২০ জুলাইয়ের মধ্যে এসএসসি ফল, একই মাসে স্কুল ড্রেস বিতরণ : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, আগামী ২০ জুলাইয়ের মধ্যে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে। একইসঙ্গে জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণ কার্যক্রম শুরু করবে সরকার।

সোমবার (১৫ জুন) সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আয়োজিত ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষাক্ষেত্রে বড় পরিবর্তনের আভাস দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০২৮ সালের পর থেকে এইচএসসি পরীক্ষা দেয়ার পর শিক্ষার্থীদের আর দীর্ঘ অপেক্ষা করে সময় নষ্ট করতে হবে না। ফলাফল হওয়ার সাথে সাথেই তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারবে। শিক্ষাব্যবস্থাকে সেশন জটমুক্ত করতেই এই উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জনের বিষয়ে তিনি বলেন, এই বছরের ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই দেশের সকল স্কুলে পরিমার্জিত ও সংশোধিত নতুন বই পৌঁছে দেয়া নিশ্চিত করা হবে। যাতে নতুন বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীরা কোনো রকম জটিলতা ছাড়া বই পেতে পারে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, খেলাধুলা ও সংস্কৃতি বাধ্যতামূলক হলে শিক্ষার্থীরা কোচিং বিমুখ হবে। খেলাধুলা ও সংস্কৃতিতেও বিশ্বনেতৃত্বে তৈরির জন্য নতুন করে কাজ শুরু করেছে সরকার। চতুর্থ শ্রেণি থেকে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, সারা দেশে কারিগরি শিক্ষার প্রসার এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে নির্মাণাধীন ৩২৯টি নতুন টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের কাজ আগামী দুই বছরের মধ্যে সম্পন্ন হবে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ এজেন্ডা বাস্তবায়নে শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিরলসভাবে কাজ করছে। আগামী দিনের উন্নত বাংলাদেশ গড়তে কারিগরি ট্রেনিং সেন্টারসহ সার্বিক কারিগরি শিক্ষার বিস্তার অপরিহার্য। যুগোপযোগী ও কর্মমুখী শিক্ষাই হবে নতুন প্রজন্মের প্রধান হাতিয়ার।

তিনি বলেন, দেশের জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তরের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার শিক্ষা খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে চায়।

শিক্ষাক্ষেত্রে সেশনজট কমিয়ে আনার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ২০২৮ সালের মধ্যে এমন ব্যবস্থা করা হবে যাতে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেওয়ার পর দীর্ঘ সময় অপেক্ষা না করে দ্রুত পরবর্তী ধাপে যেতে পারে। কলেজ শেষ করেই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠদান শুরু করতে পারবে।

কোচিংনির্ভরতা কমিয়ে আনার লক্ষ্যেও কাজ চলছে বলে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, এমনভাবে নতুন সিলেবাস ও কারিকুলাম তৈরি করা হচ্ছে যাতে শিক্ষার্থীদের অযথা কোচিং সেন্টারে যেতে না হয়। শিক্ষার্থীদের শুধু চার দেয়ালের মধ্যে পাঠদানে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। পড়াশোনার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমেও বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

বর্তমানে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় যে সেশনজট চলছে তা আগামী ২০২৮ সালের মধ্যে কমিয়ে আনার জন্য সরকার চেষ্টা করে যাচ্ছে। ২০২৮ সালের পর এসএসসি, এইচএসসি পাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকলে তাদের আর সেশনজটে পড়তে হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ.ন. ম এহসানুল হক মিলন।

