নিজস্ব প্রতিবেদক :
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপি প্রতিশ্রুতি দেয়, প্রতিশ্রুতি রাখে। নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করে, বাস্তবায়ন করে। বিএনপি ৩১ দফা দেয়, পূরণ করে ৩২ দফা পর্যন্ত।
শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত দেশব্যাপী ইএফটি ও আইবিএস প্লাস প্লাসের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অনেকে গতকাল বলেছে, আগামী দুদিন পর সরকারের ১৮০ দিন পূর্ণ হবে। আপনারা কী কী বাস্তবায়ন করেছেন? এগুলো দেখে যান, বাস্তবায়ন করেছি। এটা আমাদের ইশতেহারে ছিল না। এটা ৩২ নম্বর। এ সময় বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদের স্কুলড্রেস বিতরণকে ‘৩৩ নম্বর’।
আমি প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করতে চাই না, জাতি করবে। কিন্তু আমি স্মরণ করিয়ে দিতে চাই উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন বলেন, আপনি কৃষকদের কাছে কথা রেখেছেন।
খালেদা জিয়া শিক্ষকদের অবসরকালীন ভাতার ব্যবস্থা করেছিলেন উল্লেখ করে সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেন, শিক্ষক কল্যাণ ট্রাস্ট তো আছেই। এর বাইরে একেক জন পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা অবসর সুবিধা পাবেন। এটা একজন দরিদ্র স্কুলশিক্ষকের জন্য, যিনি গ্রামে বসে আছেন, অনেক বেশি মাইনে রাখে।
তিনি বলেন, বাড়িতে বসে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আইবিএস প্লাস প্লাসের ডিজিটালাইজড পদ্ধতিতে তার টাকা ঢুকছে। এক টাকাও কোথাও উৎকোচ দিতে হবে না।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, আপনি দরিদ্র মা-বোনদের ভোলেননি। আপনি ফ্যামিলি কার্ড দিয়েছেন। আমাদের বিরোধীপক্ষ বলেছে, ‘রাখ তোর ফ্যামিলি কার্ড।’ এখন তারাই প্রতিযোগিতা করছে, ফ্যামিলি কার্ড কবে দেবেন!
আর্থিক সক্ষমতার সঙ্গে সমন্বয় করে আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে সব মা-বোনের কাছে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি বলেন, প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে অর্থনীতিতে গতির সঞ্চার হবে। মানি সার্কুলেশন হবে। বাজারের দ্রব্য সে কিনবে, সেই দ্রব্যের কারণে চেইন ইন্ডাস্ট্রিগুলো চলবে এবং সেখানেও কর্মসংস্থান হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, বৃহৎ লোন যারা নেয়, তারা হয়তো তছরুপ করে। কিন্তু এই অর্থ দরিদ্র মা-বোনদের কাছে যখন যাবে, সে সেটা পরিবারের কল্যাণে খরচ করবে এবং চেইন ইন্ডাস্ট্রিগুলো গড়ে উঠবে। তার আর্থিক সক্ষমতা হবে, ছেলে-মেয়েরা শিক্ষিত হবে, দেশের সম্পদ হবে। দরিদ্রকে যদি আপনারা দরিদ্রই রেখে দেন, জাতির কখনো কল্যাণ হবে না। মুক্তি হবে না।
বর্তমান সরকারের অন্যান্য উদ্যোগ তুলে ধরে পর্যায়ক্রমে দেশের সব নাগরিককে প্রয়োজনীয় কর্মসূচির আওতায় আনা হবে এবং তারা স্বীকৃতি পাবে বলেও উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি বলেন, এগুলো বাংলাদেশকে টেকসই উন্নয়নের দিকে নিয়ে যাবে। এটা কেবল আমরা বিশ্বাস করি না। এটা আমরা জানি, আপনি প্রতিপালন করবেন। দেশের মানুষ সেটা বিশ্বাস করে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 






















