Dhaka রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাঁচ বছর পর সিপিএলে পঞ্চম শিরোপা জিতল নাইট রাইডার্স

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ১২:০৮:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৩১ জন দেখেছেন

স্পোর্টস ডেস্ক : 

ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) সর্বোচ্চ শিরোপার রেকর্ডটা আগে থেকেই ছিল ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের। সেই রেকর্ডটা আরও একটু সমৃদ্ধ করল নাইট রাইডার্স। সিপিএলের এই শিরোপার জন্য তাদের অপেক্ষা করতে হয়েছে পাঁচ বছর।

২০২০ সালে চতুর্থবারের মতো সিপিএলের শিরোপা জিতেছিল নাইট রাইডার্স। পরবর্তীতে ২০২১ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত মাত্র একবার ফাইনাল খেলতে পেরেছিল দলটি। তবে ২০২৩ সালে নাইট রাইডার্সের পুড়তে হয়েছিল স্বপ্নভঙ্গের বেদনায়। বাংলাদেশ সময় আজ সকালে গায়ানার প্রভিডেন্স পার্কে অনুষ্ঠিত ফাইনালে সেই ক্ষতে প্রলেপ লাগাতে পেরেছে তারা। গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্সকে ৩ উইকেটে হারিয়ে ২০২৫ সিপিএলে চ্যাম্পিয়ন নাইট রাইডার্স। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে এটা নাইট রাইডার্সের পঞ্চম শিরোপা।

শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ১৩১ রানের লক্ষ্যে নেমে বিস্ফোরক শুরু করে নাইট রাইডার্স। ২.৩ ওভারে বিনা উইকেটে ৩৩ রান তুলে ফেলে দলটি। তৃতীয় ওভারের চতুর্থ বলে নাইট রাইডার্স ওপেনার কলিন মুনরোকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন গায়ানা পেসার ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস। ১৫ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ২৩ রান করেন মুনরো। মুহূর্তেই নাইট রাইডার্স ৭.৫ ওভারে ৩ উইকেটে ৫৪ রানে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ উইকেটে ৩০ বলে ৩৫ রানের জুটি গড়েন সুনীল নারাইন ও অ্যালেক্স হেলস। ১৩তম ওভারের পঞ্চম বলে নারাইনকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন শামার জোসেফ।

১৭ বলে ২ ছক্কায় ২২ রান করে আউট হয়েছেন নারাইন। তাতে নাইট রাইডার্সের স্কোর হয়ে যায় ১২.৫ ওভারে ৪ উইকেটে ৮৯ রান। রানরেট নিয়ে সমস্যায় না পড়লেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দলটি। একপর্যায়ে ১৬.২ ওভারে ৭ উইকেটে ১১৬ রানে পরিণত হয় দলটি। ওপেনার হেলস দলের সপ্তম ব্যাটার হিসেবে যখন আউট হয়েছেন, তখন তাঁর স্কোর ৩৪ বলে ২৬ রান। এমন অবস্থায় অষ্টম উইকেটে ১০ বলে ১৭ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটি গড়ে মাঠ ছাড়েন কিসি কার্টি ও আকিল হোসেন। ১৮তম ওভারের পঞ্চম ও ষষ্ঠ বলে গুড়াকেশ মোতিকে ছক্কা ও চার মেরে দলকে শিরোপার স্বাদ পাইয়ে দেন আকিল হোসেন।

২ ওভার হাতে রেখে ৩ উইকেটে জিতে পঞ্চমবারের মতো সিপিএলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স। অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ফাইনালসেরা হয়েছেন আকিল। ৭ বলে একটি করে চার ও ছক্কায় ১৬ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। বোলিংয়ে ৪ ওভারে ২৬ রানে ২ উইকেট নেন এই বাঁহাতি স্পিনার। টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কার পেয়েছেন নাইট রাইডার্স অলরাউন্ডার কাইরন পোলার্ড। ৫৪.৭১ গড় ও ১৭৪.০৯ গড়ে করেছেন ৩৮৩ রান। তিনটি ফিফটি রয়েছে এই টুর্নামেন্টে। পেয়েছেন ১ উইকেট।

ফাইনালে টসভাগ্য ছিল গায়ানার পক্ষে, প্রথমে ব্যাটিং বেছে নিয়েছিল ইমরান তাহিরের দল। কিন্তু ৮ উইকেটে ১৩০ রানেই আটকে যায় গায়ানা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩০ রান (২৭ বলে) করেন ইফতিখার আহমেদ। এছাড়া বেন ম্যাকডরমেট ১৭ বলে ২৮, ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস করেন ১৮ বলে ২৫ রান। মিডল অর্ডারে শাই হোপ, মঈন আলি, সিমরন হেটমায়াররা দাঁড়াতে পারেননি।

সৌরভ নেত্রাভাকার ২৫ রানে ৩টি এবং আকিল হোসেন ২৬ রানে শিকার করেন ২ উইকেট।

ম্যাচসেরা হয়েছেন ত্রিনবাগোর স্পিনার আকিল হোসেন, টুর্নামেন্টসেরা চ্যাম্পিয়ন দলের অলরাউন্ডার কাইরন পোলার্ড।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

