Dhaka রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ব্যাংকখাতে ব্যর্থতার দায় কমবেশি সবার : গভর্নর

  • প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : ০১:৪২:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ২৮৯ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মুনসুর বলেছেন, ব্যাংকখাতে ব্যর্থতার জন্য শুধু একক কোন গোষ্ঠী দায়ী নয়, এক্ষেত্রে সবারই কমবেশি দায় আছে।

রোববার (২৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) গোল্ডেন জুবিলি উপলক্ষে আয়োজিত সভায় তিনি এ কথা বলেন।

ড. আহসান এইচ মুনসুর বলেন, ব্যাংকখাতে অর্জন যেমন আছে, তেমনি ব্যর্থতাও আছে। এই ব্যর্থতার জন্য শুধু একক কোন গোষ্ঠী দায়ী নয়, এক্ষেত্রে সবারই কমবেশি দায় আছে।

আমানতকারী এবং বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ব্যাংকিং খাত দ্রুতই ঘুরে দাঁড়াবে। এ খাত বিকশিত হবে। সেক্ষেত্রে আমানতকারী এবং বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

এর আগে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হচ্ছে। প্রথম দিকে বলেছিলাম ১০টি ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার পথে। কিন্তু সেগুলো এখন ঘুরে দাঁড়িয়েছে। ব্যাংকখাতের ধস নিয়ে অনেকেই চিন্তিত ছিলেন। সেখান থেকে ব্যাংকগুলো যে ঘুরে দাঁড়িয়েছে সেটাই বড় বিষয়। এখন আর এগুলো পড়ে যাবে না। একটিকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশ অর্থনীতি আগাতে পারবে না।

রাষ্ট্রের অর্থনীতি পুনর্গঠন করতে হলে এই ব্যাংকখাত পুনর্গঠন করতে হবে জানিয়ে গভর্নর আরও বলেন, আমাদের অর্থনীতিতে কতগুলো সংকট ছিল। বৈশ্বিক বাণিজ্যে আমাদের বিশাল ঘাটতি ছিল। রিজার্ভের পতন হচ্ছিল। এই জায়গা থেকে আমরা অনেকটুকু বের হয়ে এসেছি। বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ আর কমছে না। গত আগস্ট মাসের পর ব্যাংক কোনো ডলার বিক্রি করেনি। কাজেই আমাদের রিজার্ভ কমবে না, বাড়বেই।

আবহাওয়া

জয়পুরহাটে পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামী পলাতক

ব্যাংকখাতে ব্যর্থতার দায় কমবেশি সবার : গভর্নর

প্রকাশের সময় : ০১:৪২:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মুনসুর বলেছেন, ব্যাংকখাতে ব্যর্থতার জন্য শুধু একক কোন গোষ্ঠী দায়ী নয়, এক্ষেত্রে সবারই কমবেশি দায় আছে।

রোববার (২৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) গোল্ডেন জুবিলি উপলক্ষে আয়োজিত সভায় তিনি এ কথা বলেন।

ড. আহসান এইচ মুনসুর বলেন, ব্যাংকখাতে অর্জন যেমন আছে, তেমনি ব্যর্থতাও আছে। এই ব্যর্থতার জন্য শুধু একক কোন গোষ্ঠী দায়ী নয়, এক্ষেত্রে সবারই কমবেশি দায় আছে।

আমানতকারী এবং বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ব্যাংকিং খাত দ্রুতই ঘুরে দাঁড়াবে। এ খাত বিকশিত হবে। সেক্ষেত্রে আমানতকারী এবং বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

এর আগে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হচ্ছে। প্রথম দিকে বলেছিলাম ১০টি ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার পথে। কিন্তু সেগুলো এখন ঘুরে দাঁড়িয়েছে। ব্যাংকখাতের ধস নিয়ে অনেকেই চিন্তিত ছিলেন। সেখান থেকে ব্যাংকগুলো যে ঘুরে দাঁড়িয়েছে সেটাই বড় বিষয়। এখন আর এগুলো পড়ে যাবে না। একটিকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশ অর্থনীতি আগাতে পারবে না।

রাষ্ট্রের অর্থনীতি পুনর্গঠন করতে হলে এই ব্যাংকখাত পুনর্গঠন করতে হবে জানিয়ে গভর্নর আরও বলেন, আমাদের অর্থনীতিতে কতগুলো সংকট ছিল। বৈশ্বিক বাণিজ্যে আমাদের বিশাল ঘাটতি ছিল। রিজার্ভের পতন হচ্ছিল। এই জায়গা থেকে আমরা অনেকটুকু বের হয়ে এসেছি। বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ আর কমছে না। গত আগস্ট মাসের পর ব্যাংক কোনো ডলার বিক্রি করেনি। কাজেই আমাদের রিজার্ভ কমবে না, বাড়বেই।