নারী বাস সার্ভিসে ই-টিকিটিং, থাকছে সিসি ক্যামেরা-জিপিএস : সড়ক প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, নারী যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত নিশ্চিত করতে চালু হওয়া বিআরটিসির মহিলা বাস সার্ভিসে ই-টিকিটিং ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে নারী যাত্রীরা বাসে ওঠার আগেই সহজে টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। এতে কাউন্টারে অপেক্ষার সময়ও কমবে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিআরটিসি ঢাকা ট্রাক ডিপো প্রাঙ্গণে আয়োজিত ‘মহিলা বাস সার্ভিস (পিংক বাস)’ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির এই সময়ে গণপরিবহন ব্যবস্থাকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও যাত্রীবান্ধব করার লক্ষ্যে মহিলা বাস সার্ভিসে ই-টিকিটিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। নারী যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রার পাশাপাশি গণপরিবহনে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তথ্যপ্রযুক্তির সঙ্গে তালমিলিয়ে পিংক বাস সার্ভিসে ই-টিকিটিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে বলে জানিয়ে হাবিবুর রশিদ বলেন, প্রতিটি বাসে সিসি ক্যামেরা ও ই-টিকিটিং সিস্টেম (আইটিএস) সংযোজন করা হয়েছে। ফলে নারী যাত্রীরা বাসে ওঠার আগেই সহজে টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন এবং কাউন্টারে অপেক্ষার সময়ও কমবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ঢাকা মহানগর, চট্টগ্রাম ও বগুড়া শহরে ১৩টি রুটে মোট ১৪টি বাস নিয়ে মহিলা বাস সার্ভিস চালু হচ্ছে। এর মধ্যে ঢাকায় ১০টি, বগুড়ায় দুটি এবং চট্টগ্রামে দুটি বাস চলবে। এসব বাস ঢাকায় ১৬০টি, চট্টগ্রামে ১২টি এবং বগুড়ায় ১৬টিসহ মোট ১৮৮টি স্টপেজে যাত্রীসেবা দেবে। বাসগুলো নারী চালক ও নারী কন্ডাক্টরের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।

নারী যাত্রীদের পাশাপাশি বাসে কর্মরত নারী চালক ও সহকারীদের নিরাপত্তা ও কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রতিমন্ত্রী। এ লক্ষ্যে বাসগুলোতে সিসি ক্যামেরা ও জিপিএস সংযোজন করা হয়েছে বলে জানান তিনি। এছাড়া বিআরটিসির বহরে ১০০টি ইলেকট্রিক বাস যুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানান হাবিবুর রশিদ হাবিব। দ্রুত এসব ইভি বাস বহরে যুক্ত করা হবে বলেও জানান সড়ক প্রতিমন্ত্রী।

‘মহিলা বাস’ সার্ভিস বা ‘পিংক বাস’ নারীর নিরাপদ যাত্রায় নতুন দিগন্ত বলে মন্তব্য করে সড়ক পরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি নাগরিকের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই নারী চালক ও নারী কন্ডাক্টর দ্বারা পরিচালিত বিশেষ পিংক বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নারীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াত নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) বিশেষ ‘মহিলা বাস’ সার্ভিস চালু হয়েছে। এ সার্ভিসে শুধু নারী যাত্রীই নয়, বাসের চালক ও কন্ডাক্টরও নারী। প্রাথমিকভাবে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও বগুড়ায় ১৩টি রুটে ১৪টি বাস নিয়ে শুরু হয়েছে এ সেবা। আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থার অংশ হিসেবে বাসগুলোতে ই-টিকিটিং, সিসি ক্যামেরা ও আইটিএস সুবিধা রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, ১৮০ দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সড়কপথে নারী যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাত্রার লক্ষ্যে বিআরটিসির ‘মহিলা বাস’ সার্ভিস বা পিংক বাস চালুর এই উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কর্মের তাগিদে প্রতিদিন অসংখ্য নারী কর্মস্থল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন কাজে যাতায়াত করেন। কিন্তু অনেক সময় তাদের জন্য নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাতায়াত সম্ভব হয় না। নারী যাত্রীদের নিরাপত্তার পাশাপাশি নারী চালক ও কন্ডাক্টরদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ঢাকা মহানগর, চট্টগ্রাম ও বগুড়া শহরের ১৩টি রুটে মোট ১৪টি বাস চলবে। এর মধ্যে ঢাকায় ১০টি, চট্টগ্রামে দুটি এবং বগুড়ায় দুটি বাস পরিচালিত হবে। এসব বাস ঢাকায় ১৬৭টি, চট্টগ্রামে ১২টি এবং বগুড়ায় ১৬টি- সর্বমোট ১৯৫টি স্টপেজে যাত্রীসেবা দেবে।

