৯৯৯ কল করে আত্মসমর্পণ করলো সাবেক ছাত্রলীগ নেতা

বরিশাল জেলা প্রতিনিধি : 

নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) নেতা শরিফুল ইসলাম ৯৯৯-এ কল দিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন। পরে পুলিশ তাকে আটক করে একটি মামলায় আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠায়।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে শরিফুল নিজেই জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান।

শরিফুল ইসলাম ওরফে শরিফের বিরুদ্ধে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগ রয়েছে। তিনি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং মহানগরে ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন তিনি (শরিফুল) শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালান। এমনকি আন্দোলন দমাতে শিক্ষার্থীদের ধরে ধরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, জমি দখলসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে বরিশাল কোতয়ালী ও বন্দর থানায় মোট পাঁচটি মামলা রয়েছে বলে জানা যায়। এর আগে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগেও তিনি আটক হয়েছিলেন।

এছাড়াও আওয়ামী সরকারের আমলে সার্জেন্ট মনিরুল ইসলাম ও তার সহকর্মী এক কনস্টেবলকে মারধর করে রক্তাক্ত করেন ছাত্রলীগ নেতা শরিফুল ও তার সঙ্গীরা। তখন তাকে আটক করা হলেও তৎকালীন মেয়র খোকন সেরনিয়াবাতের অনুসারী হওয়ায় বিষয়টি মীমাংসার মাধ্যমে ছাড়া পান তিনি। যদিও তার আগে তিনি বরিশালের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর অনুসারী ছিলেন।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

৯৯৯ কল করে আত্মসমর্পণ করলো সাবেক ছাত্রলীগ নেতা

প্রকাশের সময় : ০২:২১:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৫

বরিশাল জেলা প্রতিনিধি : 

নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) নেতা শরিফুল ইসলাম ৯৯৯-এ কল দিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন। পরে পুলিশ তাকে আটক করে একটি মামলায় আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠায়।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে শরিফুল নিজেই জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান।

শরিফুল ইসলাম ওরফে শরিফের বিরুদ্ধে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগ রয়েছে। তিনি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং মহানগরে ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন তিনি (শরিফুল) শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালান। এমনকি আন্দোলন দমাতে শিক্ষার্থীদের ধরে ধরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, জমি দখলসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে বরিশাল কোতয়ালী ও বন্দর থানায় মোট পাঁচটি মামলা রয়েছে বলে জানা যায়। এর আগে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগেও তিনি আটক হয়েছিলেন।

এছাড়াও আওয়ামী সরকারের আমলে সার্জেন্ট মনিরুল ইসলাম ও তার সহকর্মী এক কনস্টেবলকে মারধর করে রক্তাক্ত করেন ছাত্রলীগ নেতা শরিফুল ও তার সঙ্গীরা। তখন তাকে আটক করা হলেও তৎকালীন মেয়র খোকন সেরনিয়াবাতের অনুসারী হওয়ায় বিষয়টি মীমাংসার মাধ্যমে ছাড়া পান তিনি। যদিও তার আগে তিনি বরিশালের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর অনুসারী ছিলেন।