Dhaka মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন আরো ১৭০ বাংলাদেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

লিবিয়ার বেনগাজী থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরেছেন আরো ১৭০ জন বাংলাদেশি। মঙ্গলবার (১৯ মে) ভোর ৫টায় বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে তারা ঢাকায় পৌঁছান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে এ প্রত্যাবাসন সম্পন্ন হয়। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এবং লিবিয়া সরকারের সহযোগিতায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়।

প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই দালাল চক্রের প্ররোচনায় অবৈধভাবে সমুদ্রপথে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। পরে সেখানে অনেকে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হন বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিমানবন্দরে ফিরে আসা এসব বাংলাদেশিকে সরকারি কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিরা অভ্যর্থনা জানান। আইওএম তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা, খাবার, পথখরচা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অস্থায়ী আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জনসচেতনতা বাড়াতে প্রত্যাবাসিতদের তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে অনুরোধ জানানো হয়েছে, যাতে মানবপাচারের ঝুঁকি সম্পর্কে আরও সচেতনতা তৈরি হয়।

লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো একসঙ্গে কাজ করছে বলেও জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া

মাগুরায় বাড়ির পাশে ডোবায় ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন আরো ১৭০ বাংলাদেশি

প্রকাশের সময় : ০৭:২৩:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

লিবিয়ার বেনগাজী থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরেছেন আরো ১৭০ জন বাংলাদেশি। মঙ্গলবার (১৯ মে) ভোর ৫টায় বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে তারা ঢাকায় পৌঁছান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে এ প্রত্যাবাসন সম্পন্ন হয়। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এবং লিবিয়া সরকারের সহযোগিতায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়।

প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই দালাল চক্রের প্ররোচনায় অবৈধভাবে সমুদ্রপথে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। পরে সেখানে অনেকে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হন বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিমানবন্দরে ফিরে আসা এসব বাংলাদেশিকে সরকারি কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিরা অভ্যর্থনা জানান। আইওএম তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা, খাবার, পথখরচা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অস্থায়ী আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জনসচেতনতা বাড়াতে প্রত্যাবাসিতদের তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে অনুরোধ জানানো হয়েছে, যাতে মানবপাচারের ঝুঁকি সম্পর্কে আরও সচেতনতা তৈরি হয়।

লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো একসঙ্গে কাজ করছে বলেও জানানো হয়েছে।