Dhaka বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ৯ এপ্রিল

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আগামী ৯ এপ্রিল।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) এদিন নির্ধারণ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

এর আগে যুক্তিতর্ক শেষে রায় ঘোষণার জন্য এখন অপেক্ষমাণ রাখা হয় (সিএভি)। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন। অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে বক্তব্য উপস্থাপন করেছিলেন প্রসিকিউটর মো. মিজানুল ইসলাম।

ওই সময় তিনি বলেন, এই মামলার সব আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। এখন ট্রাইব্যুনাল এই মামলা রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ তালিকায় রেখেছেন। প্রসিকিউশন আশা করছে যে শিগগিরই এই মামলার রায় হবে।

রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে গত ২৭ জানুয়ারি মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখা হয়েছিল। তার আগে গত বছরের ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে মামলাটির বিচার শুরু করেছিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। মামলাটিতে তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ২৫ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়।

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই দুপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ও আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু সাঈদ। দুই হাত প্রসারিত করে পুলিশের সামনে বুক পেতে দেওয়া সাঈদের সেই ভিডিওটি দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে গণঅভ্যুত্থানে রূপ দেয়।

এরই ধারাবাহিকতায় ওই বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। বর্তমানে জুলাই-আগস্টের সেই গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার কাজ দুটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান রয়েছে।

চাঞ্চল্যকর ওই হত্যা মামলায় ৩০ আসামির মধ্যে ছয় জন গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন। তারা হলেন- রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান, রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের চুক্তিভিত্তিক সাবেক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক আমির হোসেন, সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় ও নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ। বাকি ২৪ আসামি পলাতক।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

জামালপুরে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে চাচা-ভাতিজা নিহত

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ৯ এপ্রিল

প্রকাশের সময় : ১২:১৯:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আগামী ৯ এপ্রিল।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) এদিন নির্ধারণ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

এর আগে যুক্তিতর্ক শেষে রায় ঘোষণার জন্য এখন অপেক্ষমাণ রাখা হয় (সিএভি)। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন। অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে বক্তব্য উপস্থাপন করেছিলেন প্রসিকিউটর মো. মিজানুল ইসলাম।

ওই সময় তিনি বলেন, এই মামলার সব আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। এখন ট্রাইব্যুনাল এই মামলা রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ তালিকায় রেখেছেন। প্রসিকিউশন আশা করছে যে শিগগিরই এই মামলার রায় হবে।

রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে গত ২৭ জানুয়ারি মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখা হয়েছিল। তার আগে গত বছরের ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে মামলাটির বিচার শুরু করেছিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। মামলাটিতে তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ২৫ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়।

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই দুপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ও আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু সাঈদ। দুই হাত প্রসারিত করে পুলিশের সামনে বুক পেতে দেওয়া সাঈদের সেই ভিডিওটি দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে গণঅভ্যুত্থানে রূপ দেয়।

এরই ধারাবাহিকতায় ওই বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। বর্তমানে জুলাই-আগস্টের সেই গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার কাজ দুটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান রয়েছে।

চাঞ্চল্যকর ওই হত্যা মামলায় ৩০ আসামির মধ্যে ছয় জন গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন। তারা হলেন- রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান, রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের চুক্তিভিত্তিক সাবেক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক আমির হোসেন, সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় ও নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ। বাকি ২৪ আসামি পলাতক।