Dhaka বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আমরা সড়ক খাতে জবাবদিহিতা আনার চেষ্টা করছি : সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০৩:৪৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৯১ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, আমরা নিরাপদ সড়ক রাখতে চাই। পরিবহন তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব আমাদের। আমরা সে জায়গায় মনোযোগী আছি; যেখানে ব্যত্যয় হচ্ছে, সেখানে জবাবদিহিতা আনার চেষ্টা করছি। এটা আমাদের অঙ্গীকার।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে ঈদযাত্রায় সড়কের নিরাপত্তা নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের পরিবহন খাতে বড় কোনো পরিবর্তন হয়নি, আমাদের জীবনযাত্রার মানেও কোনো পরিবর্তন হয়নি।

চাঁদাবাজি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি তো মসজিদ কমিটিতে আছি, সেখানে চাঁদা দেই। আমি রিহ্যাবের সদস্য, প্রতিবছর চাঁদা দেই। আমি দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, আমাকে সেখানে চাঁদা দিতে হয়। এগুলোকে কি অবৈধ বলবেন?

আপনি প্রথম বৈঠকে সড়ক মন্ত্রণালয়ে বলেছিলেন যে, সড়কের সমঝোতা করলে আসলে চাঁদাবাজি না। বিষয়টি কি আপনি পরিষ্কার করবেন? এটা নিয়ে সমালোচনা হয়েছে- এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, পরিষ্কার আমি করেছি, বিভিন্ন জায়গায় বলেছি। কিন্তু সমস্যাটা হচ্ছে যে সমালোচনা তো অনেকে করতে পছন্দ করেন। যারা সমালোচনা করতে চান তাদের তো আর আপনি নিবৃত করতে পারবেন না।

তিনি বলেন, আমি বোঝাতে চেয়েছি চাঁদা এবং চাঁদাবাজি—দুটি জিনিসের পার্থক্য আছে। চাঁদাটা কোনো কোনো সময় শ্রমিক এবং মালিকদের স্বার্থে তারা নির্ধারণ করে, তারাই নির্ধারণ করে মানে আমি বোঝাচ্ছি সমঝোতা করে তারা তাদের কল্যাণে কালেক্ট করে তাদের মতো করে ব্যয় করে। তাদের যে প্রক্রিয়া আছে সেটা তারা অনুসরণ করে। কোনো কোনো জায়গায় এটাকে চাঁদাবাজি বলাটা কঠিন। চাঁদাবাজি আমি বলতে চাচ্ছি—চাঁদাবাজি হচ্ছে সেটি যেটি মানুষকে বাধ্য করে জোর করে নেওয়া হয়। তাদের নির্ধারিত প্রক্রিয়া না, কোনো অবৈধ শক্তি সেটা করতে চায়। সেটা করার কোনো সুযোগ নেই, সেটা আমাদের এই মন্ত্রণালয়ে থাকবে না। যেকোনো মূল্যে আমরা সেটা হতে দেবো না, সেটা আমাদের অঙ্গীকার।

ঢাকায় ট্রাক থামিয়ে যে চাঁদা নেওয়া হয়, সেটা বৈধ কি না, এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, আমি তো সেটা বলছি না। কিন্তু নিজেদের কল্যাণে ট্রাক মালিক সমিতি যে টাকাটা নেয়, সেটা বৈধ। যারা পথে অবৈধভাবে টাকা নেবে, সেটা তো অবৈধ। কেউ যদি নির্দিষ্টভাবে বলেন যে কোথাও চাঁদা নেওয়া হচ্ছে, তবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে আমরা তৎপর আছি।

ঈদযাত্রায় স্বস্তি আনতে নতুন কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমরা সফলভাবে ঈদযাত্রা সম্পন্ন করতে চাই। আমাদের পরিবহন খাতে বড় কোনো পরিবর্তন হয়নি, আমাদের জীবনযাত্রার মানেও কোনো পরিবর্তন হয়নি। আমাদের যাত্রার মানেরও কোনো পরিবর্তন হয়নি। সেটা যাতে যাত্রীর সঙ্গে যথাযথভাবে কার্যকর হয়, সে বিষয়ে জোরালো ভূমিকা রাখছি।

এ সময় নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ ও মো. রাজিব আহসান উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

