজ বাড়ির সামনে সাবেক যুবদলের এক নেতাকে তার বাড়ির পাশের রাস্তায় গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাউজান উপজেলার পূর্বগুজরা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে আজগর আলী সিকদারের বাড়ির সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত জানে আলম শিকদার (৫০) রাউজান উপজেলা হামদু মিয়ার ছেলে। তিনি দুই কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক। জানে আলম রাউজান উপজেলা যুবদলের সদস্য এবং পূর্বগুজরা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

স্থানীয়রা জানায়, জানে আলম নিজের বাড়ির পাশের রাস্তায় হাটছিলেন। এসময় সন্ত্রাসীরা মোটরসাইকেলে এসে এলোপাতাড়ি গুলি করে পালিয়ে যায়।

গুলিবিদ্ধের পর জানে আলমকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মহিউদ্দিন নামের এক বিএনপির কর্মী জানান, তাকে সন্ত্রাসীরা গুলি করে পালিয়ে গেছে। জানে আলমের বুকে ২টি গুলি করা হয়েছে। তাকে চট্টগ্রামের এভারকেয়ার বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। মোটরসাইকেল আরোহী দুর্বৃত্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। তবে জানতে পেরেছি তিনি মারা গেছেন।

যুবদল নেতা জানে আলম হত্যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান ও রাউজান-রাঙ্গুনিয়ার সাবেক এমপি গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, রাউজান যুবদলের দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও নির্যাতিত এবং আমার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ নেতা জানে আলম শিকদার। আওয়ামী লীগের বি টিম খ্যাত বিএনপি দাবিদার ব্যক্তির পৃষ্ঠপোষকতায় সন্ত্রাসীরা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

তিনি দাবি করেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী রাউজানে সংগঠিত ১৮টি হত্যাকাণ্ডের মধ্যে ১১ জনই তার অনুসারী।

গোলাম আকবর খোন্দকারের ছেলে ও জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য তারেক আকবর খোন্দকার বলেন, সেচ্ছাসেবক দল নেতা ইউসুফ তালুকদারের সঙ্গে নিহত জানে আলম শিকদারের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল। তারা কেউই আমাদের অনুসারী না। এ ঘটনার সঙ্গে গোলাম আকবর খোন্দকারের সমর্থিত কেউ জড়িত নয়।

এদিকে চট্টগ্রাম-রাঙামাটি সড়ক অবরোধ করে যান চলাচল বন্ধ করেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী সমর্থিত নেতাকর্মীরা। এতে দুর্ভোগে পড়েছে শতাধিক যানবাহন।

আবহাওয়া

রাউজানে সাবেক যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা

প্রকাশের সময় : ১২:১৬:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি : 

চট্টগ্রামের রাউজানে নিজ বাড়ির সামনে সাবেক যুবদলের এক নেতাকে তার বাড়ির পাশের রাস্তায় গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাউজান উপজেলার পূর্বগুজরা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে আজগর আলী সিকদারের বাড়ির সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত জানে আলম শিকদার (৫০) রাউজান উপজেলা হামদু মিয়ার ছেলে। তিনি দুই কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক। জানে আলম রাউজান উপজেলা যুবদলের সদস্য এবং পূর্বগুজরা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

স্থানীয়রা জানায়, জানে আলম নিজের বাড়ির পাশের রাস্তায় হাটছিলেন। এসময় সন্ত্রাসীরা মোটরসাইকেলে এসে এলোপাতাড়ি গুলি করে পালিয়ে যায়।

গুলিবিদ্ধের পর জানে আলমকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মহিউদ্দিন নামের এক বিএনপির কর্মী জানান, তাকে সন্ত্রাসীরা গুলি করে পালিয়ে গেছে। জানে আলমের বুকে ২টি গুলি করা হয়েছে। তাকে চট্টগ্রামের এভারকেয়ার বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। মোটরসাইকেল আরোহী দুর্বৃত্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। তবে জানতে পেরেছি তিনি মারা গেছেন।

যুবদল নেতা জানে আলম হত্যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান ও রাউজান-রাঙ্গুনিয়ার সাবেক এমপি গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, রাউজান যুবদলের দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও নির্যাতিত এবং আমার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ নেতা জানে আলম শিকদার। আওয়ামী লীগের বি টিম খ্যাত বিএনপি দাবিদার ব্যক্তির পৃষ্ঠপোষকতায় সন্ত্রাসীরা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

তিনি দাবি করেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী রাউজানে সংগঠিত ১৮টি হত্যাকাণ্ডের মধ্যে ১১ জনই তার অনুসারী।

গোলাম আকবর খোন্দকারের ছেলে ও জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য তারেক আকবর খোন্দকার বলেন, সেচ্ছাসেবক দল নেতা ইউসুফ তালুকদারের সঙ্গে নিহত জানে আলম শিকদারের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল। তারা কেউই আমাদের অনুসারী না। এ ঘটনার সঙ্গে গোলাম আকবর খোন্দকারের সমর্থিত কেউ জড়িত নয়।

এদিকে চট্টগ্রাম-রাঙামাটি সড়ক অবরোধ করে যান চলাচল বন্ধ করেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী সমর্থিত নেতাকর্মীরা। এতে দুর্ভোগে পড়েছে শতাধিক যানবাহন।