পরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৪২:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪৮৩ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

পরিবহন মাফিয়াদের আনুকূল্য পেতে নতুন সড়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে পরিবহনে চাঁদাবাজির বৈধতা দেওয়া পতিত স্বৈরাচারের পদাঙ্ক অনুসরণের শামিল বলে মনে করে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। তাই পরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সংবাদ মাধ্যমে সংগঠনটির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরীর পাঠানো এক বিবৃতিতে এই আহ্বান জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, পতিত স্বৈরাচারের সময়ে পরিবহনে চাঁদাবাজি শিল্পের পর্যায়ে পৌঁছেছিল। কতিপয় পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতারা আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন এবং অনেকে শত শত বাসের মালিক হয়েছেন। পুলিশের কিছু অসাধু কর্মকর্তা এ ধরনের চাঁদাবাজি ও নৈরাজ্যের সঙ্গে জড়িত থাকায় সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি।

এতে আরও বলা হয়, ছাত্র-জনতার রক্তে ভেজা সদ্য ভূমিষ্ঠ জনগণের জনপ্রিয় দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকারের একজন নতুন মন্ত্রীর এমন বক্তব্যে দেশবাসী হতাশ হয়েছে। পরিবহনে চাঁদাবাজির কারণে নিম্ন আয়ের মানুষের বাস ভাড়া বেড়ে যাচ্ছে এবং পণ্যমূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলছে।

বিবৃতিতে যাত্রী কল্যাণ সমিতি মনে করে, বিএনপি গণমানুষের দল এবং পরিবহন মাফিয়াদের আনুকূল্য তাদের রয়েছে বলে তারা মনে করে না। সংগঠনটি পরিবহন খাতে চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

যানজট কমাতে রাজধানীর তিন বাস টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

পরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান

প্রকাশের সময় : ০৭:৪২:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

পরিবহন মাফিয়াদের আনুকূল্য পেতে নতুন সড়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে পরিবহনে চাঁদাবাজির বৈধতা দেওয়া পতিত স্বৈরাচারের পদাঙ্ক অনুসরণের শামিল বলে মনে করে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। তাই পরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সংবাদ মাধ্যমে সংগঠনটির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরীর পাঠানো এক বিবৃতিতে এই আহ্বান জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, পতিত স্বৈরাচারের সময়ে পরিবহনে চাঁদাবাজি শিল্পের পর্যায়ে পৌঁছেছিল। কতিপয় পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতারা আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন এবং অনেকে শত শত বাসের মালিক হয়েছেন। পুলিশের কিছু অসাধু কর্মকর্তা এ ধরনের চাঁদাবাজি ও নৈরাজ্যের সঙ্গে জড়িত থাকায় সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি।

এতে আরও বলা হয়, ছাত্র-জনতার রক্তে ভেজা সদ্য ভূমিষ্ঠ জনগণের জনপ্রিয় দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকারের একজন নতুন মন্ত্রীর এমন বক্তব্যে দেশবাসী হতাশ হয়েছে। পরিবহনে চাঁদাবাজির কারণে নিম্ন আয়ের মানুষের বাস ভাড়া বেড়ে যাচ্ছে এবং পণ্যমূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলছে।

বিবৃতিতে যাত্রী কল্যাণ সমিতি মনে করে, বিএনপি গণমানুষের দল এবং পরিবহন মাফিয়াদের আনুকূল্য তাদের রয়েছে বলে তারা মনে করে না। সংগঠনটি পরিবহন খাতে চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।