সংযোগ সড়ক না থাকায় কাজে আসছে না ৫ কোটি টাকার সেতু

আমরা সড়ক খাতে জবাবদিহিতা আনার চেষ্টা করছি : সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৩:৪৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, আমরা নিরাপদ সড়ক রাখতে চাই। পরিবহন তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব আমাদের। আমরা সে জায়গায় মনোযোগী আছি; যেখানে ব্যত্যয় হচ্ছে, সেখানে জবাবদিহিতা আনার চেষ্টা করছি। এটা আমাদের অঙ্গীকার।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে ঈদযাত্রায় সড়কের নিরাপত্তা নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের পরিবহন খাতে বড় কোনো পরিবর্তন হয়নি, আমাদের জীবনযাত্রার মানেও কোনো পরিবর্তন হয়নি।

চাঁদাবাজি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি তো মসজিদ কমিটিতে আছি, সেখানে চাঁদা দেই। আমি রিহ্যাবের সদস্য, প্রতিবছর চাঁদা দেই। আমি দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, আমাকে সেখানে চাঁদা দিতে হয়। এগুলোকে কি অবৈধ বলবেন?

আপনি প্রথম বৈঠকে সড়ক মন্ত্রণালয়ে বলেছিলেন যে, সড়কের সমঝোতা করলে আসলে চাঁদাবাজি না। বিষয়টি কি আপনি পরিষ্কার করবেন? এটা নিয়ে সমালোচনা হয়েছে- এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, পরিষ্কার আমি করেছি, বিভিন্ন জায়গায় বলেছি। কিন্তু সমস্যাটা হচ্ছে যে সমালোচনা তো অনেকে করতে পছন্দ করেন। যারা সমালোচনা করতে চান তাদের তো আর আপনি নিবৃত করতে পারবেন না।

তিনি বলেন, আমি বোঝাতে চেয়েছি চাঁদা এবং চাঁদাবাজি—দুটি জিনিসের পার্থক্য আছে। চাঁদাটা কোনো কোনো সময় শ্রমিক এবং মালিকদের স্বার্থে তারা নির্ধারণ করে, তারাই নির্ধারণ করে মানে আমি বোঝাচ্ছি সমঝোতা করে তারা তাদের কল্যাণে কালেক্ট করে তাদের মতো করে ব্যয় করে। তাদের যে প্রক্রিয়া আছে সেটা তারা অনুসরণ করে। কোনো কোনো জায়গায় এটাকে চাঁদাবাজি বলাটা কঠিন। চাঁদাবাজি আমি বলতে চাচ্ছি—চাঁদাবাজি হচ্ছে সেটি যেটি মানুষকে বাধ্য করে জোর করে নেওয়া হয়। তাদের নির্ধারিত প্রক্রিয়া না, কোনো অবৈধ শক্তি সেটা করতে চায়। সেটা করার কোনো সুযোগ নেই, সেটা আমাদের এই মন্ত্রণালয়ে থাকবে না। যেকোনো মূল্যে আমরা সেটা হতে দেবো না, সেটা আমাদের অঙ্গীকার।

ঢাকায় ট্রাক থামিয়ে যে চাঁদা নেওয়া হয়, সেটা বৈধ কি না, এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, আমি তো সেটা বলছি না। কিন্তু নিজেদের কল্যাণে ট্রাক মালিক সমিতি যে টাকাটা নেয়, সেটা বৈধ। যারা পথে অবৈধভাবে টাকা নেবে, সেটা তো অবৈধ। কেউ যদি নির্দিষ্টভাবে বলেন যে কোথাও চাঁদা নেওয়া হচ্ছে, তবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে আমরা তৎপর আছি।

ঈদযাত্রায় স্বস্তি আনতে নতুন কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমরা সফলভাবে ঈদযাত্রা সম্পন্ন করতে চাই। আমাদের পরিবহন খাতে বড় কোনো পরিবর্তন হয়নি, আমাদের জীবনযাত্রার মানেও কোনো পরিবর্তন হয়নি। আমাদের যাত্রার মানেরও কোনো পরিবর্তন হয়নি। সেটা যাতে যাত্রীর সঙ্গে যথাযথভাবে কার্যকর হয়, সে বিষয়ে জোরালো ভূমিকা রাখছি।

এ সময় নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ ও মো. রাজিব আহসান উপস্থিত ছিলেন।