Dhaka সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীকে উড়িয়ে প্রথম জয় চিটাগাংয়ের

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৫:৫৯:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২৬৯ জন দেখেছেন

স্পোর্টস ডেস্ক : 

দানবীয় ব্যাটিংয়ে চিটাগং কিংসকে বিশাল পুঁজি এনে দেন উসমান খান। করলেন এবারের বিপিএলের প্রথম সেঞ্চুরিও। তাতেই জয়ের ভিত পেয়ে যায় দলটি। এরপর বাকি কাজ সারেন বোলাররা। তাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে দুর্বার রাজশাহীর বিপক্ষে দারুণ জয় পায় মোহাম্মদ মিঠুনের দল। যা আসরে দলটির প্রথম জয়।

শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) দিনের প্রথম ম্যাচে দুর্বার রাজশাহীকে ১০৫ রানে হারিয়েছে চিটাগং কিংস। প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২১৯ রান তোলে তারা। জবাবে ১৭.১ ওভারে ১১৪ রান তুলে গুটিয়ে যায় এনামুল হক বিজয়ের দল।

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় রাজশাহী। প্রথম ওভারেই সাজঘরে ফেরেন ওপেনার সাব্বির হোসেন (৮)। ৯ বলে ৮ রান করে তাকে সঙ্গ দেন আগে ম্যাচে রাজশাহীকে জয়ের পথে এগিয়ে নেওয়া এনামুল হক। তবে অপর প্রান্ত থেকে ব্যাট চালাতে থাকেন মোহাম্মদ হারিস।

তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি এই পাক তারকা। ১৫ বলে ৩২ রান করে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। এরপর আকবর আলী (১৮), ইয়াসির আলী (১৬), রায়ান বার্ল (১০) এবং তাসকিন ১ রানে আউট হলে দলীয় ১০৪ রানে ৭ উইকেট হারায় রাজশাহী।

এরপর শাফিউল ইসলাম (১), হাসান মুরাদ (৫) এবং সোহাগ গাজী ১১ রানে আউট হলে ১৭ বল হাতে থাকতে ১১৪ রানে অলআউট হয় রাজশাহী। এতে ১০৫ রানের জয় পায় চিটাগং কিংস।

চিটাগং কিংসের হয়ে আলিস আল ইসলাম ও আরাফাত সানি ৩টি করে উইকেট শিকার করেন। এ ছাড়াও শরিফুল ইসলাম এবং ওয়াসিম জুনিয়র দুটি করে উইকেট শিকার করেন।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি চিটাগংয়ের ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই সাজঘরে ফেরেন ওপেনার পারভেজ ইমন। তবে গ্রাহাম ক্লার্ককে সঙ্গে নিয়ে ব্যাট চালাতে থাকেন ওসমান খান। ২১ বলে ফিফটি তুলে নেন এই পাক তারকা।

অপর প্রান্ত থেকে ব্যাট চালাতে থাকেন গ্রাহামও। তবে ফিফটি পাননি তিনি। ২৫ বলে ৪০ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। অন্যদিকে ব্যাট চালিয়ে সেঞ্চুরির দ্বার প্রান্তে পৌঁছে যান ওসমান। ১১টি বাউন্ডারি এবং ৫টি ওভার বাউন্ডারিতে ৪৮ বলে ফিফটি তুলে নেন এই ডান হাতি ব্যাটার।

১৫ বলে ২৮ রান করে তাকে সঙ্গ দেন মিথুন। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি শামীম পাটোয়ারি। তব ওসমানের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ১৮তম ওভারে ২০০ রানের কোটা পার করে চিটাগং। এরপর পিচে থাকতে পারেননি ওসমান। ৬২ বলে ১২৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

শেষ পর্যন্ত হায়দার আলির ৮ বলের অপরাজিত ১৯ রানে ভর করে ৫ উইকেট হারিয়ে ২১৯ রানের বড় পুঁজি পেয়েছে চিটাগং কিংস। দুর্বার রাজশাহীর হয়ে ৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে দুই উইকেট নেন তাসকিন।

