নিজস্ব প্রতিবেদক :
পবিত্র ঈদুল আজহার কোরবানির পশুর বর্জ্য সুনির্দিষ্ট ও পরিবেশসম্মত উপায়ে ব্যবস্থাপনায় উদ্বুদ্ধ ও সহযোগিতা করতে নাগরিকদের মাঝে বর্জ্য অপসারণ সামগ্রী বিতরণ শুরু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।
শুক্রবার (২২ মে) রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোড এলাকায় এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, নাগরিকদের সচেতন ও সহযোগিতা করতে ডিএসসিসির পক্ষ থেকে এবার ১ লক্ষ ৪০ হাজার বায়োডিগ্রেডেবল (পচনশীল) ব্যাগ, ৪০ টন ব্লিচিং পাউডার ও ১,০৫০ লিটার স্যাভলন বিতরণ করা হচ্ছে। দয়া করে কোরবানির বর্জ্য ব্যাগে ভরে নির্দিষ্ট স্থানে রেখে দেবেন; ডিএসসিসির কর্মীরা দ্রুততম সময়ে সেগুলো সংগ্রহ করে নেবে।
তিনি বলেন, কোরবানির বর্জ্য কোনোভাবেই ড্রেন বা নর্দমায় ফেলা যাবে না। এতে একদিকে যেমন রোগ-জীবাণু ছড়াবে, অন্যদিকে বৃষ্টি হলে ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করবে। ঈদের দিন দুপুর ১২টা থেকে বর্জ্য অপসারণের মূল কার্যক্রম শুরু হবে এবং পরবর্তী ৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রথম দিনের কোরবানির বর্জ্য সম্পূর্ণ অপসারণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি নগরবাসীর পূর্ণ সহযোগিতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে ‘হৃদয়ে এলিফ্যান্ট রোড সোসাইটি’র নিকট বায়োডিগ্রেডেবল ব্যাগ, ব্লিচিং পাউডার ও স্যাভলন হস্তান্তরের মাধ্যমে এই বিতরণ কর্মসূচির সূচনা করা হয়।
ডিএসসিসি জানিয়েছে, সাধারণ নাগরিকেরা নিজ নিজ এলাকার ওয়ার্ড অফিস এবং বাসাবাড়ি থেকে বর্জ্য সংগ্রহের দায়িত্বে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান বা পিসিএসপির কাছ থেকে এই বায়োডিগ্রেডেবল ব্যাগ ও ব্লিচিং পাউডার সংগ্রহ করতে পারবেন।
৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রথম দিনের কোরবানির বর্জ্য সম্পূর্ণ অপসারণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়ে আবদুস সালাম বলেন, কোরবানির বর্জ্য কোনোভাবেই ড্রেন বা নর্দমায় ফেলা যাবে না। এতে একদিকে যেমন রোগ-জীবাণু ছড়াবে, অন্যদিকে বৃষ্টি হলে ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করবে। ঈদের দিন দুপুর ১২টা থেকে বর্জ্য অপসারণের মূল কার্যক্রম শুরু হবে।
তিনি বলেন, পরবর্তী ৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রথম দিনের কোরবানির বর্জ্য সম্পূর্ণ অপসারণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্য অর্জনে নগরবাসীর পূর্ণ সহযোগিতা কামনা করছি।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, নাগরিকদের সচেতন ও সহযোগিতা করতে ডিএসসিসির পক্ষ থেকে এবার ১ লাখ ৪০ হাজার বায়োডিগ্রেডেবল (পচনশীল) ব্যাগ, ৪০ টন ব্লিচিং পাউডার ও এক হাজার ৫০ লিটার স্যাভলন বিতরণ করা হচ্ছে। নগরবাসীর প্রতি আহ্বান আপনারা দয়া করে কোরবানির বর্জ্য ব্যাগে ভরে নির্দিষ্ট স্থানে রেখে দেবেন। ডিএসসিসির কর্মীরা দ্রুততম সময়ে সেগুলো সংগ্রহ করে নেবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 
























