ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি :
সৌদি আরবের আল খারিজ শহরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আহত এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। তাঁর নাম আবদুল্লাহ আল মামুন (৩৫)। তিনি ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ভরভরা গ্রামের শহীদ সওদাগরের ছেলে।
বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে প্রবাসীর বাবা শহীদ সওদাগর এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, ৮ মার্চ ইফতারের আগমুহূর্তে আল খারিজ শহরে আল তোয়াইক বলদিয়া কোম্পানির একটি শ্রমিক ক্যাম্পে থাকা মামুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় গুরুতর আহত হন। এরপর থেকে মামুন একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মঙ্গলবার সৌদি আরবের সময় রাত সাড়ে ১১টার দিকে লাইফ সাপোর্টে থাকা মামুনকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এসময় তিনি মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানান।
পরিবারের সূত্রে জানা যায়, ৮ মার্চ ইফতারের আগমুহূর্তে সৌদি আরবের আল খারিজ শহরে আল তোয়াইক বলদিয়া কোম্পানির একটি শ্রমিক ক্যাম্পে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মামুন গুরুতর আহত হন। এরপর তিনি আল খারিজ শহরের ডাক্তার সোলাইমান আল হাবিব হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সৌদি আরব সময় রাত সাড়ে ১১টার দিকে লাইফ সাপোর্টে থাকা মামুনকে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে তাঁর মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।
মামুনের মামাতো ভাই শাওন মোড়ল বলেন, ‘আমার ভাই ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি এক ছেলেসন্তানের জনক।’
আব্দুল্লাহ আল মামুনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে তার পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্বজনরা দ্রুত তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।
জানা গেছে, ৮ মার্চ ইফতারের আগমুহূর্তে ওই শ্রমিক ক্যাম্পে বিস্ফোরণে কিশোরগঞ্জের বাচ্চু মিয়া, টাঙ্গাইলের মোশাররফ হোসেনের মৃত্যু হয় এবং মামুনসহ বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি প্রবাসী আহত হন। মামুনের শরীরের ৭২ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি 




















