Dhaka শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কেরানীগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে ৫ জন নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ঢাকার কেরানীগঞ্জের একটি অবৈধ গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুনের ঘটনায় উদ্ধার হওয়া মরদেহের সংখ্যা বেড়ে পাঁচজনে দাঁড়িয়েছে।

শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ঘটনাস্থল থেকে এখন পর্যন্ত ৫টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। এ বিষয়ে অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

এ ছাড়া এ ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণকক্ষের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার জানান, বেলা ১টা ১৩ মিনিটে কদমতলীর ওই গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় একে একে সাতটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণ কাজ শুরু করে। প্রায় সোয়া এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন ফায়ার ফাইটাররা।

স্থানীয় ব্যবসায়ী এনায়েত হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘আগুন লাগার পরপরই আমরা আশপাশের অন্তত ৫০টি বাড়িতে পানি সংগ্রহের চেষ্টা করি, কিন্তু কোথাও পর্যাপ্ত পানি পাওয়া যায়নি।’

স্থানীয় বিএনপি নেতা জহিরুল ইসলাম মামুন জানান, এর আগেও এই গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুন লেগে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। তারপরও প্রশাসন কারখানাটি বন্ধ করতে পারেনি।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। নিহতদের নাম-পরিচয়ও জানা যায়নি।

ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, শনিবার দুপুর ১টার দিকে ওই কারখানাটিতে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পাওয়ার ৫ মিনিটের মধ্যেই (দুপুর ১টা ১১ মিনিট) ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরবর্তীকালে আগুনের ভয়াবহতা বিবেচনায় আশপাশের আরও ৬টি ইউনিটসহ মোট ৭টি ইউনিট দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর দুপুর আড়াইটায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেল জানিয়েছে, আগুনের প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তীকালে জানানো হবে। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আবহাওয়া

কেরানীগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে ৫ জন নিহত

প্রকাশের সময় : ০৬:০৮:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ঢাকার কেরানীগঞ্জের একটি অবৈধ গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুনের ঘটনায় উদ্ধার হওয়া মরদেহের সংখ্যা বেড়ে পাঁচজনে দাঁড়িয়েছে।

শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ঘটনাস্থল থেকে এখন পর্যন্ত ৫টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। এ বিষয়ে অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

এ ছাড়া এ ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণকক্ষের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার জানান, বেলা ১টা ১৩ মিনিটে কদমতলীর ওই গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় একে একে সাতটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণ কাজ শুরু করে। প্রায় সোয়া এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন ফায়ার ফাইটাররা।

স্থানীয় ব্যবসায়ী এনায়েত হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘আগুন লাগার পরপরই আমরা আশপাশের অন্তত ৫০টি বাড়িতে পানি সংগ্রহের চেষ্টা করি, কিন্তু কোথাও পর্যাপ্ত পানি পাওয়া যায়নি।’

স্থানীয় বিএনপি নেতা জহিরুল ইসলাম মামুন জানান, এর আগেও এই গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুন লেগে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। তারপরও প্রশাসন কারখানাটি বন্ধ করতে পারেনি।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। নিহতদের নাম-পরিচয়ও জানা যায়নি।

ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, শনিবার দুপুর ১টার দিকে ওই কারখানাটিতে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পাওয়ার ৫ মিনিটের মধ্যেই (দুপুর ১টা ১১ মিনিট) ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরবর্তীকালে আগুনের ভয়াবহতা বিবেচনায় আশপাশের আরও ৬টি ইউনিটসহ মোট ৭টি ইউনিট দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর দুপুর আড়াইটায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেল জানিয়েছে, আগুনের প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তীকালে জানানো হবে। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।