সবজির দামে সেঞ্চুরি, কাঁচা মরিচের ঝাঁজে অস্থির বাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক :

কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে রাজধানীর কাঁচা বাজারে। সব সবজির দাম সেঞ্চুরি পেরিয়েছে। শুধু পেঁপে ৪০ টাকা, দুই একটি সবজি ৮০ টাকা, আর বাকি সব সবজি ১০০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি দামে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকায়।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

এসব কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় সব ধরনের সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বাজারগুলোতে করলা প্রতিকেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, ঢেঁড়স ৮০ থেকে ১০০ টাকা, পটল প্রকারভেদে ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কচুরমুখী ৮০ থেকে ১০০ টাকা, বরবটি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, বেগুন প্রকারান্তরে কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ১২০ থেকে ১৬০ টাকা, কচুর লতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, সাজনা ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, ধুন্দল হাইব্রিড ৮০ টাকা, টমেটো প্রকারভেদে ১৮০ থেকে ২২০ টাকা, মুলা ৭০ টাকা, ফুল কপি প্রতিপিস ৬০ থেকে ৮০ টাকা, বাঁধা কপি ৬০ টাকা ও লাউ ৮০ থেকে ১০০ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে ৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা, দেশি শসা ১৬০ টাকা ও হাইব্রিড ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এসব বাজারে লাল শাক আঁটিতে ১০ টাকা বেড়ে ২৫ টাকা, লাউ শাক আঁটি ৫০ টাকা, কলমি শাক ২ আঁটি ৪০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা ও ডাটা শাক দুই আঁটি ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে আলু ৩০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এদিকে বাজারগুলোতে এক হালি লেবু ১৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি ধনেপাতা ৩০০ টাকা, হাইব্রিড ধনেপাতা ২২০ কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, চাল কুমড়া ৬০ থেকে ৮০ টাকা পিস ও ক্যাপসিকাম ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে যাত্রাবাড়ী বাজারে বাজার করতে এসেছেন চাকরিজীবী সিয়াম ইসলাম। সবজির এমন বাড়তি দামের বিষয়ে তিনি বলেন, গত কিছুদিন ধরেই সবজির দাম বাড়তি যাচ্ছে। তবে আজ এসে দেখছি, সবজির দাম আরও বেড়েছে। বলতে গেলে বাজারে ১০০ টাকার নিচে কোনো সবজি নেই। বেশিরভাগ সবজি ১০০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি। কাঁচা মরিচ কিনলাম ২৮০ টাকা কেজি, অনেক জায়গায় আবার ৩০০ টাকা। এত দাম দিয়ে সবজি কিনে খাওয়া কি সম্ভব? বর্ষায় বৃষ্টির কারণে সবজির দাম বাড়তে পারে। তাই বলে এতটা বাড়বে আর বাজারে কোনো মনিটরিং হবে না, সেটা কীভাবে হয়? বিক্রেতারা যে যার মতো করে দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন। কোনটার কত বাড়বে, সেটা দেখার মনে হয় কেউ নেই।

একই রকম অভিযোগ জানিয়ে মিরপুর বাজারের আরেক ক্রেতা আজিজুল ইসলাম আকাশ বলেন, গত কিছুদিন তাও ৮০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে সবজিগুলো ছিল। আজকের বাজারে বেশিরভাগ সবজি ১০০ থেকে ১৬০ টাকা। সবজিই যদি এত বেশি দামে কিনে খেতে হয়, তাহলে মাছ, মাংস আর মুরগি কীভাবে কিনব? সেগুলোর তো আরও বেশি দাম।

