Dhaka বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আশুলিয়ায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামী রেজাউলের মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

১০ বছর আগে পারিবারিক বিরোধের জেরে ঢাকার আশুলিয়ায় স্ত্রী সীমা আক্তারকে জবাই করে হত্যার দায়ে স্বামী মো. রেজাউল করিম মাদবরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ-৭ম আদালতের বিচারক মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাতক ছিলেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জিয়াউল হক (জিয়া) বলেন, দণ্ডের পাশাপাশি আসামি রেজাউলকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আসামি জামিন নিয়ে পলাতক রয়েছে। তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ৮ বছরের এক মেয়েকে নিয়ে আশুলিয়ার জিরাবো এলাকায় থাকতো রেজাউল এবং তার স্ত্রী সিমা আক্তার। সিমা গার্মেন্টসে চাকুরী করতো। তবে রেজাউল কোনো কাজ করতো না। কাজের কথা বললে তাকে মারধর করতো রেজাউল। ২০১৬ সালের ২৪ এপ্রিল ভোর ৫ টার দিকে এ বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে ঝামেলা হয়। রেজাউল সিমাকে মাথায় আঘাত ও জবাই করে হত্যা করে। পালানোর সময় বাড়ির মালিক আফাজ উদ্দিনের সহায়তায় স্থানীয়রা তাকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

এ ঘটনায় সীমা আক্তারের বাবা জাহিদুল ইসলাম আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেয় রেজাউল। মামলাটি তদন্ত করে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক ওমর ফারুক ওই বছরের ৩১ অগাষ্ট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। পরে ২০১৭ সালের ১১ জানুয়ারী মামলায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

মামলার বিচার চলাকালে ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।

আবহাওয়া

রামিসা হত্যাকাণ্ডের চার্জশিট দ্রুত দেওয়া হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আশুলিয়ায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামী রেজাউলের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশের সময় : ০৩:৪২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

১০ বছর আগে পারিবারিক বিরোধের জেরে ঢাকার আশুলিয়ায় স্ত্রী সীমা আক্তারকে জবাই করে হত্যার দায়ে স্বামী মো. রেজাউল করিম মাদবরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ-৭ম আদালতের বিচারক মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাতক ছিলেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জিয়াউল হক (জিয়া) বলেন, দণ্ডের পাশাপাশি আসামি রেজাউলকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আসামি জামিন নিয়ে পলাতক রয়েছে। তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ৮ বছরের এক মেয়েকে নিয়ে আশুলিয়ার জিরাবো এলাকায় থাকতো রেজাউল এবং তার স্ত্রী সিমা আক্তার। সিমা গার্মেন্টসে চাকুরী করতো। তবে রেজাউল কোনো কাজ করতো না। কাজের কথা বললে তাকে মারধর করতো রেজাউল। ২০১৬ সালের ২৪ এপ্রিল ভোর ৫ টার দিকে এ বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে ঝামেলা হয়। রেজাউল সিমাকে মাথায় আঘাত ও জবাই করে হত্যা করে। পালানোর সময় বাড়ির মালিক আফাজ উদ্দিনের সহায়তায় স্থানীয়রা তাকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

এ ঘটনায় সীমা আক্তারের বাবা জাহিদুল ইসলাম আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেয় রেজাউল। মামলাটি তদন্ত করে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক ওমর ফারুক ওই বছরের ৩১ অগাষ্ট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। পরে ২০১৭ সালের ১১ জানুয়ারী মামলায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

মামলার বিচার চলাকালে ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।