Dhaka রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মানবপাচারকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক :

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, লিবিয়া হয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ প্রচেষ্টায় বাংলাদেশিদের মৃত্যুর জন্য দায়ী মানবপাচারকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

রোববার (২৯ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, এই অমানবিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করাই দীর্ঘমেয়াদি সমাধান। মানবপাচারকারীদের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় আইনের আওতায় এনে শাস্তি দিতে হবে।

শামা ওবায়েদ বলেন, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের মিশনগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে, বিশেষ করে গ্রিসে, নিয়মিত যোগাযোগ রেখে ভুক্তভোগী ও জীবিতদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছে।

তিনি বলেন, আমাদের মিশনগুলো সার্বক্ষণিক কাজ করছে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ও কাজ করছে।

ইতালি যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে প্রাণহানির ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ মিশন জীবিত নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে। জীবিতদের সুস্থ করে দেশে ফিরিয়ে আনা সরকারের লক্ষ্য। বাংলাদেশ সংবাদ বিশ্লেষণ

শামা ওবায়েদ বলেন, লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে প্রাণহানির ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। ৬ দিন খাবার দেয়া হয়নি তাদের। হতভাগ্যদের মৃতদেহ জাহাজ থেকে সাগরে ফেলে দেয়া হয়। লেবানন এবং বাংলাদেশের মানবপাচার চক্র এ ঘটনাটি ঘটিয়েছে বলে আমরা ধারণা করছি। এ ধরনের অমানবিক কাজের দ্রুত সাজা হওয়া উচিত।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, জীবিতদের উদ্ধার করে কয়েকজনকে হাসপাতালে নেয়া যাওয়া হয়েছে। কয়েকজনকে একটা ক্যাম্পে রাখা হয়েছে। তাদেরকে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে কাজ চলছে, তবে একটু সময় লাগবে। কারণ কিছু রুলস এন্ড রেগুলেশনসের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, যখন এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটে তখন প্রত্যেক দেশের সরকার সেন্সিটিভ হয়ে যায়। এখন আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হচ্ছে, বেঁচে থাকা বাংলাদেশিরা ক্যাম্পে কী অবস্থায় আছেন এবং তাদের আইডেন্টিফিকেশনটা আমাদের দরকার। প্রত্যেকটা আইডেন্টিফিকেশন সঠিক কি-না, তা জানার পরে তাদেরকে ফিরিয়ে আনার পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

তবে বাংলাদেশ মিশন জীবিত নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে জানিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, গ্রিস সরকারের সহায়তায় জীবিতদের সুস্থ করে দেশে ফিরিয়ে আনা সরকারের লক্ষ্য।

শামা ওবায়েদ বলেন, ‘আমরা আমাদের মিশন থেকে যে তথ্যটা পেয়েছি, তারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। বেসিক্যালি এই যারা স্মাগলিংটা করে তারা লিবিয়ারও আছে এবং বাংলাদেশেও আছে। আমরা ধারণা করছি, এটা একটা চক্র, যারা সব সময় বিভিন্ন দেশে নাগরিকদের বিপদে ফেলে, তাদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে টাকা-পয়সা দিয়ে তারা নিয়ে যায়। এই পার্টিকুলার ইনসিডেন্টটা এখানে বেশ কিছু দেশের নাগরিকরা ছিল। তার মধ্যে বাংলাদেশের কিছু নাগরিক ছিল, তার মধ্যে আরো আনফরচুনেট হচ্ছে একজন নারী ছিলেন, একজন শিশু ছিল। আমরা এখনো বিস্তারিত জানি না। তাদের উদ্ধার করে কিছু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং কিছু তাদের একটা ক্যাম্পে রাখা হয়েছে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এখন আমাদের দূতাবাস তাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করে জানার চেষ্টা করেছে। আরো ডিটেইলস, কী অবস্থায় আছে—তা জানার চেষ্টা করছে। এখন তারা একটা প্রসেসের মধ্যে ঢুকে গেছে, গ্রিসের ওখানে সংশ্লিষ্ট যারা আছে, তাদের ওই সরকারের কিছু নিয়ম মেনে তাদের কিভাবে ক্যাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়, তাদের ফিরিয়ে আনার কী ব্যাপার, হাসপাতালে যারা আছে, তাদের কী অবস্থা। সেটায় একটু আমাদের সময় লাগবে, কাজ চলছে।’

