Dhaka বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চ্যাম্পিয়নস লিগে নাটকীয় হারে শীর্ষ ৮ এ জায়গা হলো না রিয়ালের

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ১২:৩৫:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২০০ জন দেখেছেন

স্পোর্টস ডেস্ক : 

জিতলেই নিশ্চিত হতো শীর্ষ ৮ এ থেকে শেষ ১৬ নিশ্চিত করা। তবে পয়েন্ট তালিকার নিচের দিকে থাকা বেনফিকার বিপক্ষে সেই কাজটাই করতে পারল না টুর্নামেন্টের ইতিহাসের সবচেয়ে সফল দলটি। অন্তিম মুহূর্তে গোল হজম করে বেনফিকার কাছে ৪-২ ব্যবধানে হেরে শীর্ষ ৮ এ জায়গা হলো না রিয়াল মাদ্রিদের। শেষ ১৬তে যাওয়ার লড়াইয়ে প্লে-অফ খেলতে হবে তাদের।

১২ বছর আগে এই মাঠেই স্বপ্নের ‘লা দেসিমা’ (চ্যাম্পিয়ন্স লিগের দশম ট্রফি) জয় করেছিল রেয়াল। সেখানেই এবার বিব্রতকর হারের স্বাদ পেল তারা। আর এই পরাজয়ে লিগ টেবিলে সেরা আটের বাইরেও চলে গেল দলটি। শেষ ষোলোয় খেলতে এখন তাদের খেলতে হবে প্লে-অফ। গতবারও প্লে-অফ খেলেছি তারা।

মাঠে প্রায় পুরোটা সময়ই দ্বিতীয় সেরা দল হয়ে থাকা রিয়ালের দুজন যোগ করা সময়ে লাল কার্ড দেখেন; রাউল আসেন্সিও ও রদ্রিগো।

বেনফিকার মাঠে পুরো সময়টাতেই রিয়ালের চেয়ে এগিয়ে ছিল স্বাগতিকরা। বল দখলে অনেকটাই পিছিয়ে থাকা বেনফিকা আক্রমণে আধিপত্য দেখিয়েছে দারুণভাবেই। তাদের ২২ শটের ১২টি ছিল লক্ষ্যে। আর রিয়াল ১৬ শট নিয়ে ৬টি লক্ষ্যে রাখতে পারে।

তৃতীয় পরাজয়ের পর ১৫ পয়েন্ট নিয়ে নবম স্থানে নেমে গেছে রিয়াল। অন্যদিকে ম্যাচের সবচেয়ে আকর্ষণীয় গল্পটা যেন লিখলেন বেনফিকার গোলকিপার আনাতোলি ত্রুবিন। শেষ মুহূর্তে তার সফল হেডেই ব্যবধান বড় করে ২৪তম স্থানে জায়গা করে নিল পর্তুগিজ ক্লাবটি। আট ম্যাচে তিন জয়ে তাদের পয়েন্ট ৯। তাদের নিচের আরও তিনটি দলের পয়েন্টও সমান ৯ করে; কিন্তু গোল ব্যবধানে এগিয়ে বেনফিকা।

প্রথমার্ধে একদমই নিজেদের মতো করে খেলতে পারেনি রিয়াল। সেই সুযোগে শুরু থেকেই তাদের রক্ষণে বারবার ভীতি ছড়ায় বেনফিকা। ত্রয়োদশ মিনিটে ডি-বক্সে গোলরক্ষককে একা পেয়ে যান স্বাগতিক ফরোয়ার্ড ভানজেলিস পাভলিদিস; কিন্তু সতীর্থের পাস ঠিকমতো ধরতেই পারেননি তিনি। পরের মিনিটে আবার রিয়ালের ডি-বক্সে ঢুকে পড়ে বেনফিকা। দলটির তরুণ ফরোয়ার্ড জানলুকা প্রেসতিয়ান্নি প্রতিপক্ষের ট্যাকলে পড়ে গেলে পেনাল্টির আবেদনও ওঠে; তবে ভিএআর মনিটরে দেখে সাড়া দেননি রেফারি।

থিবো কোর্তোয়ার অসাধারণ এক সেভ ২১তম মিনিটে বাঁচিয়ে দেয় রিয়ালকে। ডি-বক্সের বাইরে থেকে জোরাল শট নেন প্রেসতিয়ান্নি, ঝাঁপিয়ে কোনোমতে বলে হাত ছোঁয়ান বেলজিয়ান গোলরক্ষক, বল ক্রসবারে লেগে বাইরে যায়।

