নিজস্ব প্রতিবেদক :
সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৫৭ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।
রোববার (২৭ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অধিদফতরের প্রতিবেদন বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭১২ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ৯৩ জন এবং সন্দেহজনক হামে ৬১৯ জন মারা শিশু মারা গেছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তদের মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগী ১১৬ জন এবং হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৪১ জন। এই সময়ে ৮৮৯ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৬৫ জন।
১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৯ হাজার ২০৭, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৭১০। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৮২ হাজার ৮৪৪ রোগী, যাদের মধ্যে ৭৯ হাজার ১৫২ জন ছাড়পত্র পেয়ে বাড়ি ফিরেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য মতে, হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার ১০ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে সাধারণত এর লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়।
এ রোগের প্রধান উপসর্গগুলো হলো- অতিরিক্ত জ্বর, সর্দি ও কাশি, চোখ লাল হয়ে যাওয়া (কনজাংটিভাইটিস), মুখের ভেতরে সাদা দাগ (কপলিক স্পটস), শরীর ও মুখমণ্ডলে লাল ফুসকুড়ি বা র্যাশ ওঠা।
হামের কারণে শিশুদের মারাত্মক ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, কানে সংক্রমণ এমনকি মস্তিষ্কে প্রদাহের মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে। বেশিরভাগ মৃত্যুর ঘটনা মূলত এ কারণেই ঘটে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 





