শামা ওবায়েদ বলেন, ‘এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। এটা থেকে আমাদের প্রতীয়মান হয় যে আমরা কত ভালনারেবল অবস্থায় আছি। এই যে স্মাগলাররা, তাদের একটা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এখানে হওয়া উচিত এবং আমার মন্ত্রণালয়কে আমি আজকে সকালে বললাম যে এটা আইডেন্টিফাই করা যায় কিভাবে, কারা এটা করছে। এখানে লিবিয়ার লোকজনও আছে, বাংলাদেশের লোকজনও আছে। এটা আইডেন্টিফাই করে তাদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আইনের শাস্তি হোক বা বাংলাদেশি আইনের শাস্তি—তাদের শাস্তি আওতায় আনতে হবে। আরো দুর্ভাগ্যজনক কী পরিমাণ এরা অমানবিক এবং ক্রিমিনাল হলে এবং যখন এটা তারা হয়তো ভেবেছিল এক দিন-দুই দিনে তারা সাগর পার হয়ে যাবে, কিন্তু লেগেছে ছয় থেকে সাত দিন এবং ছয় থেকে সাত দিনের খাবার তাদের সঙ্গে ছিল না, পানি ছিল না, কিছুই ছিল না। অমানবিক অবস্থায় কিছু ওখানে লোকজন জাহাজ যারা মারা গিয়েছিল তাদের ফেলে দেওয়া হয়েছে পানিতে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের একটু সময় লাগবে কারণ এখন আমাদের ওখানে তথ্য নেওয়ার চেষ্টা করছে। কারণ কিছু রুলস অ্যান্ড রেগুলেশনসের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। যখন এ ধরনের কোন ঘটনা ঘটে তখন প্রত্যেক দেশে সরকারি সেনসিটিভ তারা হয়ে যায়। তো এখন আমাদের মেইনলি আমাদের এখন ফার্স্ট কাজ হচ্ছে যে বাংলাদেশি আমাদের যারা ওখানে তারা জীবনটা বেঁচে গেছে তাদের অবস্থা কী, তারা ক্যাম্পে কী অবস্থায় আছে তাদের আইডেন্টিফিকেশনটা আমাদের দরকার। প্রথমত আমাদের জানতে হবে যে প্রতিটা আইডেন্টিফিকেশন কারেক্ট নাকি এবং সেটা সত্য নাকি। জানার পরে ক্যাম্পে তাদের ফিরিয়ে আনার। নেক্সট স্টেপ হচ্ছে তাদের ফিরিয়ে আনার।’

তিনি আরো বলেন, ‘প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ইনভেস্টিগেশন করছে এবং আমরাও সচেষ্ট আছি। কিন্তু এটা আমি মনে করি লং টার্ম সলিউশন হচ্ছে যে এটা কিভাবে বন্ধ করা যায়, সেটার একটা উপায় আমাদের অবশ্যই বের করতে হবে। কারণ এটা হতে দেওয়া যায় না। এটা কোনোভাবেই সভ্যতার কোনো ডেফিনিশনের মধ্যে এটা পড়ে না।’

এর আগে শনিবার ভূমধ্যসাগরে ভাসমান একটি রাবারের নৌকা থেকে ২১ বাংলাদেশিসহ ২৬ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। নৌকাটিতে থাকা অন্তত ২২ অভিবাসনপ্রত্যাশীর যাত্রাপথে খাবার ও পানির অভাবে মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন উদ্ধারকৃত ব্যক্তিরা।