একের পর এক আক্রমণ শাণাতে থাকে বেনফিকা। ঘর সামলাতে ব্যস্ত সময় কাটছিল সফরকারীদের। এর মাঝে পাল্টা আক্রমণে ২৬তম মিনিটে দূর থেকে চেষ্টা করেন আর্দা গিলের, বল পোস্টের একটু দূর দিয়ে বাইরে যায়।

Wahnsinn in Lissabon: Torhüter köpft Benfica weiter

এরপরই গোল পেয়ে যায় টুর্নামেন্টের ১৫ বারের চ্যাম্পিয়নরা। ৩০তম মিনিটে রাউল আসেন্সিওর ক্রসে সফল হেডে দলকে এগিয়ে নেন এমবাপে। লক্ষ্যে এটাই ছিল তাদের প্রথম প্রচেষ্টা।

এগিয়ে যাওয়ার আনন্দ যদিও স্থায়ী হয়নি তাদের। গোল হজমের ছয় মিনিট পরই সমতা টানে বেনফিকা। ডান দিক থেকে সতীর্থের ক্রস ফাঁকায় পেয়ে জোরাল হেডে গোলটি করেন নরওয়ের তরুণ ফরোয়ার্ড আন্দ্রেয়াস শেলদ্রোপ।

বেনফিকার আক্রমণের ঝড় চলতেই থাকে আর পোস্টে ব্যস্ত সময় কাটে কোর্তোয়ার।

৩৯তম মিনিটে আরেকটি আক্রমণ রুখতে তিনি বাঁ দিকে সরে যান, সেই সময় আরেকদিকে বল পেয়ে শট নেন ফ্রেদরিক, পা বাড়িয়ে ঠেকিয়ে রিয়ালকে সমতায় রাখেন ভালভের্দে। পরের মিনিটেই কর্নারে লেয়ান্দ্রো বারেইরোর হেড পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে গেলে হাফ ছাড়ে কোর্তোয়া ও তার সতীর্থরা।

বিরতির আগের যোগ করা সময়ে ডি-বক্সে নিকোলাস ওতামেন্দিকে রেয়ালের অহেলিয়া চুয়ামেনি ফেলে দিলে পেনাল্টি পায় বেনফিকা। এবং প্রায় সোজাসুজি স্পট কিকে দলকে এগিয়ে নেন গ্রিক ফরোয়ার্ড পাভলিদিস।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও একইভাবে ভুগতে দেখা যায় রেয়ালকে এবং ৫৪তম মিনিটে আরও পিছিয়ে পড়ে তারা। ডি-বক্সে একজনকে কাটিয়ে কাছের পোস্ট ঘেঁষে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন শেলদ্রোপ।

এই দফায় অবশ্য পাল্টা জবাব দিতে দেরি করেনি রিয়াল। ডান দিক থেকে গিলেরের পাস ডি-বক্সে ফাঁকায় পেয়ে নিচু শটে ব্যবধান কমান এমবাপে।

সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এই নিয়ে টানা তিন ম্যাচে জোড়া গোল করলেন ফরাসি তারকা। এবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ গোলদাতা এমবাপের গোল হলো ১৩টি। চলতি মৌসুমে সব মিলিয়ে তার গোল সংখ্যা ৩৬টি, ২৯ ম্যাচে।

মাস্তানতুয়োনোর বদলি নামা রদ্রিগোর ৭৮তম মিনিটের শট ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন বেনফিকা গোলরক্ষক। নির্ধারিত সময়ের দুই মিনিট বাকি থাকতে গোলমুখে এমবাপের প্রচেষ্টাও আটকে দেন গোলরক্ষক।

রিয়ালের আক্রমণে কিছুটা ধার বাড়লেও কাজের কাজ আর কিছুই করতে পারেনি তারা। উল্টো ওই মেষ দিকে দুই লাল কার্ডের ঘটনায় আরও কোণঠাসা হয়ে পড়ে তারা।

আর সেই সুযোগটাই দারুণভাবে কাজে লাগায় বেনফিকা। টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে এদিন শুধু জিতলেই হতো না তাদের, অন্য ফল পক্ষে আসতে হতো। সেই কাজটা করতে শেষ সময়ে আরেকটা গোলের খুব প্রয়োজন ছিল দলটির।

অন্তিম সময়ে ফ্রি কিক পেলে নিজের পোস্ট ছেড়ে আক্রমণে উঠে আসেন ইউক্রেইনের গোলকিপার ত্রবিন, উড়ে আসা বল পেয়েও যান তিনি এবং ঠাণ্ডা মাথায় নিখুঁত হেডে দল ও সমর্থকদের উৎসবের উপলক্ষ এনে দেন ত্রুবিন।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

