Dhaka সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় আইনজীবীর সহকারীকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি : 

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় নিজ বাড়ির উঠানে এক আইনজীবীর সহকারীকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাতটার দিকে উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের খামার বল্লমঝাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত অমিতাভ চন্দ্র ওরফে সুজন (৩৮) ওই গ্রামের সূর্য নিরঞ্জন চন্দ্র রায়ের ছেলে। তিনি গাইবান্ধা জেলা জজ আদালতে আইনজীবীর সহকারী (মহুরী) হিসেবে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। বাবা-মা, স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন।

বল্লমঝাড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার রহমান বলেন, রাতে সুজন মহুরী নিজ বাড়ির উঠানে ছিলেন। এ সময় কয়েকজন তার বাড়ির গেট খুলে ভেতরে ঢুকে পিছন থেকে অতর্কিতভাবে তার মাথায় এলোপাথাড়িভাবে কুপিয়ে পালিয়ে যায়। আর্তচিৎকার শুনে স্বজনরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

সুজনের ভাই সুধান চন্দ্র রায় বলেন, জমি নিয়ে ৩-৪ বছর ধরে স্থানীয় নরেশ চন্দ্রের সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি নরেশ তাকে বিভিন্ন হুমকি দিয়ে আসছিলেন। তাদের ধারণা, পূর্ববিরোধের জের ধরে নরেশ পরিকল্পিতভাবে বাড়িতে ঢুকে কুড়াল দিয়ে সুজনের মাথায় আঘাত করেছেন।

গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মানুন বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। একটি কুড়াল উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ থানায় এনে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আবহাওয়া

গাইবান্ধায় আইনজীবীর সহকারীকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশের সময় : ০২:৪৬:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি : 

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় নিজ বাড়ির উঠানে এক আইনজীবীর সহকারীকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাতটার দিকে উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের খামার বল্লমঝাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত অমিতাভ চন্দ্র ওরফে সুজন (৩৮) ওই গ্রামের সূর্য নিরঞ্জন চন্দ্র রায়ের ছেলে। তিনি গাইবান্ধা জেলা জজ আদালতে আইনজীবীর সহকারী (মহুরী) হিসেবে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। বাবা-মা, স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন।

বল্লমঝাড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার রহমান বলেন, রাতে সুজন মহুরী নিজ বাড়ির উঠানে ছিলেন। এ সময় কয়েকজন তার বাড়ির গেট খুলে ভেতরে ঢুকে পিছন থেকে অতর্কিতভাবে তার মাথায় এলোপাথাড়িভাবে কুপিয়ে পালিয়ে যায়। আর্তচিৎকার শুনে স্বজনরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

সুজনের ভাই সুধান চন্দ্র রায় বলেন, জমি নিয়ে ৩-৪ বছর ধরে স্থানীয় নরেশ চন্দ্রের সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি নরেশ তাকে বিভিন্ন হুমকি দিয়ে আসছিলেন। তাদের ধারণা, পূর্ববিরোধের জের ধরে নরেশ পরিকল্পিতভাবে বাড়িতে ঢুকে কুড়াল দিয়ে সুজনের মাথায় আঘাত করেছেন।

গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মানুন বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। একটি কুড়াল উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ থানায় এনে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।