Dhaka বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দেশের দিক-নির্দেশনায় জ্ঞানী–গুণীজনদের ভূমিকাই প্রধান : প্রধানমন্ত্রী

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০১:১৫:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৮৯ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব রাজনীতিবিদদের হাতে থাকলেও দেশের সামগ্রিক দিকনির্দেশনা নির্ধারণে জ্ঞানী-গুণীজনদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীতে আয়োজিত একুশে পদক–২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, একটি রাষ্ট্র এবং সমাজে কৃতী মানুষের সংখ্যা যত বৃদ্ধি পাবে, সমৃদ্ধি এবং নৈতিকতার মানদণ্ডে সেই সমাজ তত বেশি আলোকিত হতে থাকবে।

তিনি বিশ্বাস করেন, রাজনীতিবিদগণ রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকলেও সমাজের প্রকৃত দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করেন দেশের জ্ঞানী-গুণীজনরাই। রাষ্ট্র তার নিজের প্রয়োজনেই এসব গুণী মানুষকে সম্মানিত করে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তারেক রহমান বলেন, কৃতি মানুষের সংখ্যা বাড়লে সমাজ আলোকিত হবে। এই পদকের মাধ্যমে ভাষা আন্দোলন থেকে আজ পর্যন্ত সব ঐতিহাসিক ঘটনাকে স্মরণে আনার পাশাপাশি শিল্প, সাহিত্য ও গবেষণায় অবদান রাখা গুণীজনদের সাথে আপামর জনসাধারণের পরিচয় ঘটে। এটি একটি ইতিবাচক অর্জন। এর মাধ্যমে জ্ঞান, বিজ্ঞান আরো বিকশিত ও সমৃদ্ধ হবে বলে প্রত্যাশা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো একুশে পদক প্রবর্তন করেছিলেন। এটি শুধু একটি পদকই নয়…বরং এই পদকের মধ্য দিয়ে, ৫২ ভাষা আন্দোলন থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ঘটনাবলীগুলোকে স্মরণে আনার পাশাপাশি যেসব বিজ্ঞজন শিক্ষা সাহিত্য শিল্পকলা গবেষণা ও চর্চায় নিজেদের এবং রাষ্ট্র ও সমাজকে সমৃদ্ধ করেছেন, তাদের সঙ্গে আপামর জনসাধারণের পরিচয় ঘটে।’

তিনি বলেন, শুরুতে তিনটি বিষয়ে পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পুরস্কার একুশে পদক—এর যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, শিক্ষা, গবেষণা, শিল্পকলা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ সম্ভবত কমপক্ষে ১২টি ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য এই সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। এটি নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক অর্জন। জ্ঞান বিজ্ঞান কিংবা শিল্প সাহিত্য চর্চার ধারা আরও শাণিত এবং বিকশিত হোক এই প্রত্যাশা করছি। শিক্ষা গবেষণা এবং শিল্প সাহিত্যের চর্চাকে আরও বেগবান করতে রাষ্ট্র এবং সরকার তার দায়িত্ব অবশ্যই পালন করবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ উপলব্ধি থেকেই স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো একুশে পদক প্রবর্তন করেছিলেন। এ পদক শুধু একটি সম্মাননা নয়, বরং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনসহ দেশের ঐতিহাসিক ঘটনাবলির রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা ও গবেষণায় অবদান রাখা ব্যক্তিদের সমাজের সামনে তুলে ধরার একটি অনন্য উদ্যোগ।

