Dhaka বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্বিগুণ হলেও দেশে বেড়েছে সামান্য : জ্বালানিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম দ্বিগুণ হওয়ার পরেও সরকার জনগণের কষ্টের কথা বিবেচনা করে দেশে তেলের দাম খুব সামান্য বাড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

রোববার (১৯ এপ্রিল) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি আমদানিতে ইতোমধ্যে সরকারের দুই বিলিয়ন ডলার বাড়তি খরচ হয়েছে।

ইকবাল হাসান বলেন, যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের যা দাম ছিল, বর্তমান বাজারে তা প্রায় দ্বিগুণ। এই বিপুল দাম বৃদ্ধির ফলে সরকারের ওপর ব্যাপক অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছে। তবুও আমরা জনগণের স্বস্তির কথা চিন্তা করে সেই অনুপাতে দাম বাড়াইনি।

জ্বালানিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, সরকার ভর্তুকি দিয়ে হলেও বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে। জনগণের ভোগান্তি কমাতে এবং অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই সরকার এই বাড়তি ব্যয়ের বোঝা নিজে বহন করছে এবং অত্যন্ত সীমিত পরিসরে দাম সমন্বয় করেছে।

জ্বালানি তেলের দাম ১৫ থেকে ২০ টাকা বাড়ানো হলো। এতে কতটা নেতিবাচক প্রভাব পড়বে- জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সারাবিশ্ব তাদের তেলের দাম অ্যাডজাস্ট করেছে। এমনকি আমেরিকাও ৫ ডলার বাড়িয়ে দিয়েছে। সেখানে আমরা এই যুদ্ধ লাগার পর থেকে বাংলাদেশে ইমপোর্ট করে যে স্টক তৈরি করেছি, তার যে দাম পড়েছে, সে দামের থেকে নিচেই আমরা এখন প্রাইস অ্যাডজাস্টমেন্ট করছি।

তিনি বলেন, এটা করতে বাধ্য হয়েছি আমরা। কারণ এটা বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে কিনতে হয় এবং আমরা যেন সহনীয় লেভেলে থাকতে পারি, সেই ব্যবস্থা করেছি।

দাম বাড়ানোর পর এখনো কত ভর্তুকি দিতে হচ্ছে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ভর্তুকি এখনো আছে। ইফ ইউ ওয়ান্ট অ্যাকুরেট হিসাব, তাহলে আমার মন্ত্রণালয়ে যেয়ে বসে ওখান থেকে হিসাব নিয়ে আসেন।

জীবনযাত্রায় জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সার্বিক প্রভাবটা কেমন হতে পারে জানতে চাইলে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, দাম বাড়া মানেই বিরূপ প্রভাব পড়া। এই যুদ্ধে শুধু বাংলাদেশ না, সারা পৃথিবীর প্রতি প্রভাব পড়েছে। আমাদের ওপরও সেই প্রভাব আছে।

আপনারা বলেছিলেন এপ্রিলে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াবেন না- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী বলেন, বলছিলাম তো, সেটা বললাম তো। বাধ্য হয়েছি আমরা এখন করতে।

আবহাওয়া

সিনেমায় আসা নিয়ে যা বললেন সিয়ামপত্নী

বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্বিগুণ হলেও দেশে বেড়েছে সামান্য : জ্বালানিমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০২:০০:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম দ্বিগুণ হওয়ার পরেও সরকার জনগণের কষ্টের কথা বিবেচনা করে দেশে তেলের দাম খুব সামান্য বাড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

রোববার (১৯ এপ্রিল) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি আমদানিতে ইতোমধ্যে সরকারের দুই বিলিয়ন ডলার বাড়তি খরচ হয়েছে।

ইকবাল হাসান বলেন, যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের যা দাম ছিল, বর্তমান বাজারে তা প্রায় দ্বিগুণ। এই বিপুল দাম বৃদ্ধির ফলে সরকারের ওপর ব্যাপক অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছে। তবুও আমরা জনগণের স্বস্তির কথা চিন্তা করে সেই অনুপাতে দাম বাড়াইনি।

জ্বালানিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, সরকার ভর্তুকি দিয়ে হলেও বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে। জনগণের ভোগান্তি কমাতে এবং অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই সরকার এই বাড়তি ব্যয়ের বোঝা নিজে বহন করছে এবং অত্যন্ত সীমিত পরিসরে দাম সমন্বয় করেছে।

জ্বালানি তেলের দাম ১৫ থেকে ২০ টাকা বাড়ানো হলো। এতে কতটা নেতিবাচক প্রভাব পড়বে- জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সারাবিশ্ব তাদের তেলের দাম অ্যাডজাস্ট করেছে। এমনকি আমেরিকাও ৫ ডলার বাড়িয়ে দিয়েছে। সেখানে আমরা এই যুদ্ধ লাগার পর থেকে বাংলাদেশে ইমপোর্ট করে যে স্টক তৈরি করেছি, তার যে দাম পড়েছে, সে দামের থেকে নিচেই আমরা এখন প্রাইস অ্যাডজাস্টমেন্ট করছি।

তিনি বলেন, এটা করতে বাধ্য হয়েছি আমরা। কারণ এটা বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে কিনতে হয় এবং আমরা যেন সহনীয় লেভেলে থাকতে পারি, সেই ব্যবস্থা করেছি।

দাম বাড়ানোর পর এখনো কত ভর্তুকি দিতে হচ্ছে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ভর্তুকি এখনো আছে। ইফ ইউ ওয়ান্ট অ্যাকুরেট হিসাব, তাহলে আমার মন্ত্রণালয়ে যেয়ে বসে ওখান থেকে হিসাব নিয়ে আসেন।

জীবনযাত্রায় জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সার্বিক প্রভাবটা কেমন হতে পারে জানতে চাইলে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, দাম বাড়া মানেই বিরূপ প্রভাব পড়া। এই যুদ্ধে শুধু বাংলাদেশ না, সারা পৃথিবীর প্রতি প্রভাব পড়েছে। আমাদের ওপরও সেই প্রভাব আছে।

আপনারা বলেছিলেন এপ্রিলে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াবেন না- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী বলেন, বলছিলাম তো, সেটা বললাম তো। বাধ্য হয়েছি আমরা এখন করতে।