মন্ত্রী বলেন, ‘এই যে টাকা (শিক্ষাখাতের জন্য বাজেট) ব্যয় হবে শিক্ষাখাতে সেই খাতে আমরা চাই একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন। ইতোমধ্যে আপনারা দেখেছেন মাধ্যমিক স্তরের এসএসসি পরীক্ষা সমাপ্ত হয়েছে সুন্দরভাবে। প্রশ্নপত্র আউট হয়নি, নকল হয়নি এবং দুই মাসের ভিতরে আগামী ২০শে জুলাইয়ের ভেতরে আমাদের রেজাল্টও আউট হয়ে যাবে। এর পরবর্তীতে আমরা সেশনজট এবং এই যে গ্যাপ রয়েছে আমাদের এসএসসি এইচএসসি এবং ইউনিভার্সিটি এডুকেশনে এই গ্যাপগুলোকে আমরা সমন্বয়ে সাধন করছি। আশা করছি ২০২৮ এর মধ্যে আমাদের ছেলেমেয়েরা পরীক্ষা দেওয়ার পর তাদের সাথে সাথেই কলেজ অ্যাডমিশন এবং কলেজ শেষ করে ইউনিভার্সিটি অ্যাডমিশন এটাকে আমরা সিংক্রোনাইজ করছি। আমরা কোনো অবস্থাতেই অবহেলাতে সময় কাটাবো না আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য।

তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা জানেন বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নের জন্য এই পর্যন্ত ৫৩ টি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট হয়েছে এবং আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে আগামী এক বছরের মধ্যে বাকি ২৩টিকে সমাপ্ত করা আমরা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ সারা বাংলাদেশের ৩২৯ টি স্থাপন করে যাচ্ছি এবং আশা করছি আমাদের আগামী দুই বছরের মধ্যে সেই কাজগুলো শেষ হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার হতে শুরু করে কারিগরি শিক্ষা দীক্ষিত করে মানব সম্পদ তৈরি করার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে নিরলস আমরা কাজ করে চলছি। আমরা চাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যে এজেন্ডা রয়েছে সেই এজেন্ডা এই শিক্ষাকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব তিনি দিয়েছেন। আগামী বাংলাদেশ গড়ার জন্য যেটি প্রয়োজন সেটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তিনি হাতে নিয়েছেন।’

এহসানুল হক মিলন বলেন, ‘আমরা চাই না আমাদের আগামী দিনের ভবিষ্যৎ শুধু জিপিএ ও এ প্লাস গোল্ডেন প্লাস এই সোনার পিছনে ছুটে বেড়াক। আমরা চাই তারা মেধাবী ছাত্র হোক, তারা ক্রিয়েটিভ হোক, তারা সৃজনশীল হোক এবং তারা খেলতে খেলতে শিখবে সেটা আমরা চাই। আমরা ক্লাস ফোর থেকে স্পোর্টস এন্ড কালচার ডিবেট সেটা আমরা ইনক্লুড করছি। ক্লাস সিক্সে আর ডিবেট মানব সম্পদ উন্নয়নের যে ধারণাটি সেখানে আমরা সেটি দিব এবং ক্রমান্বয়ে আমরা কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দিব। কারণ বাংলাদেশে এই অবাধ মানব সম্পদকে এই অবারিত মানব সম্পদকে আমরা কর্ম সক্ষম জাতি হিসেবে পরিণত করার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এরপরে সেকেন্ডারিতে এবং টার্শিয়াতে টার্শিয়ারি এডুকেশনেও আমরা সেখানে কারী শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। আমরা চাই বিশ্বয়াণের যুগে প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ থেকে থাকুক এবং আমাদের এই অবারিত মানব সম্পদ যেটা আমরা মনে করি বিশ্বে বাংলাদেশ হচ্ছে সবচেয়ে ঘনবহুল একটি জনসংখ্যার রাষ্ট্র।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দেখছি উন্নত বিশ্বে কাজে মোর পিপল আর ডাইং লোক বেশি মারা যাচ্ছে এবং কম লোক জন্মগ্রহণ করছে জনসংখ্যা ক্রমাণ্যয়ে কমে যাচ্ছে কিন্তু তার বিপরীতে বাংলাদেশ জনসংখ্যা শুধু বেড়েই চলছে এই জনসংখ্যা একটি কখনোই অভিশাপ হতে পারে না। এই জনসংখ্যাকে মানব সম্পদে রূপান্তরিত করতে হবে।’