তিনি বলেন, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিল্পসাহিত্য চর্চার ধারা আরও বিকশিত হওয়া প্রয়োজন। এ লক্ষ্য অর্জনে শিক্ষা, গবেষণা এবং সংস্কৃতিচর্চা জোরদারে রাষ্ট্র ও সরকারের দায়িত্ব অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। আমি বিশ্বাস করি, শিক্ষা-গবেষণা ও শিল্প-সাহিত্য চর্চাকে রাজনীতিকীকরণ করা কখনই সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয়। শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের সব শাখায় যাতে দেশ এগিয়ে যেতে পারে, সে লক্ষ্যে নৈতিক মানসম্পন্ন একটি উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকার কাজ করছে। আমাদের এ যাত্রায় দেশের বিজ্ঞজনদের দিকনির্দেশনা অবশ্যই প্রত্যাশিত।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিশ্চয়ই বিশ্বে আলো ছড়াবে—আশা প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় ইতিহাসে ফেব্রুয়ারি মাসের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফেব্রুয়ারি আমাদের আত্মপরিচয়ের স্মারক। বলা যায়, আমাদের সংস্কৃতিচেতনার প্রাণপ্রবাহ একুশে ফেব্রুয়ারি। একুশে ফেব্রুয়ারি একদিকে মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম, অন্যদিকে জালেমের বিরুদ্ধে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। সুতরাং ফেব্রুয়ারি মানেই আত্মপরিচয় উপলব্ধির মাস আমাদের শেকড় সন্ধানী মাস।

প্রতি বছরের মতো এ বছরও দেশের জ্ঞানী-গুণী কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী ও ভাষাসংগ্রামীদের একুশে পদকে ভূষিত করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জ্ঞানী গুণীদের কর্মময় জীবনের সঙ্গে আপামর জনগণের পরিচয় করিয়ে দেওয়া রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব।

তিনি বলেন, ‘একুশ আমাদের অবিনাশী চেতনা, স্বাধিকার অর্জনের বীজমন্ত্র। এবার আমরা ভাষা আন্দোলনের ৭৪ বছর অতিক্রম করে ৭৫ বছরে পদার্পণ করেছি। অমর একুশের ভাষাশহীদদের স্মরণে প্রবর্তিত আজকের একুশে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে আমি গভীর শ্রদ্ধাভরে ভাষাসংগ্রামীদের স্মরণ করছি। আল্লাহ তাদের মৃত্যুকে শহিদি মৃত্যু হিসেবে কবুল করুন।’

তারেক রহমান বলেন, আমাদের জাতীয় ইতিহাসে ফেব্রুয়ারি মাসের গুরুত্ব অপরিসীম। একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের আত্মপরিচয়ের স্মারক। বলা যায়, আমাদের সংস্কৃতিচেতনার প্রাণপ্রবাহ একুশে ফেব্রুয়ারি। একুশে ফেব্রুয়ারি একদিকে মাতৃ ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম অপরদিকে এটি ছিল জালেমের বিরুদ্ধে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। সুতরাং, ফেব্রুয়ারি মানেই আত্মপরিচয় উপলব্ধির মাস। আমাদের শেকড় সন্ধানী মাস। প্রতি বছরের মতো এ বছর আমরা দেশের জ্ঞানী গুণী কবি-সাহিত্যিক-শিল্পী-ভাষাসংগ্রামীকে একুশে পদকে ভূষিত করেছি। জ্ঞানী গুণীদের কর্ম এবং কর্মময় জীবনের সঙ্গে আপামর জনগণের পরিচয় করিয়ে দেওয়া রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব।

একুশ আমাদের অবিনাশী চেতনা, স্বাধিকার অর্জনের বীজমন্ত্র—উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এবার আমরা ভাষা আন্দোলনের ৭৪ বছর অতিক্রম করে ৭৫ বছরে পদার্পণ। অমর একুশের ভাষা-শহীদদের স্মরণে প্রবর্তিত আজকের একুশে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে আমি গভীর শ্রদ্ধাভরে ভাষা সংগ্রামীদের স্মরণ করছি। আল্লাহ তাদের মৃত্যুকে শহীদি মৃত্যু হিসেবে কবুল করুন। আজ যাঁরা একুশে পদকে ভূষিত হলেন আপনাদের সবাইকে জানাচ্ছি আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। আপনাদের সৃজনমুখর জীবন আরও দীর্ঘ হোক, কল্যাণময় হোক, আল্লাহর দরবারে সেই প্রার্থনা করছি।’

একুশে পদকপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, আজ যারা একুশে পদকে ভূষিত হলেন আপনাদের সবাইকে জানাচ্ছি আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।’

অনুষ্ঠানের শেষাংশে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিশ্চয়ই একদিন বিশ্ব সাহিত্যের জগতে আলো ছড়াবে এমন দিনের প্রত্যাশা করেন তিনি।

 

