স্থানীয় নির্বাচনের আগে কিছু রিহার্সাল করবো : ইসি সচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ বলেন, স্থানীয় নির্বাচনকে সুন্দর ও অর্থবহ করার জন্য আমরা কিছু রিহার্সাল করবো। মক ভোটিং করবো।

রোববার (২১ জুন) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের ভবনে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আখতার আহমেদ বলেন, আমরা কিছু মক রিহার্সাল করবো। এবার মক ভোটিং করবো, যাতে নির্বাচনটা আরো সুন্দর ও অর্থবহ হয়। এরপর হচ্ছে ডেপ্লয়মেন্ট প্ল্যান। এই প্ল্যানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বা তারা কে কোথায় কীভাবে ডেপ্লয়েড হবেন, সেটা থাকবে। এরপর সেই অনুযায়ী বাজেটিং হবে।

তিনি বলেন, একটা নির্বাচন করতে গেলে যেসব উপাত্ত লাগে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ইসির কাছে আছে। একটা ভোটার তালিকা আছে, ভোটকেন্দ্র আছে, নির্বাচনী সামগ্রী আছে। নির্বাচনে প্রার্থীরা থাকবেন। আর যেটা লাগবে সেটা হচ্ছে যে প্রশিক্ষণ।

নির্বাচনের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে ইসি সচিব বলেন, একটা নির্বাচন করতে গেলে যে সব উপাত্ত লাগে, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ইসির কাছে আছে। একটা ভোটার তালিকা আছে, ভোটকেন্দ্র আছে, নির্বাচনি সামগ্রী আছে, নির্বাচনে প্রার্থীরা থাকবেন। আর যেটা লাগবে সেটা হচ্ছে যে প্রশিক্ষণ। ভোট গ্রহণের প্রশিক্ষণগুলো নির্বাচনের শিডিউলিংয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। যখন তফসিল হবে, তখন আমরা পর্যাক্রমিকভাবে এই প্রশিক্ষণগুলো করতে পারব। আমরা মূলত কিছু মাস্টার ট্রেনিং করাব। তারপর মাস্টার ট্রেনাররা বিভিন্ন পর্যায়ে গিয়ে ট্রেনিং করাবেন।

তিনি বলেন, আমরা কিছু মক রিহার্সেলও করব। এবার মকভোটিং করব যাতে নির্বাচনটা আরও সুন্দর এবং অর্থবহ হয়। এরপরে হচ্ছে ডেপ্লয়মেন্ট প্ল্যান। এই প্ল্যানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বা তারা কে কোথায় কিভাবে ডেপ্লয়েড হবেন। এরপর সেই অনুযায়ী বাজেটিং হবে।

আখতার আহমেদ বলেন, এই কাজগুলোর কিছু কাজ আমাদের তৈরি করা আছে। আর কিছু কাজগুলো সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নির্ধারিত হয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পর্কে প্রস্তুতির কথা যদি বলি—আচরণ বিধিমালা নিয়ে কাজ চলছে। দু-একটি জায়গা থেকে মতামত পাওয়া গেছে। কম্পারেটিভ ওয়ার্কশিট করে আমরা নিজেরা বসব, এরপর কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। এরপর আছে পরিচালনা বিধিমালা।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কোনো অ্যাকশন প্ল্যান কি রেডি করেছেন কি না- জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করা খুব বেশি সময় লাগে না। আমাদের কাজের লিস্টিং করা থাকে। তারিখ চূড়ান্ত হলে আমরা সেই অনুযায়ী রোডম্যাপ তৈরি করব।

তিনি বলেন, নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা আছে, ভোটকেন্দ্র আছে, ভোট করার সামগ্রী (বাক্স, অমোচনীয় কালি) আছে। প্রশিক্ষণের জন্য আমাদের ক্যাসকেডিং মডেলে টিওটি (ট্রেইনিং অফ ট্রেইনার্স) করা হবে। এরপর বাজেট ও ডিপ্লয়মেন্ট প্ল্যান। এগুলো সব নির্ভর করছে কোন সময় আমরা ভোট করছি তার ওপর।

আখতার আহমেদ বলেন, ভোট গ্রহণের প্রশিক্ষণগুলো নির্বাচনের শিডিউলিংয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। যখন তফসিল হবে, তখন আমরা পর্যায়ক্রমিকভাবে এই প্রশিক্ষণগুলো করতে পারবো। আমরা মূলত কিছু মাস্টার ট্রেন করবো। মাস্টার ট্রেনাররা তারপর বিভিন্ন পর্যায়ে গিয়ে ট্রেনিং করবেন। কিছু কাজ আমাদের তৈরি করা আছে। আর কিছু কাজ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নির্ধারিত হয়ে যাবে।

ইসি সচিব বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পর্কে প্রস্তুতির কথা যদি বলি, আচরণ বিধিমালা নিয়ে কাজ চলছে। দু’একটি জায়গা থেকে মতামত পাওয়া গেছে। কম্পারেটিভ ওয়ার্কশিট করে আমরা নিজেরা বসবো, এরপর কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। এরপর আছে পরিচালনা বিধিমালা।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করতে খুব বেশি সময় লাগে না। আমাদের কাজের লিস্টিং করা থাকে। তারিখ চূড়ান্ত হলে আমরা সেই অনুযায়ী রোডম্যাপ তৈরি করবো।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

