Dhaka বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামালপুরে অপহরণের পর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

জামালপুর জেলা প্রতিনিধি : 

জামালপুরে চা বিক্রেতা এক নারীকে অপহরণ করে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের দায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জামালপুর জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মো. কালাম (৫০), বুলবুল আহমেদ (৪৫) ও মো. রুক (৪০)। তাদের সবার বাড়ি জামালপুর শহরের পাথালিয়া নওভাঙার চর এলাকায়। এর মধ্যে বুলবুল আহমেদ ও মো. রুক পলাতক রয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, জামালপুর শহরের শাহ জামাল মাজারের সামনে একটি ছোট দোকানে চা ও পান বিক্রি করতেন ভুক্তভোগী নারী। ২০২৩ সালের ১৪ মে রাতে তাকে অপহরণ করে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেন আসামিরা। পরে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে শহরের ফৌজদারী এলাকায় তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা। এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামী বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেন। আদায় করা অর্থ ভুক্তভোগীকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক বলেন, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে, যা ভুক্তভোগী পাবেন।

আবহাওয়া

সিনেমায় আসা নিয়ে যা বললেন সিয়ামপত্নী

জামালপুরে অপহরণের পর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশের সময় : ০৩:২০:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

জামালপুর জেলা প্রতিনিধি : 

জামালপুরে চা বিক্রেতা এক নারীকে অপহরণ করে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের দায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জামালপুর জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মো. কালাম (৫০), বুলবুল আহমেদ (৪৫) ও মো. রুক (৪০)। তাদের সবার বাড়ি জামালপুর শহরের পাথালিয়া নওভাঙার চর এলাকায়। এর মধ্যে বুলবুল আহমেদ ও মো. রুক পলাতক রয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, জামালপুর শহরের শাহ জামাল মাজারের সামনে একটি ছোট দোকানে চা ও পান বিক্রি করতেন ভুক্তভোগী নারী। ২০২৩ সালের ১৪ মে রাতে তাকে অপহরণ করে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেন আসামিরা। পরে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে শহরের ফৌজদারী এলাকায় তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা। এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামী বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেন। আদায় করা অর্থ ভুক্তভোগীকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক বলেন, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে, যা ভুক্তভোগী পাবেন।