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

সড়কে ইজিবাইকের ওপর ভেঙে পড়ল মেহগনি গাছ, অলৌকিকভাবে রক্ষা পেলেন যাত্রীরা

দেশের দিক-নির্দেশনায় জ্ঞানী–গুণীজনদের ভূমিকাই প্রধান : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০১:১৫:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব রাজনীতিবিদদের হাতে থাকলেও দেশের সামগ্রিক দিকনির্দেশনা নির্ধারণে জ্ঞানী-গুণীজনদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীতে আয়োজিত একুশে পদক–২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, একটি রাষ্ট্র এবং সমাজে কৃতী মানুষের সংখ্যা যত বৃদ্ধি পাবে, সমৃদ্ধি এবং নৈতিকতার মানদণ্ডে সেই সমাজ তত বেশি আলোকিত হতে থাকবে।

তিনি বিশ্বাস করেন, রাজনীতিবিদগণ রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকলেও সমাজের প্রকৃত দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করেন দেশের জ্ঞানী-গুণীজনরাই। রাষ্ট্র তার নিজের প্রয়োজনেই এসব গুণী মানুষকে সম্মানিত করে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তারেক রহমান বলেন, কৃতি মানুষের সংখ্যা বাড়লে সমাজ আলোকিত হবে। এই পদকের মাধ্যমে ভাষা আন্দোলন থেকে আজ পর্যন্ত সব ঐতিহাসিক ঘটনাকে স্মরণে আনার পাশাপাশি শিল্প, সাহিত্য ও গবেষণায় অবদান রাখা গুণীজনদের সাথে আপামর জনসাধারণের পরিচয় ঘটে। এটি একটি ইতিবাচক অর্জন। এর মাধ্যমে জ্ঞান, বিজ্ঞান আরো বিকশিত ও সমৃদ্ধ হবে বলে প্রত্যাশা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো একুশে পদক প্রবর্তন করেছিলেন। এটি শুধু একটি পদকই নয়…বরং এই পদকের মধ্য দিয়ে, ৫২ ভাষা আন্দোলন থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ঘটনাবলীগুলোকে স্মরণে আনার পাশাপাশি যেসব বিজ্ঞজন শিক্ষা সাহিত্য শিল্পকলা গবেষণা ও চর্চায় নিজেদের এবং রাষ্ট্র ও সমাজকে সমৃদ্ধ করেছেন, তাদের সঙ্গে আপামর জনসাধারণের পরিচয় ঘটে।’

তিনি বলেন, শুরুতে তিনটি বিষয়ে পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পুরস্কার একুশে পদক—এর যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, শিক্ষা, গবেষণা, শিল্পকলা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ সম্ভবত কমপক্ষে ১২টি ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য এই সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। এটি নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক অর্জন। জ্ঞান বিজ্ঞান কিংবা শিল্প সাহিত্য চর্চার ধারা আরও শাণিত এবং বিকশিত হোক এই প্রত্যাশা করছি। শিক্ষা গবেষণা এবং শিল্প সাহিত্যের চর্চাকে আরও বেগবান করতে রাষ্ট্র এবং সরকার তার দায়িত্ব অবশ্যই পালন করবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ উপলব্ধি থেকেই স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো একুশে পদক প্রবর্তন করেছিলেন। এ পদক শুধু একটি সম্মাননা নয়, বরং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনসহ দেশের ঐতিহাসিক ঘটনাবলির রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা ও গবেষণায় অবদান রাখা ব্যক্তিদের সমাজের সামনে তুলে ধরার একটি অনন্য উদ্যোগ।