ঢাকা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী রবিনের নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা

চ্যাম্পিয়নস লিগে নাটকীয় হারে শীর্ষ ৮ এ জায়গা হলো না রিয়ালের

প্রকাশের সময় : ১২:৩৫:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক : 

জিতলেই নিশ্চিত হতো শীর্ষ ৮ এ থেকে শেষ ১৬ নিশ্চিত করা। তবে পয়েন্ট তালিকার নিচের দিকে থাকা বেনফিকার বিপক্ষে সেই কাজটাই করতে পারল না টুর্নামেন্টের ইতিহাসের সবচেয়ে সফল দলটি। অন্তিম মুহূর্তে গোল হজম করে বেনফিকার কাছে ৪-২ ব্যবধানে হেরে শীর্ষ ৮ এ জায়গা হলো না রিয়াল মাদ্রিদের। শেষ ১৬তে যাওয়ার লড়াইয়ে প্লে-অফ খেলতে হবে তাদের।

১২ বছর আগে এই মাঠেই স্বপ্নের ‘লা দেসিমা’ (চ্যাম্পিয়ন্স লিগের দশম ট্রফি) জয় করেছিল রেয়াল। সেখানেই এবার বিব্রতকর হারের স্বাদ পেল তারা। আর এই পরাজয়ে লিগ টেবিলে সেরা আটের বাইরেও চলে গেল দলটি। শেষ ষোলোয় খেলতে এখন তাদের খেলতে হবে প্লে-অফ। গতবারও প্লে-অফ খেলেছি তারা।

মাঠে প্রায় পুরোটা সময়ই দ্বিতীয় সেরা দল হয়ে থাকা রিয়ালের দুজন যোগ করা সময়ে লাল কার্ড দেখেন; রাউল আসেন্সিও ও রদ্রিগো।

বেনফিকার মাঠে পুরো সময়টাতেই রিয়ালের চেয়ে এগিয়ে ছিল স্বাগতিকরা। বল দখলে অনেকটাই পিছিয়ে থাকা বেনফিকা আক্রমণে আধিপত্য দেখিয়েছে দারুণভাবেই। তাদের ২২ শটের ১২টি ছিল লক্ষ্যে। আর রিয়াল ১৬ শট নিয়ে ৬টি লক্ষ্যে রাখতে পারে।

তৃতীয় পরাজয়ের পর ১৫ পয়েন্ট নিয়ে নবম স্থানে নেমে গেছে রিয়াল। অন্যদিকে ম্যাচের সবচেয়ে আকর্ষণীয় গল্পটা যেন লিখলেন বেনফিকার গোলকিপার আনাতোলি ত্রুবিন। শেষ মুহূর্তে তার সফল হেডেই ব্যবধান বড় করে ২৪তম স্থানে জায়গা করে নিল পর্তুগিজ ক্লাবটি। আট ম্যাচে তিন জয়ে তাদের পয়েন্ট ৯। তাদের নিচের আরও তিনটি দলের পয়েন্টও সমান ৯ করে; কিন্তু গোল ব্যবধানে এগিয়ে বেনফিকা।

প্রথমার্ধে একদমই নিজেদের মতো করে খেলতে পারেনি রিয়াল। সেই সুযোগে শুরু থেকেই তাদের রক্ষণে বারবার ভীতি ছড়ায় বেনফিকা। ত্রয়োদশ মিনিটে ডি-বক্সে গোলরক্ষককে একা পেয়ে যান স্বাগতিক ফরোয়ার্ড ভানজেলিস পাভলিদিস; কিন্তু সতীর্থের পাস ঠিকমতো ধরতেই পারেননি তিনি। পরের মিনিটে আবার রিয়ালের ডি-বক্সে ঢুকে পড়ে বেনফিকা। দলটির তরুণ ফরোয়ার্ড জানলুকা প্রেসতিয়ান্নি প্রতিপক্ষের ট্যাকলে পড়ে গেলে পেনাল্টির আবেদনও ওঠে; তবে ভিএআর মনিটরে দেখে সাড়া দেননি রেফারি।

থিবো কোর্তোয়ার অসাধারণ এক সেভ ২১তম মিনিটে বাঁচিয়ে দেয় রিয়ালকে। ডি-বক্সের বাইরে থেকে জোরাল শট নেন প্রেসতিয়ান্নি, ঝাঁপিয়ে কোনোমতে বলে হাত ছোঁয়ান বেলজিয়ান গোলরক্ষক, বল ক্রসবারে লেগে বাইরে যায়।