বিআরটিসির পিংক বাস সার্ভিসের জন্য ১০০টি ইলেকট্রিক ভেহিকেল (ইভি) কেনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। দ্রুতই বিআরটিসির বহরে নতুন ইভি বাস যুক্ত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এছাড়া বিআরটিসির বহরে নতুন বাস সংযোজনের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় প্রায় ৮০০ কোটি টাকা ঋণ সহায়তা দিচ্ছে। এর মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থাটির বহরে পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক বাস যুক্ত করা হবে।

পিংক বাস সার্ভিস নারী কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেন হাবিবুর রশিদ। তিনি নারী চালক ও কন্ডাক্টরদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, নিরাপত্তা ও কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের দক্ষতা ও পেশাগত সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।

তিনি বলেন, বিশ্বে নারীরা যেভাবে এগিয়ে চলেছেন, আগামী বাংলাদেশেও নারীরা আরও এগিয়ে যাবেন। প্রশাসনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীরা এরই মধ্যে এগিয়ে যাচ্ছেন। ভবিষ্যতে পেশার সব ক্ষেত্রে নারীরা পুরুষের পাশাপাশি সমান্তরালে এগিয়ে গিয়ে একটি স্বনির্ভর ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তুলবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। এছাড়াও সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

হাম উপসর্গে আরো ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১০৬১

নারী বাস সার্ভিসে ই-টিকিটিং, থাকছে সিসি ক্যামেরা-জিপিএস : সড়ক প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০২:৩৬:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, নারী যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত নিশ্চিত করতে চালু হওয়া বিআরটিসির মহিলা বাস সার্ভিসে ই-টিকিটিং ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে নারী যাত্রীরা বাসে ওঠার আগেই সহজে টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। এতে কাউন্টারে অপেক্ষার সময়ও কমবে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিআরটিসি ঢাকা ট্রাক ডিপো প্রাঙ্গণে আয়োজিত ‘মহিলা বাস সার্ভিস (পিংক বাস)’ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির এই সময়ে গণপরিবহন ব্যবস্থাকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও যাত্রীবান্ধব করার লক্ষ্যে মহিলা বাস সার্ভিসে ই-টিকিটিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। নারী যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রার পাশাপাশি গণপরিবহনে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তথ্যপ্রযুক্তির সঙ্গে তালমিলিয়ে পিংক বাস সার্ভিসে ই-টিকিটিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে বলে জানিয়ে হাবিবুর রশিদ বলেন, প্রতিটি বাসে সিসি ক্যামেরা ও ই-টিকিটিং সিস্টেম (আইটিএস) সংযোজন করা হয়েছে। ফলে নারী যাত্রীরা বাসে ওঠার আগেই সহজে টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন এবং কাউন্টারে অপেক্ষার সময়ও কমবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ঢাকা মহানগর, চট্টগ্রাম ও বগুড়া শহরে ১৩টি রুটে মোট ১৪টি বাস নিয়ে মহিলা বাস সার্ভিস চালু হচ্ছে। এর মধ্যে ঢাকায় ১০টি, বগুড়ায় দুটি এবং চট্টগ্রামে দুটি বাস চলবে। এসব বাস ঢাকায় ১৬০টি, চট্টগ্রামে ১২টি এবং বগুড়ায় ১৬টিসহ মোট ১৮৮টি স্টপেজে যাত্রীসেবা দেবে। বাসগুলো নারী চালক ও নারী কন্ডাক্টরের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।