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

কম্বোডিয়ায় সাইবার প্রতারণার জাল: চার দিনে ফিরলেন ২২১ বাংলাদেশি

২০ জুলাইয়ের মধ্যে এসএসসি ফল, একই মাসে স্কুল ড্রেস বিতরণ : শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০১:১৪:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, আগামী ২০ জুলাইয়ের মধ্যে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে। একইসঙ্গে জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণ কার্যক্রম শুরু করবে সরকার।

সোমবার (১৫ জুন) সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আয়োজিত ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষাক্ষেত্রে বড় পরিবর্তনের আভাস দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০২৮ সালের পর থেকে এইচএসসি পরীক্ষা দেয়ার পর শিক্ষার্থীদের আর দীর্ঘ অপেক্ষা করে সময় নষ্ট করতে হবে না। ফলাফল হওয়ার সাথে সাথেই তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারবে। শিক্ষাব্যবস্থাকে সেশন জটমুক্ত করতেই এই উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জনের বিষয়ে তিনি বলেন, এই বছরের ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই দেশের সকল স্কুলে পরিমার্জিত ও সংশোধিত নতুন বই পৌঁছে দেয়া নিশ্চিত করা হবে। যাতে নতুন বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীরা কোনো রকম জটিলতা ছাড়া বই পেতে পারে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, খেলাধুলা ও সংস্কৃতি বাধ্যতামূলক হলে শিক্ষার্থীরা কোচিং বিমুখ হবে। খেলাধুলা ও সংস্কৃতিতেও বিশ্বনেতৃত্বে তৈরির জন্য নতুন করে কাজ শুরু করেছে সরকার। চতুর্থ শ্রেণি থেকে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, সারা দেশে কারিগরি শিক্ষার প্রসার এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে নির্মাণাধীন ৩২৯টি নতুন টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের কাজ আগামী দুই বছরের মধ্যে সম্পন্ন হবে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ এজেন্ডা বাস্তবায়নে শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিরলসভাবে কাজ করছে। আগামী দিনের উন্নত বাংলাদেশ গড়তে কারিগরি ট্রেনিং সেন্টারসহ সার্বিক কারিগরি শিক্ষার বিস্তার অপরিহার্য। যুগোপযোগী ও কর্মমুখী শিক্ষাই হবে নতুন প্রজন্মের প্রধান হাতিয়ার।

তিনি বলেন, দেশের জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তরের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার শিক্ষা খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে চায়।

শিক্ষাক্ষেত্রে সেশনজট কমিয়ে আনার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ২০২৮ সালের মধ্যে এমন ব্যবস্থা করা হবে যাতে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেওয়ার পর দীর্ঘ সময় অপেক্ষা না করে দ্রুত পরবর্তী ধাপে যেতে পারে। কলেজ শেষ করেই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠদান শুরু করতে পারবে।

কোচিংনির্ভরতা কমিয়ে আনার লক্ষ্যেও কাজ চলছে বলে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, এমনভাবে নতুন সিলেবাস ও কারিকুলাম তৈরি করা হচ্ছে যাতে শিক্ষার্থীদের অযথা কোচিং সেন্টারে যেতে না হয়। শিক্ষার্থীদের শুধু চার দেয়ালের মধ্যে পাঠদানে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। পড়াশোনার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমেও বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

বর্তমানে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় যে সেশনজট চলছে তা আগামী ২০২৮ সালের মধ্যে কমিয়ে আনার জন্য সরকার চেষ্টা করে যাচ্ছে। ২০২৮ সালের পর এসএসসি, এইচএসসি পাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকলে তাদের আর সেশনজটে পড়তে হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ.ন. ম এহসানুল হক মিলন।

