ডেঙ্গু চিকিৎসায় সব হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসক-সরঞ্জাম দেয়া হয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : ০২:১০:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৭৯ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ডেঙ্গু চিকিৎসায় প্রান্তিক সব হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসক, স্যালাইনসহ পর্যাপ্ত সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছে। কোনো রোগীকে যেন ঢাকায় আসতে না হয় সে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার ধানমণ্ডির ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশনে অ্যাসোসিয়েশন ফর ডিজএবলড পিপল (এডিপি) ও রোটারি ক্লাব আহসান মঞ্জিল আয়োজিত ‘বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষ্যে সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধে সারা দেশে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর পরেও যারা আক্রান্ত হচ্ছে তাদের চিকিৎসায় কোনো কমতি রাখা হচ্ছে না।

তিনি বলেন, সারা দেশে হামের প্রকোপ মোকাবেলায় ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন করে টিকার ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে। এখন যারা আক্রান্ত হচ্ছে অধিকাংশই টিকা নেয়নি। এ সময় বিগত সরকার টিকা না রেখে যাওয়ায় সংকট তৈরি হয়েছে।

এত আলোচনা-ক্যাম্পেইনের পরও যারা টিকা নেয়নি, তাদের জন্য সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, এরই মধ্যে হামের টিকার একটি বড় চালান দেশে এসেছে। চলতি মাসের ১৭ তারিখ আরেকটি চালান আসবে। হামে মৃত্যুতে বর্তমান সরকারের কোনো দায় নেই।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, হামের টিকাদান ক্যাম্পেইন শেষ করার পরও যখন সংক্রমণ অব্যাহত থাকার বিষয়টি দেখা যায়, তখন সরকার মপ-আপ কার্যক্রম পরিচালনা করে। এ কার্যক্রমের আওতায় নতুন করে ১৪ লাখ শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বিগত সরকার দেশে কোনো টিকা রেখে যায়নি। এমন পরিস্থিতিতে বর্তমান সরকার মাত্র ২১ দিনের মধ্যে ১ কোটি ৮৫ লাখ শিশুর জন্য টিকা সংগ্রহ করে টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে।

ঢাকার হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর চাপ কমাতে প্রান্তিক পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা জোরদার করা হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রতিটি হাসপাতালে আইসোলেশন বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং মোবাইল হাসপাতালের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়েই রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি টারশিয়ারি হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ কমাতে সোসাইটি অব মেডিসিনের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ের চিকিৎসকদের সঙ্গে সমন্বয় ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এসময় সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা আছে। এজন্য জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।

 

Tag :
জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

তোরেসের হ্যাটট্রিক ও দেম্বেলের জোড়া গোলে পিএসজির বড় জয়

ডেঙ্গু চিকিৎসায় সব হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসক-সরঞ্জাম দেয়া হয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০২:১০:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ডেঙ্গু চিকিৎসায় প্রান্তিক সব হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসক, স্যালাইনসহ পর্যাপ্ত সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছে। কোনো রোগীকে যেন ঢাকায় আসতে না হয় সে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার ধানমণ্ডির ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশনে অ্যাসোসিয়েশন ফর ডিজএবলড পিপল (এডিপি) ও রোটারি ক্লাব আহসান মঞ্জিল আয়োজিত ‘বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষ্যে সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধে সারা দেশে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর পরেও যারা আক্রান্ত হচ্ছে তাদের চিকিৎসায় কোনো কমতি রাখা হচ্ছে না।

তিনি বলেন, সারা দেশে হামের প্রকোপ মোকাবেলায় ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন করে টিকার ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে। এখন যারা আক্রান্ত হচ্ছে অধিকাংশই টিকা নেয়নি। এ সময় বিগত সরকার টিকা না রেখে যাওয়ায় সংকট তৈরি হয়েছে।

এত আলোচনা-ক্যাম্পেইনের পরও যারা টিকা নেয়নি, তাদের জন্য সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, এরই মধ্যে হামের টিকার একটি বড় চালান দেশে এসেছে। চলতি মাসের ১৭ তারিখ আরেকটি চালান আসবে। হামে মৃত্যুতে বর্তমান সরকারের কোনো দায় নেই।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, হামের টিকাদান ক্যাম্পেইন শেষ করার পরও যখন সংক্রমণ অব্যাহত থাকার বিষয়টি দেখা যায়, তখন সরকার মপ-আপ কার্যক্রম পরিচালনা করে। এ কার্যক্রমের আওতায় নতুন করে ১৪ লাখ শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বিগত সরকার দেশে কোনো টিকা রেখে যায়নি। এমন পরিস্থিতিতে বর্তমান সরকার মাত্র ২১ দিনের মধ্যে ১ কোটি ৮৫ লাখ শিশুর জন্য টিকা সংগ্রহ করে টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে।

ঢাকার হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর চাপ কমাতে প্রান্তিক পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা জোরদার করা হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রতিটি হাসপাতালে আইসোলেশন বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং মোবাইল হাসপাতালের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়েই রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি টারশিয়ারি হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ কমাতে সোসাইটি অব মেডিসিনের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ের চিকিৎসকদের সঙ্গে সমন্বয় ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এসময় সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা আছে। এজন্য জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।