কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি :
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. শাখাওয়াত হোসেন বলেন, দেশের হামের টিকাদান কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ১২২ শতাংশে পৌঁছেছে। এখন পর্যন্ত দুই কোটিরও বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। ১৮টি উপজেলায় প্রথম ধাপে যেসব টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়েছিল, সেখানে হামের সংক্রমণের হার প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে।
সোমবার (২৫ মে) সকালে ঈদুল আজহার আগে হাসপাতালগুলোতে জরুরি চিকিৎসাসেবা সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা দেখতে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সদর জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
বর্তমান সরকারের টিকাদান কর্মসূচির সাফল্য তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে যে ১৮টি জেলা ও ৩০টি উপজেলায় টিকাদানের প্রথম ক্যাম্পেইন করা হয়েছিল সেখানে সংক্রমণের হার প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে। এরপর আমরা চারটি বড় সিটি করপোরেশনের শুরু করেছি, সেখানকার ফলাফল খুবই ভালো। টিকা নিয়ে অব্যবস্থাপনা কারা করেছে আমরা তা অবশ্যই খুঁজে বের করার চেষ্টা করব। আমাদের পেছনে তাকিয়ে থাকলে হবে না, বর্তমানকে নিয়েই শুরু করতে হবে।
হামে সংক্রমণ ও মৃত্যু নিয়ে সরকার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে স্বাধীন তদন্ত চাইছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমি যদি ১০ জন মানুষকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলিয়েও হামে সংক্রমণে মায়ের বুক খালি হওয়া থামাতে না পারি, তাহলে কি আমি রক্ষা পাব? শুধু শাস্তি দিলেই সমস্যার সমাধান হবে না।
তিনি বলেন, আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হলো হামে আক্রান্ত শিশুদের রক্ষা করা এবং কোনো মায়ের বুক যেন সন্তান হারানোর বেদনায় খালি না হয়, তা নিশ্চিত করা।
এর আগে মন্ত্রী কুমিল্লার সদর জেনারেল হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন, খাবারের মান যাচাই করেন।
এ সময় কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মো. শাহজাহান, সহকারী পরিচালক ডা. নিশাত সুলতানা, শিশু বিভাগের প্রধান মিয়া মনজুর আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল মালিক, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উৎবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিমসহ রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি 



