মন্ত্রী বলেন, ‘এই যে টাকা (শিক্ষাখাতের জন্য বাজেট) ব্যয় হবে শিক্ষাখাতে সেই খাতে আমরা চাই একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন। ইতোমধ্যে আপনারা দেখেছেন মাধ্যমিক স্তরের এসএসসি পরীক্ষা সমাপ্ত হয়েছে সুন্দরভাবে। প্রশ্নপত্র আউট হয়নি, নকল হয়নি এবং দুই মাসের ভিতরে আগামী ২০শে জুলাইয়ের ভেতরে আমাদের রেজাল্টও আউট হয়ে যাবে। এর পরবর্তীতে আমরা সেশনজট এবং এই যে গ্যাপ রয়েছে আমাদের এসএসসি এইচএসসি এবং ইউনিভার্সিটি এডুকেশনে এই গ্যাপগুলোকে আমরা সমন্বয়ে সাধন করছি। আশা করছি ২০২৮ এর মধ্যে আমাদের ছেলেমেয়েরা পরীক্ষা দেওয়ার পর তাদের সাথে সাথেই কলেজ অ্যাডমিশন এবং কলেজ শেষ করে ইউনিভার্সিটি অ্যাডমিশন এটাকে আমরা সিংক্রোনাইজ করছি। আমরা কোনো অবস্থাতেই অবহেলাতে সময় কাটাবো না আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য।

তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা জানেন বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নের জন্য এই পর্যন্ত ৫৩ টি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট হয়েছে এবং আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে আগামী এক বছরের মধ্যে বাকি ২৩টিকে সমাপ্ত করা আমরা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ সারা বাংলাদেশের ৩২৯ টি স্থাপন করে যাচ্ছি এবং আশা করছি আমাদের আগামী দুই বছরের মধ্যে সেই কাজগুলো শেষ হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার হতে শুরু করে কারিগরি শিক্ষা দীক্ষিত করে মানব সম্পদ তৈরি করার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে নিরলস আমরা কাজ করে চলছি। আমরা চাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যে এজেন্ডা রয়েছে সেই এজেন্ডা এই শিক্ষাকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব তিনি দিয়েছেন। আগামী বাংলাদেশ গড়ার জন্য যেটি প্রয়োজন সেটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তিনি হাতে নিয়েছেন।’

এহসানুল হক মিলন বলেন, ‘আমরা চাই না আমাদের আগামী দিনের ভবিষ্যৎ শুধু জিপিএ ও এ প্লাস গোল্ডেন প্লাস এই সোনার পিছনে ছুটে বেড়াক। আমরা চাই তারা মেধাবী ছাত্র হোক, তারা ক্রিয়েটিভ হোক, তারা সৃজনশীল হোক এবং তারা খেলতে খেলতে শিখবে সেটা আমরা চাই। আমরা ক্লাস ফোর থেকে স্পোর্টস এন্ড কালচার ডিবেট সেটা আমরা ইনক্লুড করছি। ক্লাস সিক্সে আর ডিবেট মানব সম্পদ উন্নয়নের যে ধারণাটি সেখানে আমরা সেটি দিব এবং ক্রমান্বয়ে আমরা কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দিব। কারণ বাংলাদেশে এই অবাধ মানব সম্পদকে এই অবারিত মানব সম্পদকে আমরা কর্ম সক্ষম জাতি হিসেবে পরিণত করার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এরপরে সেকেন্ডারিতে এবং টার্শিয়াতে টার্শিয়ারি এডুকেশনেও আমরা সেখানে কারী শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। আমরা চাই বিশ্বয়াণের যুগে প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ থেকে থাকুক এবং আমাদের এই অবারিত মানব সম্পদ যেটা আমরা মনে করি বিশ্বে বাংলাদেশ হচ্ছে সবচেয়ে ঘনবহুল একটি জনসংখ্যার রাষ্ট্র।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দেখছি উন্নত বিশ্বে কাজে মোর পিপল আর ডাইং লোক বেশি মারা যাচ্ছে এবং কম লোক জন্মগ্রহণ করছে জনসংখ্যা ক্রমাণ্যয়ে কমে যাচ্ছে কিন্তু তার বিপরীতে বাংলাদেশ জনসংখ্যা শুধু বেড়েই চলছে এই জনসংখ্যা একটি কখনোই অভিশাপ হতে পারে না। এই জনসংখ্যাকে মানব সম্পদে রূপান্তরিত করতে হবে।’