Dhaka মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানে স্বচ্ছতার অভাবে সড়কে দুর্ঘটনা কমছে না : বিআরটিএ চেয়ারম্যান

সিলেট জেলা প্রতিনিধি : 

অদক্ষ চালক, ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার অভাব এবং ক্লান্তিহীন চালকের কারণে সড়কে দুর্ঘটনা কমানো যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)-এর চেয়ারম্যান আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে সিলেট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে বিআরটিএ ট্রাস্ট বোর্ড মঞ্জুরিকৃত সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান বলেন, পুরাতন গাড়ি ভেঙে ফেলার পলিসি পাস করা হয়েছে। শিগগিরই তা বাস্তবায়ন করা হবে। ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ নিতে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, সড়কে এক ধরনের প্রতিযোগিতা চলে, কে কার আগে যাবে। অথচ একজন চালক সর্বোচ্চ পাঁচ ঘণ্টা গাড়ি চালানোর পর বিশ্রাম নেওয়ার কথা। কিন্তু অনেক চালক তা মানেন না। তারা ভুলে যান, স্টিয়ারিংয়ে বসার সঙ্গে সঙ্গে একাধিক মানুষের জীবন তাদের হাতে ন্যস্ত থাকে।

ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণে দীর্ঘসূত্রিতার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কোনো ক্ষতিগ্রস্তের চেক আটকে রাখা হয়নি। বরং ৩০ দিনের মধ্যেই চাঁদপুরে চেক বিতরণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিআরটিএ’র পরিচালক (অডিট ও আইন) রুবাইয়াৎ-ই-আশিক। সভাপতিত্ব করেন সিলেট জেলা প্রশাসনের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম।

এ সময় বিআরটিএ সিলেট বিভাগের পরিচালক মাসুদ আলম, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতারা বক্তব্য রাখেন। উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ সিলেট সার্কেলের সহকারী পরিচালক মো. খালিদ মাহমুদসহ সংশ্লিষ্টরা। অনুষ্ঠানে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার ক্ষতিগ্রস্ত ৯৪ জনের মধ্যে মোট ৩ কোটি ২ লাখ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়।

আবহাওয়া

ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানে স্বচ্ছতার অভাবে সড়কে দুর্ঘটনা কমছে না : বিআরটিএ চেয়ারম্যান

প্রকাশের সময় : ০৮:১৬:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সিলেট জেলা প্রতিনিধি : 

অদক্ষ চালক, ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার অভাব এবং ক্লান্তিহীন চালকের কারণে সড়কে দুর্ঘটনা কমানো যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)-এর চেয়ারম্যান আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে সিলেট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে বিআরটিএ ট্রাস্ট বোর্ড মঞ্জুরিকৃত সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান বলেন, পুরাতন গাড়ি ভেঙে ফেলার পলিসি পাস করা হয়েছে। শিগগিরই তা বাস্তবায়ন করা হবে। ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ নিতে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, সড়কে এক ধরনের প্রতিযোগিতা চলে, কে কার আগে যাবে। অথচ একজন চালক সর্বোচ্চ পাঁচ ঘণ্টা গাড়ি চালানোর পর বিশ্রাম নেওয়ার কথা। কিন্তু অনেক চালক তা মানেন না। তারা ভুলে যান, স্টিয়ারিংয়ে বসার সঙ্গে সঙ্গে একাধিক মানুষের জীবন তাদের হাতে ন্যস্ত থাকে।

ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণে দীর্ঘসূত্রিতার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কোনো ক্ষতিগ্রস্তের চেক আটকে রাখা হয়নি। বরং ৩০ দিনের মধ্যেই চাঁদপুরে চেক বিতরণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিআরটিএ’র পরিচালক (অডিট ও আইন) রুবাইয়াৎ-ই-আশিক। সভাপতিত্ব করেন সিলেট জেলা প্রশাসনের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম।

এ সময় বিআরটিএ সিলেট বিভাগের পরিচালক মাসুদ আলম, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতারা বক্তব্য রাখেন। উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ সিলেট সার্কেলের সহকারী পরিচালক মো. খালিদ মাহমুদসহ সংশ্লিষ্টরা। অনুষ্ঠানে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার ক্ষতিগ্রস্ত ৯৪ জনের মধ্যে মোট ৩ কোটি ২ লাখ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়।