১৪ এতিমখানা ও মাদ্রাসায় ১ মাসের ইফতার-সেহরির ব্যবস্থা করলেন জাইমা

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০৯:৫৪:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩৪৯ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

এতিমখানা ও হেফজ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য এক মাসের ইফতার, রাতের খাবার ও সেহরির ব্যবস্থা করেছেন ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। রাজধানীর কড়াইল বস্তি ও ভাসানটেক এলাকার ১৪টি এতিমখানা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এসব বিতরণ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তিনি সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা ও এতিমখানাগুলোতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে খাবার সামগ্রী তুলে দেন এবং পুরো মাসের খাবার সরবরাহের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছাত্রীর জন্য রমজানের প্রতিদিনের ইফতার, রাতের খাবার ও সেহরির পূর্ণাঙ্গ খাদ্যতালিকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে রমজানজুড়ে তাদের খাবারের কোনো সংকট না থাকে।

এ সময় জাইমা রহমান বলেন, অসহায় ও এতিম শিশুদের পাশে দাঁড়ানো সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ব। রমজান মাসে তারা যেন নিশ্চিন্তে ইবাদত ও পড়াশোনা করতে পারে—এই লক্ষেই তার এ উদ্যোগ।

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়রা উদ্যোগটিকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, দীর্ঘ সময়ের জন্য নিয়মিত খাবারের ব্যবস্থা হওয়ায় এতিম শিক্ষার্থীরা বড় উপকার পেল। তারা ভবিষ্যতেও এমন মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

অনলাইনে মাদক কেনাবেচার সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড, সংসদে বিল পাস

১৪ এতিমখানা ও মাদ্রাসায় ১ মাসের ইফতার-সেহরির ব্যবস্থা করলেন জাইমা

প্রকাশের সময় : ০৯:৫৪:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

এতিমখানা ও হেফজ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য এক মাসের ইফতার, রাতের খাবার ও সেহরির ব্যবস্থা করেছেন ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। রাজধানীর কড়াইল বস্তি ও ভাসানটেক এলাকার ১৪টি এতিমখানা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এসব বিতরণ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তিনি সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা ও এতিমখানাগুলোতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে খাবার সামগ্রী তুলে দেন এবং পুরো মাসের খাবার সরবরাহের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছাত্রীর জন্য রমজানের প্রতিদিনের ইফতার, রাতের খাবার ও সেহরির পূর্ণাঙ্গ খাদ্যতালিকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে রমজানজুড়ে তাদের খাবারের কোনো সংকট না থাকে।

এ সময় জাইমা রহমান বলেন, অসহায় ও এতিম শিশুদের পাশে দাঁড়ানো সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ব। রমজান মাসে তারা যেন নিশ্চিন্তে ইবাদত ও পড়াশোনা করতে পারে—এই লক্ষেই তার এ উদ্যোগ।

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়রা উদ্যোগটিকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, দীর্ঘ সময়ের জন্য নিয়মিত খাবারের ব্যবস্থা হওয়ায় এতিম শিক্ষার্থীরা বড় উপকার পেল। তারা ভবিষ্যতেও এমন মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।