ভূমিকম্পে মেট্রোরেল স্থাপনার কোনো ক্ষতি হয়নি : ডিএমটিসিএল এমডি

নিজস্ব প্রতিবেদক :

মেট্রোরেলের নির্মাণ-পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ফারুক আহমেদ বলেছেন, ভূমিকম্পে মেট্রোরেল স্থাপনার কোনো ক্ষতি হয়নি। নির্ধারিত সময়ে যাত্রী পরিবহন স্বাভাবিক আছে। তারপরও কোথাও কোনো ক্ষতি হয়েছে কি না, তা বের করতে অনুসন্ধান চলছে।

শনিবার (২১ নভেম্বর) সংবাদমাধ্যমকে এসব কথা বলেন তিনি।

ডিএমটিসিএল সূত্র জানায়, শুক্রবার সকালে ভূমিকম্পের পর মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ ছিল। তবে বিকালে চলাচল শুরু হয়। ভূমিকম্পের পরপরই রেল চলাচলের পথ ও স্টেশন পর্যবেক্ষণ শুরু করে ডিএমটিসিএল। তখন যাত্রী পরিবহনের আগে উত্তরা ও মতিঝিল থেকে দুটি পরীক্ষামূলক ট্রেন চালানো হয়। কিন্তু কোথাও কোনো ত্রুটি ধরা পড়েনি।

শুক্রবার (২০ নভেম্বর) সকালে ভূমিকম্পের তীব্র ঝাঁকুনিতে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশ কেঁপে ওঠে। এতে শিশুসহ ১০ জন নিহত ও ছয় শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৭।

এতে সবচেয়ে বেশি—পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে নরসিংদীতে। ঢাকায় চার ও নারায়ণগঞ্জে একজন মারা যান। ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কে অনেকেই ভবন থেকে লাফিয়ে পড়েন। এ ছাড়া কিছু ভবন হেলে পড়ে ও ফাটল দেখা দেয়।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

চট্টগ্রামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলাকারীদের পাকড়াও করুন : জামায়াত আমির

ভূমিকম্পে মেট্রোরেল স্থাপনার কোনো ক্ষতি হয়নি : ডিএমটিসিএল এমডি

প্রকাশের সময় : ০৬:৫৬:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক :

মেট্রোরেলের নির্মাণ-পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ফারুক আহমেদ বলেছেন, ভূমিকম্পে মেট্রোরেল স্থাপনার কোনো ক্ষতি হয়নি। নির্ধারিত সময়ে যাত্রী পরিবহন স্বাভাবিক আছে। তারপরও কোথাও কোনো ক্ষতি হয়েছে কি না, তা বের করতে অনুসন্ধান চলছে।

শনিবার (২১ নভেম্বর) সংবাদমাধ্যমকে এসব কথা বলেন তিনি।

ডিএমটিসিএল সূত্র জানায়, শুক্রবার সকালে ভূমিকম্পের পর মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ ছিল। তবে বিকালে চলাচল শুরু হয়। ভূমিকম্পের পরপরই রেল চলাচলের পথ ও স্টেশন পর্যবেক্ষণ শুরু করে ডিএমটিসিএল। তখন যাত্রী পরিবহনের আগে উত্তরা ও মতিঝিল থেকে দুটি পরীক্ষামূলক ট্রেন চালানো হয়। কিন্তু কোথাও কোনো ত্রুটি ধরা পড়েনি।

শুক্রবার (২০ নভেম্বর) সকালে ভূমিকম্পের তীব্র ঝাঁকুনিতে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশ কেঁপে ওঠে। এতে শিশুসহ ১০ জন নিহত ও ছয় শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৭।

এতে সবচেয়ে বেশি—পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে নরসিংদীতে। ঢাকায় চার ও নারায়ণগঞ্জে একজন মারা যান। ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কে অনেকেই ভবন থেকে লাফিয়ে পড়েন। এ ছাড়া কিছু ভবন হেলে পড়ে ও ফাটল দেখা দেয়।