মেঘনা নদীর মাঝখানে চরে আটকা হাতিয়ার ফেরি মহানন্দা, দুর্ভোগে যাত্রীরা

নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি : 

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাট-নলচিরা ঘাট রুটে চলাচলকারী ফেরি মহানন্দা মেঘনা নদীর মাঝখানে চরে আটকা পড়েছে। এতে ফেরিতে থাকা দুই শতাধিক যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহনের যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে চেয়ারম্যান ঘাট থেকে নলচিরা ঘাটে যাওয়ার পথে মেঘনা নদীর একটি ডুবো চরে ফেরিটি আটকে যায় বলে জানিয়েছেন ফেরির মাস্টার মো. করিম।

তিনি জানান, ফেরিটিতে দুই শতাধিক যাত্রী ছাড়াও পণ্যবাহী ১৬টি যানবাহন রয়েছে।

যাত্রীরা অভিযোগ করেন, নদীতে নাব্যতা সংকট এবং সময়মতো ফেরি না ছাড়ার কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ সময় ফেরি আটকে থাকায় নারী, শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ যাত্রীরা বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেকে বাধ্য হয়ে কাঠের নৌকায় করে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

যাত্রীরা জানান, দ্রুত নদী ড্রেজিং করে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা না হলে বর্ষা মৌসুমে এ ধরনের সমস্যা আরও বাড়তে পারে।

ফেরির মাস্টার মো. করিম বলেন, ঘাটে নাব্যতা সংকটসহ বিভিন্ন কারণে ফেরি ছাড়তে প্রায় ১০ মিনিট দেরি হয়েছে। সকাল ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে ভাটার শেষ সময়ে ফেরি ছাড়ায় ডুবো চরে আটকে যায়।

তিনি আরও বলেন, দুপুরে জোয়ার এলে পানি বাড়ার পর ফেরিটি ভাসমান হলে পুনরায় চলাচল শুরু করা যাবে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

বগুড়ায় ৬৫ লাখ টাকার সড়ক সপ্তাহ টেকেনি, হাতের টানে উঠছে কার্পেটিং

মেঘনা নদীর মাঝখানে চরে আটকা হাতিয়ার ফেরি মহানন্দা, দুর্ভোগে যাত্রীরা

প্রকাশের সময় : ০২:১৬:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি : 

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাট-নলচিরা ঘাট রুটে চলাচলকারী ফেরি মহানন্দা মেঘনা নদীর মাঝখানে চরে আটকা পড়েছে। এতে ফেরিতে থাকা দুই শতাধিক যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহনের যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে চেয়ারম্যান ঘাট থেকে নলচিরা ঘাটে যাওয়ার পথে মেঘনা নদীর একটি ডুবো চরে ফেরিটি আটকে যায় বলে জানিয়েছেন ফেরির মাস্টার মো. করিম।

তিনি জানান, ফেরিটিতে দুই শতাধিক যাত্রী ছাড়াও পণ্যবাহী ১৬টি যানবাহন রয়েছে।

যাত্রীরা অভিযোগ করেন, নদীতে নাব্যতা সংকট এবং সময়মতো ফেরি না ছাড়ার কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ সময় ফেরি আটকে থাকায় নারী, শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ যাত্রীরা বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেকে বাধ্য হয়ে কাঠের নৌকায় করে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

যাত্রীরা জানান, দ্রুত নদী ড্রেজিং করে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা না হলে বর্ষা মৌসুমে এ ধরনের সমস্যা আরও বাড়তে পারে।

ফেরির মাস্টার মো. করিম বলেন, ঘাটে নাব্যতা সংকটসহ বিভিন্ন কারণে ফেরি ছাড়তে প্রায় ১০ মিনিট দেরি হয়েছে। সকাল ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে ভাটার শেষ সময়ে ফেরি ছাড়ায় ডুবো চরে আটকে যায়।

তিনি আরও বলেন, দুপুরে জোয়ার এলে পানি বাড়ার পর ফেরিটি ভাসমান হলে পুনরায় চলাচল শুরু করা যাবে।