আবহাওয়া

রাজশাহীকে উড়িয়ে প্রথম জয় চিটাগাংয়ের

প্রকাশের সময় : ০৫:৫৯:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৫

স্পোর্টস ডেস্ক : 

দানবীয় ব্যাটিংয়ে চিটাগং কিংসকে বিশাল পুঁজি এনে দেন উসমান খান। করলেন এবারের বিপিএলের প্রথম সেঞ্চুরিও। তাতেই জয়ের ভিত পেয়ে যায় দলটি। এরপর বাকি কাজ সারেন বোলাররা। তাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে দুর্বার রাজশাহীর বিপক্ষে দারুণ জয় পায় মোহাম্মদ মিঠুনের দল। যা আসরে দলটির প্রথম জয়।

শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) দিনের প্রথম ম্যাচে দুর্বার রাজশাহীকে ১০৫ রানে হারিয়েছে চিটাগং কিংস। প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২১৯ রান তোলে তারা। জবাবে ১৭.১ ওভারে ১১৪ রান তুলে গুটিয়ে যায় এনামুল হক বিজয়ের দল।

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় রাজশাহী। প্রথম ওভারেই সাজঘরে ফেরেন ওপেনার সাব্বির হোসেন (৮)। ৯ বলে ৮ রান করে তাকে সঙ্গ দেন আগে ম্যাচে রাজশাহীকে জয়ের পথে এগিয়ে নেওয়া এনামুল হক। তবে অপর প্রান্ত থেকে ব্যাট চালাতে থাকেন মোহাম্মদ হারিস।

তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি এই পাক তারকা। ১৫ বলে ৩২ রান করে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। এরপর আকবর আলী (১৮), ইয়াসির আলী (১৬), রায়ান বার্ল (১০) এবং তাসকিন ১ রানে আউট হলে দলীয় ১০৪ রানে ৭ উইকেট হারায় রাজশাহী।

এরপর শাফিউল ইসলাম (১), হাসান মুরাদ (৫) এবং সোহাগ গাজী ১১ রানে আউট হলে ১৭ বল হাতে থাকতে ১১৪ রানে অলআউট হয় রাজশাহী। এতে ১০৫ রানের জয় পায় চিটাগং কিংস।

চিটাগং কিংসের হয়ে আলিস আল ইসলাম ও আরাফাত সানি ৩টি করে উইকেট শিকার করেন। এ ছাড়াও শরিফুল ইসলাম এবং ওয়াসিম জুনিয়র দুটি করে উইকেট শিকার করেন।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি চিটাগংয়ের ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই সাজঘরে ফেরেন ওপেনার পারভেজ ইমন। তবে গ্রাহাম ক্লার্ককে সঙ্গে নিয়ে ব্যাট চালাতে থাকেন ওসমান খান। ২১ বলে ফিফটি তুলে নেন এই পাক তারকা।

অপর প্রান্ত থেকে ব্যাট চালাতে থাকেন গ্রাহামও। তবে ফিফটি পাননি তিনি। ২৫ বলে ৪০ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। অন্যদিকে ব্যাট চালিয়ে সেঞ্চুরির দ্বার প্রান্তে পৌঁছে যান ওসমান। ১১টি বাউন্ডারি এবং ৫টি ওভার বাউন্ডারিতে ৪৮ বলে ফিফটি তুলে নেন এই ডান হাতি ব্যাটার।

১৫ বলে ২৮ রান করে তাকে সঙ্গ দেন মিথুন। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি শামীম পাটোয়ারি। তব ওসমানের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ১৮তম ওভারে ২০০ রানের কোটা পার করে চিটাগং। এরপর পিচে থাকতে পারেননি ওসমান। ৬২ বলে ১২৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

শেষ পর্যন্ত হায়দার আলির ৮ বলের অপরাজিত ১৯ রানে ভর করে ৫ উইকেট হারিয়ে ২১৯ রানের বড় পুঁজি পেয়েছে চিটাগং কিংস। দুর্বার রাজশাহীর হয়ে ৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে দুই উইকেট নেন তাসকিন।