নিজস্ব প্রতিবেদক :
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সীমান্তে পুশ ইন সমস্যা সংলাপের মাধ্যমে সমাধান করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক।
নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় বুধবার (১৭ জুন) নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে স্টিফেন ডুজারিকের কাছে জানতে চাওয়া হয়, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত প্রসঙ্গে আবারও বলছি, আন্তর্জাতিক মনোযোগ এখন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা, লেবানন, দক্ষিণ সুদান এবং হাইতির দিকে। কিন্তু বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তে শত শত শিশু ও নারীর জীবন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। শিশুরা ক্ষুধায় কাঁদছে। নারীরা খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাচ্ছেন। জাতিসংঘের মহাসচিব এই বিষয়টিকে কীভাবে দেখছেন?
জবাবে জাতিসংঘ মহসচিবের মুখপাত্র বলেন, দেখুন, আমি মনে করি বিষয়টি দুই দেশের সংলাপের মাধ্যমে সমাধান করা উচিত এবং এতে মানুষের মানবাধিকার ও মানবিক মর্যাদার প্রতি পূর্ণ সম্মান থাকতে হবে।
দ্বিতীয় আরেকটি প্রশ্নে ডুজারিকের কাছে জানতে চাওয়া হয়, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি বাংলাদেশের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে রোহিঙ্গাবিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। কয়েক মাস পরই জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেবেন তিনি। অন্যদিকে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এর আগে শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ পদে তাদের অবস্থানের ফলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ত্বরান্বিত হবে কি না, এমন প্রশ্নও করা হয় মহাসচিবের মুখপাত্রকে।
জবাবে স্টিফেন ডুজারিক স্পষ্ট করে বলেন, ‘সাধারণ পরিষদের সভাপতির মূল ভূমিকা হলো সাধারণ পরিষদের সার্বিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা। তাই জাতিসংঘ মহাসচিব এবং সাধারণ পরিষদের সভাপতির মধ্যে যে প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ হবে, তা মূলত সাধারণ পরিষদ-সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হবে। তবে রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান ও মানবিক সহায়তার যে নিয়মিত কাজ, তা জাতিসংঘের পক্ষ থেকে যথানিয়মেই চলতে থাকবে।’
নিজস্ব প্রতিবেদক 



















