Dhaka বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিমানের নিট মুনাফা ৭৮৫ কোটি টাকা

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০৩:১৬:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২০১ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে ৭৮৫ কোটি ২১ লাখ টাকা নিট মুনাফা অর্জন করেছে। এটি আগের অর্থবছরের তুলনায় ১৭৮ শতাংশ বেশি।

সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত বিমানের বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এই তথ্য জানানো হয়।

বিমানের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, বিগত অর্থবছরে বিমানের মোট আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা, যা গত বছরের তুলনায় ৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ বেশি। একই সময়ে বিমানের অপারেশনাল মুনাফা হয়েছে ১ হাজার ৬০২ কোটি টাকা, যার মধ্যে নিট মুনাফা ৭৮৫ দশমিক ২১ কোটি যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের তুলনায় ১৭৮ শতাংশ বেশি। এই সাফল্যের মধ্য দিয়ে বিমান টানা পঞ্চম বছরের মতো লাভের ধারা বজায় রাখলো। উল্লেখ্য, গত ১০টি অর্থবছরের মধ্যে ৯ বারই নিট মুনাফা অর্জনে সক্ষম হয়েছে সংস্থাটি।

বিমানের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান শেখ বশির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এজিএমে অর্থ, বেসামরিক বিমান পরিবহন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগের প্রতিনিধি ও শেয়ারহোল্ডাররা উপস্থিত ছিলেন।

বিগত অর্থবছরে বিমান ২১টি নিজস্ব ও লিজিং উড়োজাহাজের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি ৩০টি গন্তব্যে মোট ৩৩ দশমিক ৮৩ লক্ষ যাত্রী পরিবহন করেছে। এটি আগের বছরের তুলনায় ১ শতাংশ বেশি। এছাড়াও ৪৩ হাজার ৯১৮ মেট্রিক টন কার্গো পরিবহন করে ৯২৫ কোটি টাকা আয় করেছে সংস্থাটি, যা আগের বছরের তুলনায় ৪৫ দশমিক ২১ শতাংশ বেশি।

২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে বিমান বিদেশি এয়ারলাইন্সের ৩১,১১২টি ফ্লাইটের প্রায় ৬১ লাখ যাত্রীকে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবা প্রদান করেছে। পাশাপাশি ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে বিমানের ইতিহাসে সর্বোচ্চ টিকিট বিক্রির রেকর্ড তৈরি হয়েছে। লাগেজ সরবরাহ ত্বরান্বিত করা, উন্নত ইন-ফ্লাইট সেবা এবং ডিজিটাল আধুনিকায়ন যাত্রী সন্তুষ্টি বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।

বোসরা ইসলাম আরও জানান, প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত ৫৪ বছরে বিমান সরকার থেকে কোনো প্রকার ভর্তুকি গ্রহণ করেনি। সম্পূর্ণ নিজস্ব আয়ে পরিচালিত এই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে দক্ষ অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ ও কার্যকর সম্পদ বণ্টনের মাধ্যমে এই রেকর্ড মুনাফা অর্জন করেছে।

ভবিষ্যতে নতুন আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণ, ডিজিটাল রূপান্তর এবং কার্গো সেবাকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে বিমানের। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শীর্ষস্থানীয় এয়ারলাইন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মান কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে বলে সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

সরকার একটা সুষ্ঠু, নিরাপদ ও ভালো নির্বাচন উপহার দেবে : প্রেস সচিব

২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিমানের নিট মুনাফা ৭৮৫ কোটি টাকা

প্রকাশের সময় : ০৩:১৬:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে ৭৮৫ কোটি ২১ লাখ টাকা নিট মুনাফা অর্জন করেছে। এটি আগের অর্থবছরের তুলনায় ১৭৮ শতাংশ বেশি।

সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত বিমানের বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এই তথ্য জানানো হয়।

বিমানের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, বিগত অর্থবছরে বিমানের মোট আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা, যা গত বছরের তুলনায় ৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ বেশি। একই সময়ে বিমানের অপারেশনাল মুনাফা হয়েছে ১ হাজার ৬০২ কোটি টাকা, যার মধ্যে নিট মুনাফা ৭৮৫ দশমিক ২১ কোটি যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের তুলনায় ১৭৮ শতাংশ বেশি। এই সাফল্যের মধ্য দিয়ে বিমান টানা পঞ্চম বছরের মতো লাভের ধারা বজায় রাখলো। উল্লেখ্য, গত ১০টি অর্থবছরের মধ্যে ৯ বারই নিট মুনাফা অর্জনে সক্ষম হয়েছে সংস্থাটি।

বিমানের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান শেখ বশির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এজিএমে অর্থ, বেসামরিক বিমান পরিবহন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগের প্রতিনিধি ও শেয়ারহোল্ডাররা উপস্থিত ছিলেন।

বিগত অর্থবছরে বিমান ২১টি নিজস্ব ও লিজিং উড়োজাহাজের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি ৩০টি গন্তব্যে মোট ৩৩ দশমিক ৮৩ লক্ষ যাত্রী পরিবহন করেছে। এটি আগের বছরের তুলনায় ১ শতাংশ বেশি। এছাড়াও ৪৩ হাজার ৯১৮ মেট্রিক টন কার্গো পরিবহন করে ৯২৫ কোটি টাকা আয় করেছে সংস্থাটি, যা আগের বছরের তুলনায় ৪৫ দশমিক ২১ শতাংশ বেশি।

২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে বিমান বিদেশি এয়ারলাইন্সের ৩১,১১২টি ফ্লাইটের প্রায় ৬১ লাখ যাত্রীকে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবা প্রদান করেছে। পাশাপাশি ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে বিমানের ইতিহাসে সর্বোচ্চ টিকিট বিক্রির রেকর্ড তৈরি হয়েছে। লাগেজ সরবরাহ ত্বরান্বিত করা, উন্নত ইন-ফ্লাইট সেবা এবং ডিজিটাল আধুনিকায়ন যাত্রী সন্তুষ্টি বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।

বোসরা ইসলাম আরও জানান, প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত ৫৪ বছরে বিমান সরকার থেকে কোনো প্রকার ভর্তুকি গ্রহণ করেনি। সম্পূর্ণ নিজস্ব আয়ে পরিচালিত এই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে দক্ষ অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ ও কার্যকর সম্পদ বণ্টনের মাধ্যমে এই রেকর্ড মুনাফা অর্জন করেছে।

ভবিষ্যতে নতুন আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণ, ডিজিটাল রূপান্তর এবং কার্গো সেবাকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে বিমানের। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শীর্ষস্থানীয় এয়ারলাইন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মান কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে বলে সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।