Dhaka সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদারীপুরে আত্মীয়ের বাড়ি থেকে সন্তানসহ দম্পতির লাশ উদ্ধার

মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি : 

মাদারীপুরে আত্মীয়ের বাসা থেকে শিশুসহ একই পরিবারের তিন জনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (১৭ মে) দিবাগত রাতে শহরের আমিরাবাদ এলাকা থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন- মাদারীপুর সদর উপজেলার কলাগাছিয়া এলাকার চিন্ময় দাস (৩৮) ও তাঁর স্ত্রী ইশা দাস (৩২) এবং তাঁদের আট মাসের শিশুসন্তান।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদারীপুর শহরের আমিরাবাদ এলাকার মৃত বীরেন্দ্রনাথ দত্তের স্ত্রী সান্তনা রানী চন্দের বাসায় ৩ বছর ধরে ভাড়া থাকেন গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার সাতপাড় এলাকার ইতালি প্রবাসী যতীন বাড়ৈর স্ত্রী মিষ্টি বাড়ৈ। রোববার বিকেলে চাচাতো ভাই পরিচয় দিয়ে ওই বাড়িতে আসেন চিন্ময় দাসসহ পরিবারের তিন সদস্য। পরে হঠাৎ রাত তিনটার দিকে পুলিশ খবর পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে শিশুসহ তিন জনের মরদেহ উদ্ধার করে। এসময় একই দড়িতে বাবা ও ছোট শিশুসন্তানের মরদেহ ঝুলতে দেখা যায়। পাশেই পড়ে ছিল স্ত্রীর মরদেহ।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, শহরের আমিরাবাদ এলাকার মৃত বীরেন্দ্রনাথ দত্তের স্ত্রী সান্তনা রানী চন্দের বাসায় তিন বছর ধরে ভাড়া থাকেন গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার সাতপাড় এলাকার ইতালি প্রবাসী যতীন বাড়ৈর স্ত্রী মিষ্টি বাড়ৈ। রোববার বিকেলে চাচাতো ভাই পরিচয়ে ওই বাড়িতে আসেন চিন্ময় দাসসহ পরিবারের তিন সদস্য। রাতে খাবার খেয়ে চিন্ময় তার পরিবার নিয়ে ওই বাসার একটি কক্ষে ছিলেন। পরে মধ্যরাতে মিষ্টি বাড়ৈর কল পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে শিশুসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ওসি আরও বলেন, পাশের রুমে একা ছিলেন মিষ্টি বাড়ৈ। তিনিই বিষয়টি পুলিশকে জানিয়েছেন। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে প্রাথমিকভাবে সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে মিষ্টি বাড়ৈকে। এদিকে ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।

র‌্যাব-৮, সিপিসি-৩ (মাদারীপুর ক্যাম্প)-এর কোম্পানি কমান্ডার পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান বলেন, এটি একটি মর্মান্তিক ঘটনা। হত্যা নাকি আত্মহত্যা, এখনো নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। জিজ্ঞাসাবাদ ও আলামত জব্দ করা হচ্ছে। তবে কিছু বিষয় সন্দেহের সৃষ্টি করছে। তদন্তের পরে বিস্তারিত জানা যাবে।

আবহাওয়া

সেতু নয় যেন মরণফাঁদ, ঝুঁকিতে ৫০ গ্রামের মানুষ

মাদারীপুরে আত্মীয়ের বাড়ি থেকে সন্তানসহ দম্পতির লাশ উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ১২:১৫:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি : 

মাদারীপুরে আত্মীয়ের বাসা থেকে শিশুসহ একই পরিবারের তিন জনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (১৭ মে) দিবাগত রাতে শহরের আমিরাবাদ এলাকা থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন- মাদারীপুর সদর উপজেলার কলাগাছিয়া এলাকার চিন্ময় দাস (৩৮) ও তাঁর স্ত্রী ইশা দাস (৩২) এবং তাঁদের আট মাসের শিশুসন্তান।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদারীপুর শহরের আমিরাবাদ এলাকার মৃত বীরেন্দ্রনাথ দত্তের স্ত্রী সান্তনা রানী চন্দের বাসায় ৩ বছর ধরে ভাড়া থাকেন গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার সাতপাড় এলাকার ইতালি প্রবাসী যতীন বাড়ৈর স্ত্রী মিষ্টি বাড়ৈ। রোববার বিকেলে চাচাতো ভাই পরিচয় দিয়ে ওই বাড়িতে আসেন চিন্ময় দাসসহ পরিবারের তিন সদস্য। পরে হঠাৎ রাত তিনটার দিকে পুলিশ খবর পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে শিশুসহ তিন জনের মরদেহ উদ্ধার করে। এসময় একই দড়িতে বাবা ও ছোট শিশুসন্তানের মরদেহ ঝুলতে দেখা যায়। পাশেই পড়ে ছিল স্ত্রীর মরদেহ।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, শহরের আমিরাবাদ এলাকার মৃত বীরেন্দ্রনাথ দত্তের স্ত্রী সান্তনা রানী চন্দের বাসায় তিন বছর ধরে ভাড়া থাকেন গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার সাতপাড় এলাকার ইতালি প্রবাসী যতীন বাড়ৈর স্ত্রী মিষ্টি বাড়ৈ। রোববার বিকেলে চাচাতো ভাই পরিচয়ে ওই বাড়িতে আসেন চিন্ময় দাসসহ পরিবারের তিন সদস্য। রাতে খাবার খেয়ে চিন্ময় তার পরিবার নিয়ে ওই বাসার একটি কক্ষে ছিলেন। পরে মধ্যরাতে মিষ্টি বাড়ৈর কল পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে শিশুসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ওসি আরও বলেন, পাশের রুমে একা ছিলেন মিষ্টি বাড়ৈ। তিনিই বিষয়টি পুলিশকে জানিয়েছেন। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে প্রাথমিকভাবে সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে মিষ্টি বাড়ৈকে। এদিকে ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।

র‌্যাব-৮, সিপিসি-৩ (মাদারীপুর ক্যাম্প)-এর কোম্পানি কমান্ডার পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান বলেন, এটি একটি মর্মান্তিক ঘটনা। হত্যা নাকি আত্মহত্যা, এখনো নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। জিজ্ঞাসাবাদ ও আলামত জব্দ করা হচ্ছে। তবে কিছু বিষয় সন্দেহের সৃষ্টি করছে। তদন্তের পরে বিস্তারিত জানা যাবে।