একের পর এক আক্রমণ শাণাতে থাকে বেনফিকা। ঘর সামলাতে ব্যস্ত সময় কাটছিল সফরকারীদের। এর মাঝে পাল্টা আক্রমণে ২৬তম মিনিটে দূর থেকে চেষ্টা করেন আর্দা গিলের, বল পোস্টের একটু দূর দিয়ে বাইরে যায়।

Wahnsinn in Lissabon: Torhüter köpft Benfica weiter

এরপরই গোল পেয়ে যায় টুর্নামেন্টের ১৫ বারের চ্যাম্পিয়নরা। ৩০তম মিনিটে রাউল আসেন্সিওর ক্রসে সফল হেডে দলকে এগিয়ে নেন এমবাপে। লক্ষ্যে এটাই ছিল তাদের প্রথম প্রচেষ্টা।

এগিয়ে যাওয়ার আনন্দ যদিও স্থায়ী হয়নি তাদের। গোল হজমের ছয় মিনিট পরই সমতা টানে বেনফিকা। ডান দিক থেকে সতীর্থের ক্রস ফাঁকায় পেয়ে জোরাল হেডে গোলটি করেন নরওয়ের তরুণ ফরোয়ার্ড আন্দ্রেয়াস শেলদ্রোপ।

বেনফিকার আক্রমণের ঝড় চলতেই থাকে আর পোস্টে ব্যস্ত সময় কাটে কোর্তোয়ার।

৩৯তম মিনিটে আরেকটি আক্রমণ রুখতে তিনি বাঁ দিকে সরে যান, সেই সময় আরেকদিকে বল পেয়ে শট নেন ফ্রেদরিক, পা বাড়িয়ে ঠেকিয়ে রিয়ালকে সমতায় রাখেন ভালভের্দে। পরের মিনিটেই কর্নারে লেয়ান্দ্রো বারেইরোর হেড পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে গেলে হাফ ছাড়ে কোর্তোয়া ও তার সতীর্থরা।

বিরতির আগের যোগ করা সময়ে ডি-বক্সে নিকোলাস ওতামেন্দিকে রেয়ালের অহেলিয়া চুয়ামেনি ফেলে দিলে পেনাল্টি পায় বেনফিকা। এবং প্রায় সোজাসুজি স্পট কিকে দলকে এগিয়ে নেন গ্রিক ফরোয়ার্ড পাভলিদিস।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও একইভাবে ভুগতে দেখা যায় রেয়ালকে এবং ৫৪তম মিনিটে আরও পিছিয়ে পড়ে তারা। ডি-বক্সে একজনকে কাটিয়ে কাছের পোস্ট ঘেঁষে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন শেলদ্রোপ।

এই দফায় অবশ্য পাল্টা জবাব দিতে দেরি করেনি রিয়াল। ডান দিক থেকে গিলেরের পাস ডি-বক্সে ফাঁকায় পেয়ে নিচু শটে ব্যবধান কমান এমবাপে।

সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এই নিয়ে টানা তিন ম্যাচে জোড়া গোল করলেন ফরাসি তারকা। এবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ গোলদাতা এমবাপের গোল হলো ১৩টি। চলতি মৌসুমে সব মিলিয়ে তার গোল সংখ্যা ৩৬টি, ২৯ ম্যাচে।

মাস্তানতুয়োনোর বদলি নামা রদ্রিগোর ৭৮তম মিনিটের শট ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন বেনফিকা গোলরক্ষক। নির্ধারিত সময়ের দুই মিনিট বাকি থাকতে গোলমুখে এমবাপের প্রচেষ্টাও আটকে দেন গোলরক্ষক।

রিয়ালের আক্রমণে কিছুটা ধার বাড়লেও কাজের কাজ আর কিছুই করতে পারেনি তারা। উল্টো ওই মেষ দিকে দুই লাল কার্ডের ঘটনায় আরও কোণঠাসা হয়ে পড়ে তারা।

আর সেই সুযোগটাই দারুণভাবে কাজে লাগায় বেনফিকা। টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে এদিন শুধু জিতলেই হতো না তাদের, অন্য ফল পক্ষে আসতে হতো। সেই কাজটা করতে শেষ সময়ে আরেকটা গোলের খুব প্রয়োজন ছিল দলটির।

অন্তিম সময়ে ফ্রি কিক পেলে নিজের পোস্ট ছেড়ে আক্রমণে উঠে আসেন ইউক্রেইনের গোলকিপার ত্রবিন, উড়ে আসা বল পেয়েও যান তিনি এবং ঠাণ্ডা মাথায় নিখুঁত হেডে দল ও সমর্থকদের উৎসবের উপলক্ষ এনে দেন ত্রুবিন।