Dhaka মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঢাকা-১৭ আসনে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি ব্যয় ২৩ লাখ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনের বিএনপির প্রার্থী তারেক রহমানের (প্রধানমন্ত্রী) নির্বাচনী ব্যয় হয়েছে ২৩ লাখ টাকা।

সোমবার (৩০ মার্চ) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কর্মকর্তারা বিষয়টি জানিয়েছেন।

ব্যয়ে বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রচার-প্রচারণায় ব্যয় হয়েছে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা, পরিবহন খাতে ব্যয় এক লাখ ১০ হাজার টাকা, জনসভা আয়োজনের জন্য এক লাখ ৮০ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। আর নির্বাচনী ক্যাম্প পরিচালনায় তিনি ব্যয় করেছেন তিন লাখ ৬০ হাজার টাকা।

এদিকে নির্বাচনী এজেন্ট ও অন্যান্য স্টাফদের পেছনে নয় লাখ ৮৪ হাজার টাকা, আবাসন ও প্রশাসনিক খাতে ৬৬ হাজার টাকা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণার জন্য ব্যয় হয়েছে ৫০ হাজার টাকা।

ঢাকা-১৭ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা তিন লাখ ৩৩ হাজার ৭৭৭ জন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী, নির্বাচনে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা অথবা ভোটার প্রতি ১০ টাকা হারে যেটি বেশি হবে, সেই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে পারবেন। সেই হিসাবে তারেক রহমানের ব্যয়সীমা ছিল ৩৩ লাখ ৩৭ হাজার ৭৭০টাকা।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলে ২০২৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনি আইন অনুযায়ী সব প্রার্থীকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যয় বিবেরণী রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দিতে হয় এবং এর অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠাতে হয়। ব্যর্থ হলে অথবা এই আদেশ লঙ্ঘন করলে জরিমানাসহ দুই বছর থেকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

ইসির যু্গ্ম-সচিব (নির্বাচন ব্যবস্থাপনা-২) মো. মঈন উদ্দীন খান বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব ডাকযোগে আসছে। মাঠ কর্মকর্তারাও ইসি সচিবালয়ে নির্ধারিত ছকে তথ্য দেবেন; একীভূত তথ্য পেতে একটু সময় লাগবে। ব্যয় রিটার্ন জমা দিতে ব্যর্থ হলে আরপিও অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

দলের ব্যয়ের হিসাব ৯০ দিনের মধ্যে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, ফল গেজেট আকারে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে প্রত্যেক প্রার্থীকে নির্বাচনি ব্যয়ের বিবরণী দাখিল করতে হয়। এছাড়া অংশগ্রহণকারী দলগুলোকেও ফল প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে ব্যয়ের বিবরণী দাখিল করতে হয়।

দলগুলোকে নির্ধারিত সময়ে ইসি সচিবালয়ে ব্যয় রিটার্ন জমা দিতে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানান ইসির উপসচিব (নির্বাচন পরিচালনা-২) মোহাম্মদ মনির হোসেন।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ৫০টি দলের ১৭৫৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এরমধ্যে বিএনপির সর্বোচ্চ ২৯১ জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২৫৮ জন, জামায়াতে ইসলামীর ২২৪ জন, জাতীয় পার্টির ২০০ জন, গণঅধিকার পরিষদের ৯৪ জন আর এনসিপির ৩২ জন ভোটে ছিলেন।

কোনো দলের প্রার্থী ২০০ জনের বেশি হলে সর্বোচ্চ ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং প্রার্থীর সংখ্য ১০০ থেকে ২০০ জনের কম হলে ৩ কোটি টাকা ব্যয় করার সুযোগ ছিল।

কোনো দলের প্রার্থীর সংখ্যা ৫০ থেকে ১০০ হলে দেড় কোটি টাকা এবং ৫০ জনের কম হলে সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ টাকা ব্যয় করার বিধান রয়েছে।

আবহাওয়া

শ্রীমঙ্গলে অটোরিকশা ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে নিহত ৩

