Dhaka বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ বনদস্যু ছোট সুমনবাহিনীর আত্মসমর্পণ

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : 

সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ বনদস্যু ‘ছোট সুমন বাহিনী’র প্রধান সুমন বাহিনীর প্রধানসহ ৭ সদস্য বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কাছে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আত্মসমর্পণ করেছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) মোংলার দিগরাজস্থ কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের প্রধান কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দস্যুরা আত্মসমর্পণ করেন। এসময়, কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মেসবাউল ইসলামসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কোস্টগার্ড জানায়, বাগেরহাটের মোংলা থানাধীন সুন্দরবনের নন্দবালা খাল সংলগ্ন এলাকায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নিকট ডাকাত ছোট সুমন বাহিনীর প্রধান সুমন হাওলাদার ও তার সহযোগীসহ সর্বমোট সাত জন ডাকাত অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ কোস্ট গার্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করে। এসময় তাদের কাছ থেকে ৩ টি দেশীয় একনলা বন্দুক, ২ টি দেশীয় পাইপগান, ২৫ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ৩ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ গ্রহণ করা হয়।

এদিকে, কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে পরিচালিত ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’-এর আওতায় গত ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে অদ্যাবধি ২৬টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, ১০ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৭৮ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ২৫ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, ১৮৭ রাউন্ড এয়ারগানের গুলি এবং দুটি ওয়াকিটকি উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে ২১ জন বনদস্যুকে আটক করা হয়। এ সময় দস্যুদের হাতে জিম্মি থাকা ২০ জনকে জীবিত উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেওয়ার পর নিরাপদে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আত্মসমর্পণকারী ডাকাতরা হলো- মোংলা উপজেলার সুমন হাওলাদার (৩২), রবিউল মল্লিক (২৫), রফিক শেখ (২৯), সিদ্দিক হাওলাদার (৪০), গোলাম মল্লিক (৩৮), ইসমাইল খান (৩১) এবং বাগেরহাট জেলার রামপালের মাহফুজ মল্লিক (৩৪)। তারা দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে ডাকাতিসহ সাধারণ জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করে আসছিল।

ডাকাত সুমন হাওলার এর আগে ২০১৮ সালেও অস্ত্র ও গুলিসহ আত্মসমর্পণ করেছিল। সে সময় তার সঙ্গে সিদ্দিক হাওলাদারও আত্মসমর্পণ করেছিল। ৫ আগস্টের পর সুমনের নেতৃত্বে সিদ্দিকসহ ৭ জন আবার দস্যুতা শুরু করে।

সুমন জানান, ২০১৮ সালে আত্মসমর্পণের সময় ৬টি মামলা ছিল তার নামে। ৪টি মামলার সমাধান হয়। কিন্তু ২ মামলায় হয়রানি করা হচ্ছিল। এ অবস্থায় নিরুপায় হয়ে ৫ আগস্টের পর আবার বাহিনী গঠন করে দস্যুতা শুরু করেন। এক বছর পর আবারও সুযোগ পেয়ে সবাইকে নিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। এবারও একটি মামলা রয়েছে।

সিদ্দিক হাওলাদার বলেন, ‘আগের বার আত্মসমর্পণ করেও হয়রানির শিকার হচ্ছিলাম। তাই বেঁচে থাকতে দস্যুতায় যেতে হয়।’

কোস্টগার্ডের পশ্চিম জোনের জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মেসবাউল ইসলাম প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, গত ১৭ মে দিনগত রাত ১১টায় বাগেরহাটের মোংলা থানাধীন সুন্দরবনের নন্দবালা খাল সংলগ্ন এলাকায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের কাছে ডাকাত ছোট সুমন বাহিনীর প্রধান সুমন হাওলাদার এবং তার সহযোগীসহ সাত জন ডাকাত অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ কোস্ট গার্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি দেশি একনলা বন্দুক, দুটি দেশি পাইপগান, ২৫ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, তিন রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ গ্রহণ করা হয়। তারা দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে ডাকাতিসহ সাধারণ জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করে আসছিল। জব্দকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ ও আত্মসমর্পণকারী ডাকাতদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থাসহ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তিনি বলেন, কোস্টগার্ডের চলমান এ সব কার্যকর অভিযানের ফলে স্থানীয় কিছু স্বার্থান্বেষী মহল অপরাধ দমন কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সময় বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচারের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে কোনও ধরনের অপপ্রচার বা বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণাই বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের চলমান অভিযানিক কার্যক্রম ও দস্যু দমন প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করতে পারবে না। এ ব্যাপারে সবার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

তিনি আরো বলেন, প্রকৃতপক্ষে, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নিরলস অভিযান এবং কঠোর অবস্থানের কারণেই সুন্দরবনে সক্রিয় দস্যু বাহিনীগুলো অনেকাংশে দুর্বল ও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। সুন্দরবনের সব সক্রিয় ডাকাতদের দস্যুবৃত্তি পরিহার করে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। যারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে ইচ্ছুক, আত্মসমর্পণের পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তাদের পুনর্বাসনের সুযোগ প্রদান করা হবে। অন্যথায়, যারা আত্মসমর্পণ না করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখবে, তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের ঘোষিত “জিরো টলারেন্স” নীতির আলোকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতে আরও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। একইসাথে সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ও নিরাপদ রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নিয়মিত অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে। সরকারের নির্দেশনা, আপনাদের সকলের সহযোগিতা এবং অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সুন্দরবনকে সম্পূর্ণরূপে দস্যুমুক্ত করা সম্ভব হবে বলে আমরা আশাবাদী।