সবজির বাড়তি দাম নিয়ে রাজধানীর শান্তিনগর বাজারের সবজি বিক্রেতা নাজিমুদ্দিন বলেন, সবজির দাম কমই যাচ্ছিল, কিন্তু গেল কয়েক দিনের বৃষ্টির কারণে সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে। পাইকারি বাজারে সবজির সরবরাহ কম, বৃষ্টির কারণে। ‌ অনেক স্থানে কৃষকের সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বৃষ্টির কারণে। এ ছাড়া, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বৃষ্টির কারণে ঢাকায় সবজি কম আসছে। সব মিলিয়ে বাজারে সবজির দাম বেড়েছে। ‌বৃষ্টি চলমান থাকাকালীন সময়ে সবজির দাম বাড়তিই যাবে। আবহাওয়া ভালো হওয়ার পর থেকে সবজির দাম কমে আসবে।

এসব বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের চেয়ে সব ধরনের মুরগির দাম কেজিতে ১০ থেকে টাকা বেড়েছে। সোনালি কক মুরগি কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ৩৫০ টাকা ও সোনালি হাইব্রিড মুরগি ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার ৩৬০ টাকা, ব্রয়লার ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা ও দেশি মুরগি ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে এবং খাসির মাংস ১৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা যায়।

এসব বাজারে এক ডজন মুরগির লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকা, হাঁসের ডিম এক ডজন ১৮০ টাকা, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ টাকা ও সোনালি কক মুরগির ডিমের হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এসব বাজারে ইলিশ ৩০০ গ্রাম ওজনের ১ কেজি মাছ ১২০০ টাকা থেকে ১৩০০, ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রামের ইলিশ ২০০০ থেকে ২২০০ টাকা ও ১ কেজি ওজনের ইলিশ ৩২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে এক কেজি শিং মাছ চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা, দেশি শিং ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা, প্রতিকেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, দেশি মাগুর ৯০০ থেকে ১২০০ টাকা , মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, চাষের পাঙ্গাস ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১৪০০ টাকা, বোয়াল ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, পোয়া ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ টাকা, কই ২০০ থেকে ২২০ টাকা, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১৪০০ টাকা, টেংরা ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি মাছ ৪০০ টাকা ও পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

নতুন করে জ্বালানির দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই : বাণিজ্যমন্ত্রী

সবজির দামে সেঞ্চুরি, কাঁচা মরিচের ঝাঁজে অস্থির বাজার

প্রকাশের সময় : ১২:৫১:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :

কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে রাজধানীর কাঁচা বাজারে। সব সবজির দাম সেঞ্চুরি পেরিয়েছে। শুধু পেঁপে ৪০ টাকা, দুই একটি সবজি ৮০ টাকা, আর বাকি সব সবজি ১০০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি দামে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকায়।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

এসব কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় সব ধরনের সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বাজারগুলোতে করলা প্রতিকেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, ঢেঁড়স ৮০ থেকে ১০০ টাকা, পটল প্রকারভেদে ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কচুরমুখী ৮০ থেকে ১০০ টাকা, বরবটি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, বেগুন প্রকারান্তরে কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ১২০ থেকে ১৬০ টাকা, কচুর লতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, সাজনা ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, ধুন্দল হাইব্রিড ৮০ টাকা, টমেটো প্রকারভেদে ১৮০ থেকে ২২০ টাকা, মুলা ৭০ টাকা, ফুল কপি প্রতিপিস ৬০ থেকে ৮০ টাকা, বাঁধা কপি ৬০ টাকা ও লাউ ৮০ থেকে ১০০ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে ৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা, দেশি শসা ১৬০ টাকা ও হাইব্রিড ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এসব বাজারে লাল শাক আঁটিতে ১০ টাকা বেড়ে ২৫ টাকা, লাউ শাক আঁটি ৫০ টাকা, কলমি শাক ২ আঁটি ৪০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা ও ডাটা শাক দুই আঁটি ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে আলু ৩০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এদিকে বাজারগুলোতে এক হালি লেবু ১৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি ধনেপাতা ৩০০ টাকা, হাইব্রিড ধনেপাতা ২২০ কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, চাল কুমড়া ৬০ থেকে ৮০ টাকা পিস ও ক্যাপসিকাম ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে যাত্রাবাড়ী বাজারে বাজার করতে এসেছেন চাকরিজীবী সিয়াম ইসলাম। সবজির এমন বাড়তি দামের বিষয়ে তিনি বলেন, গত কিছুদিন ধরেই সবজির দাম বাড়তি যাচ্ছে। তবে আজ এসে দেখছি, সবজির দাম আরও বেড়েছে। বলতে গেলে বাজারে ১০০ টাকার নিচে কোনো সবজি নেই। বেশিরভাগ সবজি ১০০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি। কাঁচা মরিচ কিনলাম ২৮০ টাকা কেজি, অনেক জায়গায় আবার ৩০০ টাকা। এত দাম দিয়ে সবজি কিনে খাওয়া কি সম্ভব? বর্ষায় বৃষ্টির কারণে সবজির দাম বাড়তে পারে। তাই বলে এতটা বাড়বে আর বাজারে কোনো মনিটরিং হবে না, সেটা কীভাবে হয়? বিক্রেতারা যে যার মতো করে দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন। কোনটার কত বাড়বে, সেটা দেখার মনে হয় কেউ নেই।