ঢাকা-১৭ আসনে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি ব্যয় ২৩ লাখ টাকা

প্রকাশের সময় : ১০:০৬:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনের বিএনপির প্রার্থী তারেক রহমানের (প্রধানমন্ত্রী) নির্বাচনী ব্যয় হয়েছে ২৩ লাখ টাকা।

সোমবার (৩০ মার্চ) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কর্মকর্তারা বিষয়টি জানিয়েছেন।

ব্যয়ে বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রচার-প্রচারণায় ব্যয় হয়েছে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা, পরিবহন খাতে ব্যয় এক লাখ ১০ হাজার টাকা, জনসভা আয়োজনের জন্য এক লাখ ৮০ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। আর নির্বাচনী ক্যাম্প পরিচালনায় তিনি ব্যয় করেছেন তিন লাখ ৬০ হাজার টাকা।

এদিকে নির্বাচনী এজেন্ট ও অন্যান্য স্টাফদের পেছনে নয় লাখ ৮৪ হাজার টাকা, আবাসন ও প্রশাসনিক খাতে ৬৬ হাজার টাকা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণার জন্য ব্যয় হয়েছে ৫০ হাজার টাকা।

ঢাকা-১৭ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা তিন লাখ ৩৩ হাজার ৭৭৭ জন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী, নির্বাচনে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা অথবা ভোটার প্রতি ১০ টাকা হারে যেটি বেশি হবে, সেই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে পারবেন। সেই হিসাবে তারেক রহমানের ব্যয়সীমা ছিল ৩৩ লাখ ৩৭ হাজার ৭৭০টাকা।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলে ২০২৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনি আইন অনুযায়ী সব প্রার্থীকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যয় বিবেরণী রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দিতে হয় এবং এর অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠাতে হয়। ব্যর্থ হলে অথবা এই আদেশ লঙ্ঘন করলে জরিমানাসহ দুই বছর থেকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

ইসির যু্গ্ম-সচিব (নির্বাচন ব্যবস্থাপনা-২) মো. মঈন উদ্দীন খান বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব ডাকযোগে আসছে। মাঠ কর্মকর্তারাও ইসি সচিবালয়ে নির্ধারিত ছকে তথ্য দেবেন; একীভূত তথ্য পেতে একটু সময় লাগবে। ব্যয় রিটার্ন জমা দিতে ব্যর্থ হলে আরপিও অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

দলের ব্যয়ের হিসাব ৯০ দিনের মধ্যে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, ফল গেজেট আকারে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে প্রত্যেক প্রার্থীকে নির্বাচনি ব্যয়ের বিবরণী দাখিল করতে হয়। এছাড়া অংশগ্রহণকারী দলগুলোকেও ফল প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে ব্যয়ের বিবরণী দাখিল করতে হয়।

দলগুলোকে নির্ধারিত সময়ে ইসি সচিবালয়ে ব্যয় রিটার্ন জমা দিতে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানান ইসির উপসচিব (নির্বাচন পরিচালনা-২) মোহাম্মদ মনির হোসেন।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ৫০টি দলের ১৭৫৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এরমধ্যে বিএনপির সর্বোচ্চ ২৯১ জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২৫৮ জন, জামায়াতে ইসলামীর ২২৪ জন, জাতীয় পার্টির ২০০ জন, গণঅধিকার পরিষদের ৯৪ জন আর এনসিপির ৩২ জন ভোটে ছিলেন।

কোনো দলের প্রার্থী ২০০ জনের বেশি হলে সর্বোচ্চ ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং প্রার্থীর সংখ্য ১০০ থেকে ২০০ জনের কম হলে ৩ কোটি টাকা ব্যয় করার সুযোগ ছিল।

কোনো দলের প্রার্থীর সংখ্যা ৫০ থেকে ১০০ হলে দেড় কোটি টাকা এবং ৫০ জনের কম হলে সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ টাকা ব্যয় করার বিধান রয়েছে।