Dhaka বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুন্দরবনে বনদস্যুদের সঙ্গে বনকর্মীদের গোলাগুলি, ৪ জেলে উদ্ধার

বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি : 

সুন্দরবনে বনদস্যুদের সঙ্গে বনকর্মীদের গুলিবিনিময় হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) সকালে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের কোকিলমনি এলাকার সিঙারটেকে এ ঘটনা ঘটে।

গোলাগুলির পরে ওই স্থান থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় অপহৃত চার জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে বনদস্যুদের ব্যবহৃত একটি বন্দুক ও একটি গুলি উদ্ধার করেছেন বনরক্ষীরা।

জিম্মি দশা থেকে উদ্ধার হওয়া জেলেরা হলেন- শরণখোলা উপজেলার সোনাতলা গ্রামের আবদুল বারেক খানের ছেলে মাসুম খান, খুলনার বটিয়াঘাটার বুজনুনিয়া গ্রামের আফসার আলীর ছেলে নাছিম আলী, খুলনার দাকোপ উপজেলার পানখালী গ্রামের আবু তালেব শেখের ছেলে ইরাক শেখ ও শরণখোলা উপজেরার দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. হাসান।

সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, শেলারচর টহল ফাঁড়ির সিঙ্গারটেক এলাকায় শেলারচর টহল ফাঁড়ি এবং স্মার্ট টিমের যৌথ টহল চলাকালে ডাকাতের উপস্থিতি টের পেয়ে সেদিকে অভিযান পরিচালনা করা হয়। ডাকাতেরা গুলি ছুড়লে বনকর্মীরাও পাল্টা গুলি ছোড়েন। তাদের দিকে সাতটি গুলি ছোড়া হয়। ডাকাতরা পরবর্তীতে তাদের ট্রলার এবং ৪ জন জিম্মি জেলে রেখে পালিয়ে যায়। জিম্মিরা শেলারচর টহলফাঁড়ির হেফাজতে আছেন। উদ্ধার জেলেদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। বনরক্ষীদের ওপরে গুলি করা দস্যুরা শরীফ বাহিনীর সদস্য বলে জানা গেছে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

সুন্দরবনে বনদস্যুদের সঙ্গে বনকর্মীদের গোলাগুলি, ৪ জেলে উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ০৪:৪০:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি : 

সুন্দরবনে বনদস্যুদের সঙ্গে বনকর্মীদের গুলিবিনিময় হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) সকালে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের কোকিলমনি এলাকার সিঙারটেকে এ ঘটনা ঘটে।

গোলাগুলির পরে ওই স্থান থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় অপহৃত চার জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে বনদস্যুদের ব্যবহৃত একটি বন্দুক ও একটি গুলি উদ্ধার করেছেন বনরক্ষীরা।

জিম্মি দশা থেকে উদ্ধার হওয়া জেলেরা হলেন- শরণখোলা উপজেলার সোনাতলা গ্রামের আবদুল বারেক খানের ছেলে মাসুম খান, খুলনার বটিয়াঘাটার বুজনুনিয়া গ্রামের আফসার আলীর ছেলে নাছিম আলী, খুলনার দাকোপ উপজেলার পানখালী গ্রামের আবু তালেব শেখের ছেলে ইরাক শেখ ও শরণখোলা উপজেরার দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. হাসান।

সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, শেলারচর টহল ফাঁড়ির সিঙ্গারটেক এলাকায় শেলারচর টহল ফাঁড়ি এবং স্মার্ট টিমের যৌথ টহল চলাকালে ডাকাতের উপস্থিতি টের পেয়ে সেদিকে অভিযান পরিচালনা করা হয়। ডাকাতেরা গুলি ছুড়লে বনকর্মীরাও পাল্টা গুলি ছোড়েন। তাদের দিকে সাতটি গুলি ছোড়া হয়। ডাকাতরা পরবর্তীতে তাদের ট্রলার এবং ৪ জন জিম্মি জেলে রেখে পালিয়ে যায়। জিম্মিরা শেলারচর টহলফাঁড়ির হেফাজতে আছেন। উদ্ধার জেলেদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। বনরক্ষীদের ওপরে গুলি করা দস্যুরা শরীফ বাহিনীর সদস্য বলে জানা গেছে।