একই রকম অভিযোগ জানিয়ে মিরপুর বাজারের আরেক ক্রেতা আজিজুল ইসলাম আকাশ বলেন, গত কিছুদিন তাও ৮০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে সবজিগুলো ছিল। আজকের বাজারে বেশিরভাগ সবজি ১০০ থেকে ১৬০ টাকা। সবজিই যদি এত বেশি দামে কিনে খেতে হয়, তাহলে মাছ, মাংস আর মুরগি কীভাবে কিনব? সেগুলোর তো আরও বেশি দাম।

সবজির বাড়তি দাম নিয়ে রাজধানীর শান্তিনগর বাজারের সবজি বিক্রেতা নাজিমুদ্দিন বলেন, সবজির দাম কমই যাচ্ছিল, কিন্তু গেল কয়েক দিনের বৃষ্টির কারণে সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে। পাইকারি বাজারে সবজির সরবরাহ কম, বৃষ্টির কারণে। ‌ অনেক স্থানে কৃষকের সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বৃষ্টির কারণে। এ ছাড়া, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বৃষ্টির কারণে ঢাকায় সবজি কম আসছে। সব মিলিয়ে বাজারে সবজির দাম বেড়েছে। ‌বৃষ্টি চলমান থাকাকালীন সময়ে সবজির দাম বাড়তিই যাবে। আবহাওয়া ভালো হওয়ার পর থেকে সবজির দাম কমে আসবে।

এসব বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের চেয়ে সব ধরনের মুরগির দাম কেজিতে ১০ থেকে টাকা বেড়েছে। সোনালি কক মুরগি কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ৩৫০ টাকা ও সোনালি হাইব্রিড মুরগি ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার ৩৬০ টাকা, ব্রয়লার ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা ও দেশি মুরগি ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে এবং খাসির মাংস ১৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা যায়।

এসব বাজারে এক ডজন মুরগির লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকা, হাঁসের ডিম এক ডজন ১৮০ টাকা, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ টাকা ও সোনালি কক মুরগির ডিমের হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এসব বাজারে ইলিশ ৩০০ গ্রাম ওজনের ১ কেজি মাছ ১২০০ টাকা থেকে ১৩০০, ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রামের ইলিশ ২০০০ থেকে ২২০০ টাকা ও ১ কেজি ওজনের ইলিশ ৩২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে এক কেজি শিং মাছ চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা, দেশি শিং ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা, প্রতিকেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, দেশি মাগুর ৯০০ থেকে ১২০০ টাকা , মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, চাষের পাঙ্গাস ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১৪০০ টাকা, বোয়াল ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, পোয়া ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ টাকা, কই ২০০ থেকে ২২০ টাকা, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১৪০০ টাকা, টেংরা ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি মাছ ৪০০ টাকা ও পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।