তিনি বলেন, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিল্পসাহিত্য চর্চার ধারা আরও বিকশিত হওয়া প্রয়োজন। এ লক্ষ্য অর্জনে শিক্ষা, গবেষণা এবং সংস্কৃতিচর্চা জোরদারে রাষ্ট্র ও সরকারের দায়িত্ব অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। আমি বিশ্বাস করি, শিক্ষা-গবেষণা ও শিল্প-সাহিত্য চর্চাকে রাজনীতিকীকরণ করা কখনই সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয়। শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের সব শাখায় যাতে দেশ এগিয়ে যেতে পারে, সে লক্ষ্যে নৈতিক মানসম্পন্ন একটি উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকার কাজ করছে। আমাদের এ যাত্রায় দেশের বিজ্ঞজনদের দিকনির্দেশনা অবশ্যই প্রত্যাশিত।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিশ্চয়ই বিশ্বে আলো ছড়াবে—আশা প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় ইতিহাসে ফেব্রুয়ারি মাসের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফেব্রুয়ারি আমাদের আত্মপরিচয়ের স্মারক। বলা যায়, আমাদের সংস্কৃতিচেতনার প্রাণপ্রবাহ একুশে ফেব্রুয়ারি। একুশে ফেব্রুয়ারি একদিকে মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম, অন্যদিকে জালেমের বিরুদ্ধে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। সুতরাং ফেব্রুয়ারি মানেই আত্মপরিচয় উপলব্ধির মাস আমাদের শেকড় সন্ধানী মাস।

প্রতি বছরের মতো এ বছরও দেশের জ্ঞানী-গুণী কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী ও ভাষাসংগ্রামীদের একুশে পদকে ভূষিত করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জ্ঞানী গুণীদের কর্মময় জীবনের সঙ্গে আপামর জনগণের পরিচয় করিয়ে দেওয়া রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব।

তিনি বলেন, ‘একুশ আমাদের অবিনাশী চেতনা, স্বাধিকার অর্জনের বীজমন্ত্র। এবার আমরা ভাষা আন্দোলনের ৭৪ বছর অতিক্রম করে ৭৫ বছরে পদার্পণ করেছি। অমর একুশের ভাষাশহীদদের স্মরণে প্রবর্তিত আজকের একুশে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে আমি গভীর শ্রদ্ধাভরে ভাষাসংগ্রামীদের স্মরণ করছি। আল্লাহ তাদের মৃত্যুকে শহিদি মৃত্যু হিসেবে কবুল করুন।’

তারেক রহমান বলেন, আমাদের জাতীয় ইতিহাসে ফেব্রুয়ারি মাসের গুরুত্ব অপরিসীম। একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের আত্মপরিচয়ের স্মারক। বলা যায়, আমাদের সংস্কৃতিচেতনার প্রাণপ্রবাহ একুশে ফেব্রুয়ারি। একুশে ফেব্রুয়ারি একদিকে মাতৃ ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম অপরদিকে এটি ছিল জালেমের বিরুদ্ধে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। সুতরাং, ফেব্রুয়ারি মানেই আত্মপরিচয় উপলব্ধির মাস। আমাদের শেকড় সন্ধানী মাস। প্রতি বছরের মতো এ বছর আমরা দেশের জ্ঞানী গুণী কবি-সাহিত্যিক-শিল্পী-ভাষাসংগ্রামীকে একুশে পদকে ভূষিত করেছি। জ্ঞানী গুণীদের কর্ম এবং কর্মময় জীবনের সঙ্গে আপামর জনগণের পরিচয় করিয়ে দেওয়া রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব।

একুশ আমাদের অবিনাশী চেতনা, স্বাধিকার অর্জনের বীজমন্ত্র—উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এবার আমরা ভাষা আন্দোলনের ৭৪ বছর অতিক্রম করে ৭৫ বছরে পদার্পণ। অমর একুশের ভাষা-শহীদদের স্মরণে প্রবর্তিত আজকের একুশে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে আমি গভীর শ্রদ্ধাভরে ভাষা সংগ্রামীদের স্মরণ করছি। আল্লাহ তাদের মৃত্যুকে শহীদি মৃত্যু হিসেবে কবুল করুন। আজ যাঁরা একুশে পদকে ভূষিত হলেন আপনাদের সবাইকে জানাচ্ছি আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। আপনাদের সৃজনমুখর জীবন আরও দীর্ঘ হোক, কল্যাণময় হোক, আল্লাহর দরবারে সেই প্রার্থনা করছি।’

একুশে পদকপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, আজ যারা একুশে পদকে ভূষিত হলেন আপনাদের সবাইকে জানাচ্ছি আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।’

অনুষ্ঠানের শেষাংশে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিশ্চয়ই একদিন বিশ্ব সাহিত্যের জগতে আলো ছড়াবে এমন দিনের প্রত্যাশা করেন তিনি।