নাটোর জেলা প্রতিনিধি :
নাটোরের লালপুরে অ্যাম্বুলেন্স, ব্যাটারিচালিত অটোভ্যান ও শ্যালো ইঞ্জিনচালিত কুত্তা গাড়ির ত্রিমুখী সংঘর্ষে মো. ইয়ারুল ইসলাম (৩০) নামের এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। তাঁদের গুরুতর অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ঈশ্বরদী-বানেশ্বর আঞ্চলিক মহাসড়কের লালপুর উপজেলার ঈশ্বরদী ইউনিয়নের নবীনগর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ইয়ারুল ইসলাম উপজেলার বিলমাড়িয়া ইউনিয়নের উধনপাড়া গ্রামের নাজিম উদ্দীনের ছেলে। আহতরা হলেন একই গ্রামের বাবু (৪০) ও সাজদার (৫০)। তাঁরা সবাই কৃষিশ্রমিক হিসেবে ধান রোপণের কাজ করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (৫ আগস্ট) ভোরে ব্যাটারিচালিত একটি অটোভ্যানে করে ইয়ারুলসহ কয়েকজন ২জন শ্রমিক পাশ্ববর্তী ঈশ্বরদী উপজেলার জয়নগর এলাকায় ধান লাগানোর কাজে যাচ্ছিলেন। ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ভ্যানটি নবীনগর এলাকায় পৌঁছালে ঈশ্বরদী অভিমুখে একটি দ্রুতগামী অ্যাম্বুলেন্স পিছন দিক থেকে অটোভ্যানটিকে ধাক্কা দিলে বিপরীত দিক থেকে আসা অপর একটি শ্যালো ইঞ্জিন চালিত কুত্তা গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে ইয়ারুলের মৃত্যু হয়।
এসময় স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় বাবু (৪০) ও সাজদার (৫০)-কে উদ্ধার করে লালপুর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য আহতদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছেন।
লালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহত ইয়ারুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
নাটোর জেলা প্রতিনিধি 























