Dhaka শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চলতি বছরেই হবে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় সেশনজট নিরসনে ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ের আগেই অর্থাৎ চলতি বছরের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বদলি সংক্রান্ত নীতিমালা নিয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে সেশনজটের অভিশাপ দূর করতে আমরা বদ্ধপরিকর। করোনা পরবর্তী সময়ে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে পরীক্ষার যে সময়সূচি এলোমেলো হয়ে গিয়েছিল, তা পুনরায় স্বাভাবিক ছন্দে ফিরিয়ে আনতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা আমরা চলতি বছরের ডিসেম্বরেই শেষ করতে চাই।

একই কারণে ২০২৭ সালের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষাও এগিয়ে আনা হবে বলে জানান মন্ত্রী। তবে এইচএসসি পরীক্ষা ঠিক কবে নাগাদ শুরু হতে পারে, সে বিষয়ে কিছু জানাননি তিনি।

তিনি বলেন, গত বছর জুনের শেষে শুরু হয়েছিল এইচএসসি পরীক্ষা। রেজাল্ট হয়েছিল অক্টোবরের মাঝামাঝি। তাদের ভর্তি পরীক্ষা হয়েছে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে। ম্যাটার অব ফ্যাক্ট, আজকে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আন্ডারে অনার্স অ্যাডমিশনের পরীক্ষাগুলো হচ্ছে। প্রত্যেকটা ছাত্রছাত্রীর শুধু অ্যাডমিশন টেস্ট বা ভর্তি হওয়া নিয়ে এক বছরের মত অতিবাহিত হয়ে যাচ্ছে এবং সেশন জট ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। ‎

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা চাই সিলেবাস বা কারিকুলাম শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই যেন পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন হয়। তার পরপরই যেন অ্যাডমিশন টেস্টগুলো হয়ে যায়। আমরা চাচ্ছি না, ওই একটি বিরতি নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ায় ব্যাঘাত ঘটুক। এটা আমরা সমন্বয় করার জন্য কাজ করছি। ডিটেইলস পরে জানানো হবে।

ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, আমরা চাই দুই বছরের লেখাপড়া দুই বছরেই শেষ হতে হবে এবং এখানে যেন কোনো সেশন জট না হয়। সেভাবে আমরা সবকিছু অ্যাডজাস্ট করার চেষ্টা করছি। তাদের জীবন থেকে এক বছর, দুই বছর যেন ঝরে না পড়ে।

‎‎শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা ধরে নিচ্ছি, ডিসেম্বর পরীক্ষার মাস। এর মধ্যেই আমাদের সিলেবাস শেষ করার টার্গেট রয়েছে এবং তারপর পরপরই যেন অ্যাডমিশন টেস্ট হয়। অর্থাৎ কোনো বিরতি যেন না থাকে এবং তাদের যেন কোচিং সেন্টারে যাওয়া না লাগে। পরীক্ষা শেষে রেজাল্ট, নেক্সট অ্যাডমিশন। এই সমন্বয়টা ইউনিভার্সিটিগুলোর সঙ্গেও আমাদের করতে হবে। আমরা সেই জায়গায় যাচ্ছি।

দুই বছরের পড়ালেখা দুই বছরে শেষ হতে হবে, এক বছরেরটা এক বছরে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, এটা যেন কোনো অবস্থাতেই অন্য কারোর জন্য মানে ইউনিভার্সিটির সঙ্গে আমাদের যেন মিসকমিউনিকেশনের না হয়।‎

আবহাওয়া

জঙ্গি হামলার শঙ্কা নিয়ে যা জানাল সিটিটিসি

চলতি বছরেই হবে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা : শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৪:৩৮:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় সেশনজট নিরসনে ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ের আগেই অর্থাৎ চলতি বছরের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বদলি সংক্রান্ত নীতিমালা নিয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে সেশনজটের অভিশাপ দূর করতে আমরা বদ্ধপরিকর। করোনা পরবর্তী সময়ে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে পরীক্ষার যে সময়সূচি এলোমেলো হয়ে গিয়েছিল, তা পুনরায় স্বাভাবিক ছন্দে ফিরিয়ে আনতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা আমরা চলতি বছরের ডিসেম্বরেই শেষ করতে চাই।

একই কারণে ২০২৭ সালের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষাও এগিয়ে আনা হবে বলে জানান মন্ত্রী। তবে এইচএসসি পরীক্ষা ঠিক কবে নাগাদ শুরু হতে পারে, সে বিষয়ে কিছু জানাননি তিনি।

তিনি বলেন, গত বছর জুনের শেষে শুরু হয়েছিল এইচএসসি পরীক্ষা। রেজাল্ট হয়েছিল অক্টোবরের মাঝামাঝি। তাদের ভর্তি পরীক্ষা হয়েছে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে। ম্যাটার অব ফ্যাক্ট, আজকে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আন্ডারে অনার্স অ্যাডমিশনের পরীক্ষাগুলো হচ্ছে। প্রত্যেকটা ছাত্রছাত্রীর শুধু অ্যাডমিশন টেস্ট বা ভর্তি হওয়া নিয়ে এক বছরের মত অতিবাহিত হয়ে যাচ্ছে এবং সেশন জট ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। ‎

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা চাই সিলেবাস বা কারিকুলাম শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই যেন পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন হয়। তার পরপরই যেন অ্যাডমিশন টেস্টগুলো হয়ে যায়। আমরা চাচ্ছি না, ওই একটি বিরতি নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ায় ব্যাঘাত ঘটুক। এটা আমরা সমন্বয় করার জন্য কাজ করছি। ডিটেইলস পরে জানানো হবে।

ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, আমরা চাই দুই বছরের লেখাপড়া দুই বছরেই শেষ হতে হবে এবং এখানে যেন কোনো সেশন জট না হয়। সেভাবে আমরা সবকিছু অ্যাডজাস্ট করার চেষ্টা করছি। তাদের জীবন থেকে এক বছর, দুই বছর যেন ঝরে না পড়ে।

‎‎শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা ধরে নিচ্ছি, ডিসেম্বর পরীক্ষার মাস। এর মধ্যেই আমাদের সিলেবাস শেষ করার টার্গেট রয়েছে এবং তারপর পরপরই যেন অ্যাডমিশন টেস্ট হয়। অর্থাৎ কোনো বিরতি যেন না থাকে এবং তাদের যেন কোচিং সেন্টারে যাওয়া না লাগে। পরীক্ষা শেষে রেজাল্ট, নেক্সট অ্যাডমিশন। এই সমন্বয়টা ইউনিভার্সিটিগুলোর সঙ্গেও আমাদের করতে হবে। আমরা সেই জায়গায় যাচ্ছি।

দুই বছরের পড়ালেখা দুই বছরে শেষ হতে হবে, এক বছরেরটা এক বছরে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, এটা যেন কোনো অবস্থাতেই অন্য কারোর জন্য মানে ইউনিভার্সিটির সঙ্গে আমাদের যেন মিসকমিউনিকেশনের না হয়।‎