আবহাওয়া

পানিতে ডুবে মারা গেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা রাহুল

মানবপাচারকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৬:৩৬:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, লিবিয়া হয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ প্রচেষ্টায় বাংলাদেশিদের মৃত্যুর জন্য দায়ী মানবপাচারকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

রোববার (২৯ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, এই অমানবিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করাই দীর্ঘমেয়াদি সমাধান। মানবপাচারকারীদের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় আইনের আওতায় এনে শাস্তি দিতে হবে।

শামা ওবায়েদ বলেন, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের মিশনগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে, বিশেষ করে গ্রিসে, নিয়মিত যোগাযোগ রেখে ভুক্তভোগী ও জীবিতদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছে।

তিনি বলেন, আমাদের মিশনগুলো সার্বক্ষণিক কাজ করছে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ও কাজ করছে।

ইতালি যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে প্রাণহানির ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ মিশন জীবিত নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে। জীবিতদের সুস্থ করে দেশে ফিরিয়ে আনা সরকারের লক্ষ্য। বাংলাদেশ সংবাদ বিশ্লেষণ

শামা ওবায়েদ বলেন, লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে প্রাণহানির ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। ৬ দিন খাবার দেয়া হয়নি তাদের। হতভাগ্যদের মৃতদেহ জাহাজ থেকে সাগরে ফেলে দেয়া হয়। লেবানন এবং বাংলাদেশের মানবপাচার চক্র এ ঘটনাটি ঘটিয়েছে বলে আমরা ধারণা করছি। এ ধরনের অমানবিক কাজের দ্রুত সাজা হওয়া উচিত।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, জীবিতদের উদ্ধার করে কয়েকজনকে হাসপাতালে নেয়া যাওয়া হয়েছে। কয়েকজনকে একটা ক্যাম্পে রাখা হয়েছে। তাদেরকে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে কাজ চলছে, তবে একটু সময় লাগবে। কারণ কিছু রুলস এন্ড রেগুলেশনসের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, যখন এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটে তখন প্রত্যেক দেশের সরকার সেন্সিটিভ হয়ে যায়। এখন আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হচ্ছে, বেঁচে থাকা বাংলাদেশিরা ক্যাম্পে কী অবস্থায় আছেন এবং তাদের আইডেন্টিফিকেশনটা আমাদের দরকার। প্রত্যেকটা আইডেন্টিফিকেশন সঠিক কি-না, তা জানার পরে তাদেরকে ফিরিয়ে আনার পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

তবে বাংলাদেশ মিশন জীবিত নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে জানিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, গ্রিস সরকারের সহায়তায় জীবিতদের সুস্থ করে দেশে ফিরিয়ে আনা সরকারের লক্ষ্য।

শামা ওবায়েদ বলেন, ‘আমরা আমাদের মিশন থেকে যে তথ্যটা পেয়েছি, তারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। বেসিক্যালি এই যারা স্মাগলিংটা করে তারা লিবিয়ারও আছে এবং বাংলাদেশেও আছে। আমরা ধারণা করছি, এটা একটা চক্র, যারা সব সময় বিভিন্ন দেশে নাগরিকদের বিপদে ফেলে, তাদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে টাকা-পয়সা দিয়ে তারা নিয়ে যায়। এই পার্টিকুলার ইনসিডেন্টটা এখানে বেশ কিছু দেশের নাগরিকরা ছিল। তার মধ্যে বাংলাদেশের কিছু নাগরিক ছিল, তার মধ্যে আরো আনফরচুনেট হচ্ছে একজন নারী ছিলেন, একজন শিশু ছিল। আমরা এখনো বিস্তারিত জানি না। তাদের উদ্ধার করে কিছু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং কিছু তাদের একটা ক্যাম্পে রাখা হয়েছে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এখন আমাদের দূতাবাস তাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করে জানার চেষ্টা করেছে। আরো ডিটেইলস, কী অবস্থায় আছে—তা জানার চেষ্টা করছে। এখন তারা একটা প্রসেসের মধ্যে ঢুকে গেছে, গ্রিসের ওখানে সংশ্লিষ্ট যারা আছে, তাদের ওই সরকারের কিছু নিয়ম মেনে তাদের কিভাবে ক্যাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়, তাদের ফিরিয়ে আনার কী ব্যাপার, হাসপাতালে যারা আছে, তাদের কী অবস্থা। সেটায় একটু আমাদের সময় লাগবে, কাজ চলছে।’