স্থানীয় নির্বাচনের আগে কিছু রিহার্সাল করবো : ইসি সচিব

প্রকাশের সময় : ০৬:০২:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ বলেন, স্থানীয় নির্বাচনকে সুন্দর ও অর্থবহ করার জন্য আমরা কিছু রিহার্সাল করবো। মক ভোটিং করবো।

রোববার (২১ জুন) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের ভবনে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আখতার আহমেদ বলেন, আমরা কিছু মক রিহার্সাল করবো। এবার মক ভোটিং করবো, যাতে নির্বাচনটা আরো সুন্দর ও অর্থবহ হয়। এরপর হচ্ছে ডেপ্লয়মেন্ট প্ল্যান। এই প্ল্যানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বা তারা কে কোথায় কীভাবে ডেপ্লয়েড হবেন, সেটা থাকবে। এরপর সেই অনুযায়ী বাজেটিং হবে।

তিনি বলেন, একটা নির্বাচন করতে গেলে যেসব উপাত্ত লাগে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ইসির কাছে আছে। একটা ভোটার তালিকা আছে, ভোটকেন্দ্র আছে, নির্বাচনী সামগ্রী আছে। নির্বাচনে প্রার্থীরা থাকবেন। আর যেটা লাগবে সেটা হচ্ছে যে প্রশিক্ষণ।

নির্বাচনের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে ইসি সচিব বলেন, একটা নির্বাচন করতে গেলে যে সব উপাত্ত লাগে, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ইসির কাছে আছে। একটা ভোটার তালিকা আছে, ভোটকেন্দ্র আছে, নির্বাচনি সামগ্রী আছে, নির্বাচনে প্রার্থীরা থাকবেন। আর যেটা লাগবে সেটা হচ্ছে যে প্রশিক্ষণ। ভোট গ্রহণের প্রশিক্ষণগুলো নির্বাচনের শিডিউলিংয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। যখন তফসিল হবে, তখন আমরা পর্যাক্রমিকভাবে এই প্রশিক্ষণগুলো করতে পারব। আমরা মূলত কিছু মাস্টার ট্রেনিং করাব। তারপর মাস্টার ট্রেনাররা বিভিন্ন পর্যায়ে গিয়ে ট্রেনিং করাবেন।

তিনি বলেন, আমরা কিছু মক রিহার্সেলও করব। এবার মকভোটিং করব যাতে নির্বাচনটা আরও সুন্দর এবং অর্থবহ হয়। এরপরে হচ্ছে ডেপ্লয়মেন্ট প্ল্যান। এই প্ল্যানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বা তারা কে কোথায় কিভাবে ডেপ্লয়েড হবেন। এরপর সেই অনুযায়ী বাজেটিং হবে।

আখতার আহমেদ বলেন, এই কাজগুলোর কিছু কাজ আমাদের তৈরি করা আছে। আর কিছু কাজগুলো সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নির্ধারিত হয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পর্কে প্রস্তুতির কথা যদি বলি—আচরণ বিধিমালা নিয়ে কাজ চলছে। দু-একটি জায়গা থেকে মতামত পাওয়া গেছে। কম্পারেটিভ ওয়ার্কশিট করে আমরা নিজেরা বসব, এরপর কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। এরপর আছে পরিচালনা বিধিমালা।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কোনো অ্যাকশন প্ল্যান কি রেডি করেছেন কি না- জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করা খুব বেশি সময় লাগে না। আমাদের কাজের লিস্টিং করা থাকে। তারিখ চূড়ান্ত হলে আমরা সেই অনুযায়ী রোডম্যাপ তৈরি করব।

তিনি বলেন, নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা আছে, ভোটকেন্দ্র আছে, ভোট করার সামগ্রী (বাক্স, অমোচনীয় কালি) আছে। প্রশিক্ষণের জন্য আমাদের ক্যাসকেডিং মডেলে টিওটি (ট্রেইনিং অফ ট্রেইনার্স) করা হবে। এরপর বাজেট ও ডিপ্লয়মেন্ট প্ল্যান। এগুলো সব নির্ভর করছে কোন সময় আমরা ভোট করছি তার ওপর।

আখতার আহমেদ বলেন, ভোট গ্রহণের প্রশিক্ষণগুলো নির্বাচনের শিডিউলিংয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। যখন তফসিল হবে, তখন আমরা পর্যায়ক্রমিকভাবে এই প্রশিক্ষণগুলো করতে পারবো। আমরা মূলত কিছু মাস্টার ট্রেন করবো। মাস্টার ট্রেনাররা তারপর বিভিন্ন পর্যায়ে গিয়ে ট্রেনিং করবেন। কিছু কাজ আমাদের তৈরি করা আছে। আর কিছু কাজ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নির্ধারিত হয়ে যাবে।

ইসি সচিব বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পর্কে প্রস্তুতির কথা যদি বলি, আচরণ বিধিমালা নিয়ে কাজ চলছে। দু’একটি জায়গা থেকে মতামত পাওয়া গেছে। কম্পারেটিভ ওয়ার্কশিট করে আমরা নিজেরা বসবো, এরপর কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। এরপর আছে পরিচালনা বিধিমালা।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করতে খুব বেশি সময় লাগে না। আমাদের কাজের লিস্টিং করা থাকে। তারিখ চূড়ান্ত হলে আমরা সেই অনুযায়ী রোডম্যাপ তৈরি করবো।