নারী যাত্রীদের পাশাপাশি বাসে কর্মরত নারী চালক ও সহকারীদের নিরাপত্তা ও কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রতিমন্ত্রী। এ লক্ষ্যে বাসগুলোতে সিসি ক্যামেরা ও জিপিএস সংযোজন করা হয়েছে বলে জানান তিনি। এছাড়া বিআরটিসির বহরে ১০০টি ইলেকট্রিক বাস যুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানান হাবিবুর রশিদ হাবিব। দ্রুত এসব ইভি বাস বহরে যুক্ত করা হবে বলেও জানান সড়ক প্রতিমন্ত্রী।

‘মহিলা বাস’ সার্ভিস বা ‘পিংক বাস’ নারীর নিরাপদ যাত্রায় নতুন দিগন্ত বলে মন্তব্য করে সড়ক পরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি নাগরিকের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই নারী চালক ও নারী কন্ডাক্টর দ্বারা পরিচালিত বিশেষ পিংক বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নারীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াত নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) বিশেষ ‘মহিলা বাস’ সার্ভিস চালু হয়েছে। এ সার্ভিসে শুধু নারী যাত্রীই নয়, বাসের চালক ও কন্ডাক্টরও নারী। প্রাথমিকভাবে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও বগুড়ায় ১৩টি রুটে ১৪টি বাস নিয়ে শুরু হয়েছে এ সেবা। আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থার অংশ হিসেবে বাসগুলোতে ই-টিকিটিং, সিসি ক্যামেরা ও আইটিএস সুবিধা রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, ১৮০ দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সড়কপথে নারী যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাত্রার লক্ষ্যে বিআরটিসির ‘মহিলা বাস’ সার্ভিস বা পিংক বাস চালুর এই উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কর্মের তাগিদে প্রতিদিন অসংখ্য নারী কর্মস্থল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন কাজে যাতায়াত করেন। কিন্তু অনেক সময় তাদের জন্য নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাতায়াত সম্ভব হয় না। নারী যাত্রীদের নিরাপত্তার পাশাপাশি নারী চালক ও কন্ডাক্টরদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ঢাকা মহানগর, চট্টগ্রাম ও বগুড়া শহরের ১৩টি রুটে মোট ১৪টি বাস চলবে। এর মধ্যে ঢাকায় ১০টি, চট্টগ্রামে দুটি এবং বগুড়ায় দুটি বাস পরিচালিত হবে। এসব বাস ঢাকায় ১৬৭টি, চট্টগ্রামে ১২টি এবং বগুড়ায় ১৬টি- সর্বমোট ১৯৫টি স্টপেজে যাত্রীসেবা দেবে।

বিআরটিসির পিংক বাস সার্ভিসের জন্য ১০০টি ইলেকট্রিক ভেহিকেল (ইভি) কেনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। দ্রুতই বিআরটিসির বহরে নতুন ইভি বাস যুক্ত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এছাড়া বিআরটিসির বহরে নতুন বাস সংযোজনের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় প্রায় ৮০০ কোটি টাকা ঋণ সহায়তা দিচ্ছে। এর মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থাটির বহরে পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক বাস যুক্ত করা হবে।

পিংক বাস সার্ভিস নারী কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেন হাবিবুর রশিদ। তিনি নারী চালক ও কন্ডাক্টরদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, নিরাপত্তা ও কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের দক্ষতা ও পেশাগত সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।

তিনি বলেন, বিশ্বে নারীরা যেভাবে এগিয়ে চলেছেন, আগামী বাংলাদেশেও নারীরা আরও এগিয়ে যাবেন। প্রশাসনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীরা এরই মধ্যে এগিয়ে যাচ্ছেন। ভবিষ্যতে পেশার সব ক্ষেত্রে নারীরা পুরুষের পাশাপাশি সমান্তরালে এগিয়ে গিয়ে একটি স্বনির্ভর ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তুলবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। এছাড়াও সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন উপস্থিত ছিলেন।