শামা ওবায়েদ বলেন, ‘এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। এটা থেকে আমাদের প্রতীয়মান হয় যে আমরা কত ভালনারেবল অবস্থায় আছি। এই যে স্মাগলাররা, তাদের একটা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এখানে হওয়া উচিত এবং আমার মন্ত্রণালয়কে আমি আজকে সকালে বললাম যে এটা আইডেন্টিফাই করা যায় কিভাবে, কারা এটা করছে। এখানে লিবিয়ার লোকজনও আছে, বাংলাদেশের লোকজনও আছে। এটা আইডেন্টিফাই করে তাদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আইনের শাস্তি হোক বা বাংলাদেশি আইনের শাস্তি—তাদের শাস্তি আওতায় আনতে হবে। আরো দুর্ভাগ্যজনক কী পরিমাণ এরা অমানবিক এবং ক্রিমিনাল হলে এবং যখন এটা তারা হয়তো ভেবেছিল এক দিন-দুই দিনে তারা সাগর পার হয়ে যাবে, কিন্তু লেগেছে ছয় থেকে সাত দিন এবং ছয় থেকে সাত দিনের খাবার তাদের সঙ্গে ছিল না, পানি ছিল না, কিছুই ছিল না। অমানবিক অবস্থায় কিছু ওখানে লোকজন জাহাজ যারা মারা গিয়েছিল তাদের ফেলে দেওয়া হয়েছে পানিতে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের একটু সময় লাগবে কারণ এখন আমাদের ওখানে তথ্য নেওয়ার চেষ্টা করছে। কারণ কিছু রুলস অ্যান্ড রেগুলেশনসের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। যখন এ ধরনের কোন ঘটনা ঘটে তখন প্রত্যেক দেশে সরকারি সেনসিটিভ তারা হয়ে যায়। তো এখন আমাদের মেইনলি আমাদের এখন ফার্স্ট কাজ হচ্ছে যে বাংলাদেশি আমাদের যারা ওখানে তারা জীবনটা বেঁচে গেছে তাদের অবস্থা কী, তারা ক্যাম্পে কী অবস্থায় আছে তাদের আইডেন্টিফিকেশনটা আমাদের দরকার। প্রথমত আমাদের জানতে হবে যে প্রতিটা আইডেন্টিফিকেশন কারেক্ট নাকি এবং সেটা সত্য নাকি। জানার পরে ক্যাম্পে তাদের ফিরিয়ে আনার। নেক্সট স্টেপ হচ্ছে তাদের ফিরিয়ে আনার।’

তিনি আরো বলেন, ‘প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ইনভেস্টিগেশন করছে এবং আমরাও সচেষ্ট আছি। কিন্তু এটা আমি মনে করি লং টার্ম সলিউশন হচ্ছে যে এটা কিভাবে বন্ধ করা যায়, সেটার একটা উপায় আমাদের অবশ্যই বের করতে হবে। কারণ এটা হতে দেওয়া যায় না। এটা কোনোভাবেই সভ্যতার কোনো ডেফিনিশনের মধ্যে এটা পড়ে না।’

এর আগে শনিবার ভূমধ্যসাগরে ভাসমান একটি রাবারের নৌকা থেকে ২১ বাংলাদেশিসহ ২৬ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। নৌকাটিতে থাকা অন্তত ২২ অভিবাসনপ্রত্যাশীর যাত্রাপথে খাবার ও পানির অভাবে মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন উদ্ধারকৃত ব্যক্তিরা।