এনসিপির বাগেরহাটের ১২ নেতার পদত্যাগ

পাঁচ বছর পর সিপিএলে পঞ্চম শিরোপা জিতল নাইট রাইডার্স

প্রকাশের সময় : ১২:০৮:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

স্পোর্টস ডেস্ক : 

ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) সর্বোচ্চ শিরোপার রেকর্ডটা আগে থেকেই ছিল ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের। সেই রেকর্ডটা আরও একটু সমৃদ্ধ করল নাইট রাইডার্স। সিপিএলের এই শিরোপার জন্য তাদের অপেক্ষা করতে হয়েছে পাঁচ বছর।

২০২০ সালে চতুর্থবারের মতো সিপিএলের শিরোপা জিতেছিল নাইট রাইডার্স। পরবর্তীতে ২০২১ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত মাত্র একবার ফাইনাল খেলতে পেরেছিল দলটি। তবে ২০২৩ সালে নাইট রাইডার্সের পুড়তে হয়েছিল স্বপ্নভঙ্গের বেদনায়। বাংলাদেশ সময় আজ সকালে গায়ানার প্রভিডেন্স পার্কে অনুষ্ঠিত ফাইনালে সেই ক্ষতে প্রলেপ লাগাতে পেরেছে তারা। গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্সকে ৩ উইকেটে হারিয়ে ২০২৫ সিপিএলে চ্যাম্পিয়ন নাইট রাইডার্স। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে এটা নাইট রাইডার্সের পঞ্চম শিরোপা।

শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ১৩১ রানের লক্ষ্যে নেমে বিস্ফোরক শুরু করে নাইট রাইডার্স। ২.৩ ওভারে বিনা উইকেটে ৩৩ রান তুলে ফেলে দলটি। তৃতীয় ওভারের চতুর্থ বলে নাইট রাইডার্স ওপেনার কলিন মুনরোকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন গায়ানা পেসার ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস। ১৫ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ২৩ রান করেন মুনরো। মুহূর্তেই নাইট রাইডার্স ৭.৫ ওভারে ৩ উইকেটে ৫৪ রানে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ উইকেটে ৩০ বলে ৩৫ রানের জুটি গড়েন সুনীল নারাইন ও অ্যালেক্স হেলস। ১৩তম ওভারের পঞ্চম বলে নারাইনকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন শামার জোসেফ।

১৭ বলে ২ ছক্কায় ২২ রান করে আউট হয়েছেন নারাইন। তাতে নাইট রাইডার্সের স্কোর হয়ে যায় ১২.৫ ওভারে ৪ উইকেটে ৮৯ রান। রানরেট নিয়ে সমস্যায় না পড়লেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দলটি। একপর্যায়ে ১৬.২ ওভারে ৭ উইকেটে ১১৬ রানে পরিণত হয় দলটি। ওপেনার হেলস দলের সপ্তম ব্যাটার হিসেবে যখন আউট হয়েছেন, তখন তাঁর স্কোর ৩৪ বলে ২৬ রান। এমন অবস্থায় অষ্টম উইকেটে ১০ বলে ১৭ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটি গড়ে মাঠ ছাড়েন কিসি কার্টি ও আকিল হোসেন। ১৮তম ওভারের পঞ্চম ও ষষ্ঠ বলে গুড়াকেশ মোতিকে ছক্কা ও চার মেরে দলকে শিরোপার স্বাদ পাইয়ে দেন আকিল হোসেন।

২ ওভার হাতে রেখে ৩ উইকেটে জিতে পঞ্চমবারের মতো সিপিএলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স। অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ফাইনালসেরা হয়েছেন আকিল। ৭ বলে একটি করে চার ও ছক্কায় ১৬ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। বোলিংয়ে ৪ ওভারে ২৬ রানে ২ উইকেট নেন এই বাঁহাতি স্পিনার। টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কার পেয়েছেন নাইট রাইডার্স অলরাউন্ডার কাইরন পোলার্ড। ৫৪.৭১ গড় ও ১৭৪.০৯ গড়ে করেছেন ৩৮৩ রান। তিনটি ফিফটি রয়েছে এই টুর্নামেন্টে। পেয়েছেন ১ উইকেট।

ফাইনালে টসভাগ্য ছিল গায়ানার পক্ষে, প্রথমে ব্যাটিং বেছে নিয়েছিল ইমরান তাহিরের দল। কিন্তু ৮ উইকেটে ১৩০ রানেই আটকে যায় গায়ানা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩০ রান (২৭ বলে) করেন ইফতিখার আহমেদ। এছাড়া বেন ম্যাকডরমেট ১৭ বলে ২৮, ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস করেন ১৮ বলে ২৫ রান। মিডল অর্ডারে শাই হোপ, মঈন আলি, সিমরন হেটমায়াররা দাঁড়াতে পারেননি।

সৌরভ নেত্রাভাকার ২৫ রানে ৩টি এবং আকিল হোসেন ২৬ রানে শিকার করেন ২ উইকেট।

ম্যাচসেরা হয়েছেন ত্রিনবাগোর স্পিনার আকিল হোসেন, টুর্নামেন্টসেরা চ্যাম্পিয়ন দলের অলরাউন্ডার কাইরন পোলার্ড।