ভোলা জেলা প্রতিনিধি :
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, এমন কোনো লোভ ছিল না, যেটা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি। আমি যদি তার কথা শুনতাম, তাহলে তারপরেই আমার অবস্থান হতো।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে ভোলার সার্কিট হাউসে জেলার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমি বলেছি, আমার বয়স ৮০ বছর। এখন আর এগুলো করার সময় নেই। জিয়া পরিবারের বাইরে কোনোদিন আমার কোনো চিন্তা-চেতনা ছিল না।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন বলেন, আমি জীবনে এককভাবে পথ চলেছি। যখন যেটা সত্যি মনে হয়েছে, মুখ তুলে বলেছি। এ জন্য অনেকে নানা রকম কথা বলেছে। আমাকে বলেছে দল ত্যাগ করে চলে যেতে। মাফিয়া হাসিনাও অনেকবার চেষ্টা করেছেন।
তিনি বলেন, জেনারেল জিয়াউর রহমানের অধীনে আমি যুদ্ধ করেছি এবং বেগম জিয়া আমাকে অনেক স্নেহ করতেন। আমি জেনারেল জিয়া ও বেগম জিয়ার প্রতি সব সময় অনুগত ছিলাম। আমি এই দলের (বিএনপি) অনেক সিনিয়র ছিলাম। কিন্তু সবাই আমাকে ক্রস করে ওপরে চলে গেছে এবং আমার আগে স্থায়ী কমিটির সদস্য হয়েছে।
স্পিকার বলেন, একমাত্র ড. মোশাররফ হোসেন ছাড়া সবার সিনিয়র ছিলাম আমি। তাও স্থায়ী কমিটিতে স্থান হয়নি। আমি এগুলো নিয়ে কখনো মাথা ঘামাইনি। আমার নজর ছিলো এলাকা থেকে জনগণ যাতে ভোট দেয়, আমি যেনো জাতীয় সংসদে যেতে পারি। এবারও ভোট দেওয়ার পর লোকজন আশা করেছিল আমি যেন একটা প্লাগ নিয়ে আসতে পারি। আল্লাহর রহমতে দুই দুইটা প্লাগ নিয়ে এসেছি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন বলেন, আমি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের কাছে। তার সঙ্গে আমি জীবনে কথা বলেছি দুই দিন। এ ছাড়া কোনোদিন টেলিফোন হয়নি, দেখাও হয়নি, কথাও হয়নি। কিন্তু তিনি আমাকে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ পদে আমাকে অভিহিত করেছেন। এ জন্য আমি তার কাছে ও আমার দল বিএনপির খুবই কৃতজ্ঞ।
মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমানের সভাপতিত্বে জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব গোলাম নবী আলমগীর, পুলিশ সুপার মো. শহীদুল্লাহ কাওছার, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মো. রাইসুল আলমসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ভোলা জেলা প্রতিনিধি 






