আবহাওয়া

রামিসা হত্যাকাণ্ডের চার্জশিট দ্রুত দেওয়া হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ বনদস্যু ছোট সুমনবাহিনীর আত্মসমর্পণ

প্রকাশের সময় : ০২:৩৭:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : 

সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ বনদস্যু ‘ছোট সুমন বাহিনী’র প্রধান সুমন বাহিনীর প্রধানসহ ৭ সদস্য বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কাছে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আত্মসমর্পণ করেছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) মোংলার দিগরাজস্থ কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের প্রধান কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দস্যুরা আত্মসমর্পণ করেন। এসময়, কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মেসবাউল ইসলামসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কোস্টগার্ড জানায়, বাগেরহাটের মোংলা থানাধীন সুন্দরবনের নন্দবালা খাল সংলগ্ন এলাকায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নিকট ডাকাত ছোট সুমন বাহিনীর প্রধান সুমন হাওলাদার ও তার সহযোগীসহ সর্বমোট সাত জন ডাকাত অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ কোস্ট গার্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করে। এসময় তাদের কাছ থেকে ৩ টি দেশীয় একনলা বন্দুক, ২ টি দেশীয় পাইপগান, ২৫ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ৩ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ গ্রহণ করা হয়।

এদিকে, কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে পরিচালিত ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’-এর আওতায় গত ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে অদ্যাবধি ২৬টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, ১০ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৭৮ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ২৫ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, ১৮৭ রাউন্ড এয়ারগানের গুলি এবং দুটি ওয়াকিটকি উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে ২১ জন বনদস্যুকে আটক করা হয়। এ সময় দস্যুদের হাতে জিম্মি থাকা ২০ জনকে জীবিত উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেওয়ার পর নিরাপদে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আত্মসমর্পণকারী ডাকাতরা হলো- মোংলা উপজেলার সুমন হাওলাদার (৩২), রবিউল মল্লিক (২৫), রফিক শেখ (২৯), সিদ্দিক হাওলাদার (৪০), গোলাম মল্লিক (৩৮), ইসমাইল খান (৩১) এবং বাগেরহাট জেলার রামপালের মাহফুজ মল্লিক (৩৪)। তারা দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে ডাকাতিসহ সাধারণ জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করে আসছিল।

ডাকাত সুমন হাওলার এর আগে ২০১৮ সালেও অস্ত্র ও গুলিসহ আত্মসমর্পণ করেছিল। সে সময় তার সঙ্গে সিদ্দিক হাওলাদারও আত্মসমর্পণ করেছিল। ৫ আগস্টের পর সুমনের নেতৃত্বে সিদ্দিকসহ ৭ জন আবার দস্যুতা শুরু করে।

সুমন জানান, ২০১৮ সালে আত্মসমর্পণের সময় ৬টি মামলা ছিল তার নামে। ৪টি মামলার সমাধান হয়। কিন্তু ২ মামলায় হয়রানি করা হচ্ছিল। এ অবস্থায় নিরুপায় হয়ে ৫ আগস্টের পর আবার বাহিনী গঠন করে দস্যুতা শুরু করেন। এক বছর পর আবারও সুযোগ পেয়ে সবাইকে নিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। এবারও একটি মামলা রয়েছে।

সিদ্দিক হাওলাদার বলেন, ‘আগের বার আত্মসমর্পণ করেও হয়রানির শিকার হচ্ছিলাম। তাই বেঁচে থাকতে দস্যুতায় যেতে হয়।’

কোস্টগার্ডের পশ্চিম জোনের জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মেসবাউল ইসলাম প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, গত ১৭ মে দিনগত রাত ১১টায় বাগেরহাটের মোংলা থানাধীন সুন্দরবনের নন্দবালা খাল সংলগ্ন এলাকায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের কাছে ডাকাত ছোট সুমন বাহিনীর প্রধান সুমন হাওলাদার এবং তার সহযোগীসহ সাত জন ডাকাত অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ কোস্ট গার্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি দেশি একনলা বন্দুক, দুটি দেশি পাইপগান, ২৫ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, তিন রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ গ্রহণ করা হয়। তারা দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে ডাকাতিসহ সাধারণ জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করে আসছিল। জব্দকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ ও আত্মসমর্পণকারী ডাকাতদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থাসহ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তিনি বলেন, কোস্টগার্ডের চলমান এ সব কার্যকর অভিযানের ফলে স্থানীয় কিছু স্বার্থান্বেষী মহল অপরাধ দমন কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সময় বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচারের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে কোনও ধরনের অপপ্রচার বা বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণাই বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের চলমান অভিযানিক কার্যক্রম ও দস্যু দমন প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করতে পারবে না। এ ব্যাপারে সবার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

তিনি আরো বলেন, প্রকৃতপক্ষে, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নিরলস অভিযান এবং কঠোর অবস্থানের কারণেই সুন্দরবনে সক্রিয় দস্যু বাহিনীগুলো অনেকাংশে দুর্বল ও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। সুন্দরবনের সব সক্রিয় ডাকাতদের দস্যুবৃত্তি পরিহার করে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। যারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে ইচ্ছুক, আত্মসমর্পণের পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তাদের পুনর্বাসনের সুযোগ প্রদান করা হবে। অন্যথায়, যারা আত্মসমর্পণ না করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখবে, তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের ঘোষিত “জিরো টলারেন্স” নীতির আলোকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতে আরও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। একইসাথে সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ও নিরাপদ রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নিয়মিত অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে। সরকারের নির্দেশনা, আপনাদের সকলের সহযোগিতা এবং অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সুন্দরবনকে সম্পূর্ণরূপে দস্যুমুক্ত করা সম্ভব হবে বলে আমরা আশাবাদী।