Dhaka বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর ঘটনায় হাইকোর্টে ইমির জামিন

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ১২:৪৪:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ২০৬ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল সংসদের সাবেক ভিপি শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

জামিন চেয়ে ইমির করা আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রুলসহ এ আদেশ দেন। আদালতে ইমির পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু।

চলতি বছরের ৭ মার্চ রাত সাড়ে ৯টার দিকে শাহবাগ থানার সামনে অবস্থান নিয়ে ভাষণ বাজানো কর্মসূচি ঘোষণা করেন শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিসহ কয়েকজন। রিকশায় করে মাইকে ভাষণ বাজানোর সময় ডাকসু নেতা এ বি জুবায়ের, মুসাদ্দিককে আলী ইবনে মোহাম্মদ, এনসিপির ছাত্রসংগঠন জাতীয় ছাত্র শক্তির আহ্বায়ক তাহমিদ আল মোদাসসিরসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি দল তাতে বাধা দেয়।

এক পর্যায়ে এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিককে আলী রিকশাসহ শেখ তাসনিম আফরোজসহ আরেক জনকে শাহবাগ থানার ভেতরে নিয়ে যান। পরে পুলিশ তাদের আটক করে রাখে।

পরদিন ৮ মার্চ আটক তিনজনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে শাহবাগ থানার একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারগারে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে।

আবহাওয়া

৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর ঘটনায় হাইকোর্টে ইমির জামিন

প্রকাশের সময় : ১২:৪৪:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল সংসদের সাবেক ভিপি শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

জামিন চেয়ে ইমির করা আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রুলসহ এ আদেশ দেন। আদালতে ইমির পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু।

চলতি বছরের ৭ মার্চ রাত সাড়ে ৯টার দিকে শাহবাগ থানার সামনে অবস্থান নিয়ে ভাষণ বাজানো কর্মসূচি ঘোষণা করেন শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিসহ কয়েকজন। রিকশায় করে মাইকে ভাষণ বাজানোর সময় ডাকসু নেতা এ বি জুবায়ের, মুসাদ্দিককে আলী ইবনে মোহাম্মদ, এনসিপির ছাত্রসংগঠন জাতীয় ছাত্র শক্তির আহ্বায়ক তাহমিদ আল মোদাসসিরসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি দল তাতে বাধা দেয়।

এক পর্যায়ে এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিককে আলী রিকশাসহ শেখ তাসনিম আফরোজসহ আরেক জনকে শাহবাগ থানার ভেতরে নিয়ে যান। পরে পুলিশ তাদের আটক করে রাখে।

পরদিন ৮ মার্চ আটক তিনজনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে শাহবাগ থানার একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারগারে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে।