Dhaka মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চার দশকের ক্যারিয়ারে বিরতি, কণ্ঠ হারিয়ে নীরব অলকা ইয়াগনিক

  • বিনোদন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৬:১৯:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • ২০১ জন দেখেছেন

বিনোদন ডেস্ক : 

চার দশকেরও বেশি সময় ধরে অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার দেওয়া অলকা ইয়াগনিক এখন কঠিন এক স্বাস্থ্যসংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়ানোই যেখানে ছিল তার নিত্যদিনের কাজ, সেখানে বর্তমানে নতুন কোনো গানের প্রস্তাবে সাড়া দিতে পারছেন না তিনি।

চলতি বছর ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মভূষণ পেয়েছেন অলকা। এ খবর প্রকাশ্যে আসার পর তার অসুস্থতার প্রসঙ্গ নতুন করে সামনে আসে। সম্প্রতি এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অলকা ইয়াগনিক বলেন, “আমি এখনো এ রোগে ভুগছি।” অলকা তার শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে আর কিছু বলেননি। তবে পুরস্কারের জন্য ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানান এই শিল্পী।

বলিউডের খ্যাতনামা গায়িকা অলকা ইয়াগনিকের শ্রবণ শক্তি হ্রাস পেয়েছে। ২০২৪ সালের জুন মাসের মাঝামাঝি সময়ে বিরল এই রোগের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন এই শিল্পী। ইনস্টাগ্রামে পোস্টে তিনি জানান, বিরল ভাইরাস আক্রমণ করেছে গায়িকাকে। যার কারণে তার বিরল সংবেদনশীল স্নায়ু শ্রবণশক্তি হ্রাস পেয়েছে।

ইনস্টাগ্রামে অলকা লিখেছিলেন, আমার সব ভক্ত, বন্ধু, অনুরাগী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশ্যে বলছি, কয়েক সপ্তাহ আগে, আমি যখন একটি ফ্লাইট থেকে নামছিলাম, তখন হঠাৎ অনুভব করলাম- আমি কিছুই শুনতে পাচ্ছি না। এই পর্বের কয়েক সপ্তাহ পর, আমি এখন আমার সমস্ত বন্ধু এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের জন্য এই পোস্ট। যারা জানতে চান কেন আমি অনুপস্থিত।

বিরল রোগের বিষয়ে অলকা ইয়াগনিক লিখেছিলেন, ভাইরাল আক্রমণের কারণে এটি একটি বিরল সংবেদনশীল স্নায়ুর সমস্যা। যার কারণে শ্রবণশক্তি হ্রাস পেয়েছে। এই আকস্মিক, বড় ধাক্কা আমার অজান্তেই শরীরে গ্রাস করেছে। আমি এটির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। দয়া করে আপনারা আমার জন্য প্রার্থনা করবেন।

ভাইরাস আক্রান্তের পর কেটে গেছে দুই বছর। এখন কেমন আছেন গায়িকা? জানার কৌতূহল অনেকের। তবে কোনো সুখবর দেননি অলকা। জানিয়েছেন অবস্থার খুব একটা উন্নতি হয়নি। সেজন্যই ফেরা হয়নি মাইক্রোফোনের সামনে।

তবে এখনও সংগীতের মানুষজন ভোলেননি অলকাকে। এক সাক্ষাৎকারে বলেন, গীতিকার ও সুরকারেরা প্রায়ই আমাকে গান গাওয়ার প্রস্তাব দেন। কিন্তু আমি এখন গাইতে পারছি না।

শ্রবণশক্তি হারানোর খবরে মন ভেঙেছিল সংগীতপ্রেমীদের। এখনও অলকার অভাব বোধ করেন তারা। তাদের কোনো আশার সংবাদ না শোনালেও পরামর্শ দিয়েছেন গায়িকা। শ্রবণশক্তি হ্রাসের সংবাদ দেওয়ার সময় নতুন প্রজন্মকে উচ্চ শব্দ থেকে দূরে থাকার এবং হেডফোন গুঁজে কাজ না করার পরামর্শও দিয়েছিলেন।

আবহাওয়া

চার দশকের ক্যারিয়ারে বিরতি, কণ্ঠ হারিয়ে নীরব অলকা ইয়াগনিক

প্রকাশের সময় : ০৬:১৯:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

বিনোদন ডেস্ক : 

চার দশকেরও বেশি সময় ধরে অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার দেওয়া অলকা ইয়াগনিক এখন কঠিন এক স্বাস্থ্যসংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়ানোই যেখানে ছিল তার নিত্যদিনের কাজ, সেখানে বর্তমানে নতুন কোনো গানের প্রস্তাবে সাড়া দিতে পারছেন না তিনি।

চলতি বছর ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মভূষণ পেয়েছেন অলকা। এ খবর প্রকাশ্যে আসার পর তার অসুস্থতার প্রসঙ্গ নতুন করে সামনে আসে। সম্প্রতি এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অলকা ইয়াগনিক বলেন, “আমি এখনো এ রোগে ভুগছি।” অলকা তার শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে আর কিছু বলেননি। তবে পুরস্কারের জন্য ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানান এই শিল্পী।

বলিউডের খ্যাতনামা গায়িকা অলকা ইয়াগনিকের শ্রবণ শক্তি হ্রাস পেয়েছে। ২০২৪ সালের জুন মাসের মাঝামাঝি সময়ে বিরল এই রোগের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন এই শিল্পী। ইনস্টাগ্রামে পোস্টে তিনি জানান, বিরল ভাইরাস আক্রমণ করেছে গায়িকাকে। যার কারণে তার বিরল সংবেদনশীল স্নায়ু শ্রবণশক্তি হ্রাস পেয়েছে।

ইনস্টাগ্রামে অলকা লিখেছিলেন, আমার সব ভক্ত, বন্ধু, অনুরাগী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশ্যে বলছি, কয়েক সপ্তাহ আগে, আমি যখন একটি ফ্লাইট থেকে নামছিলাম, তখন হঠাৎ অনুভব করলাম- আমি কিছুই শুনতে পাচ্ছি না। এই পর্বের কয়েক সপ্তাহ পর, আমি এখন আমার সমস্ত বন্ধু এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের জন্য এই পোস্ট। যারা জানতে চান কেন আমি অনুপস্থিত।

বিরল রোগের বিষয়ে অলকা ইয়াগনিক লিখেছিলেন, ভাইরাল আক্রমণের কারণে এটি একটি বিরল সংবেদনশীল স্নায়ুর সমস্যা। যার কারণে শ্রবণশক্তি হ্রাস পেয়েছে। এই আকস্মিক, বড় ধাক্কা আমার অজান্তেই শরীরে গ্রাস করেছে। আমি এটির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। দয়া করে আপনারা আমার জন্য প্রার্থনা করবেন।

ভাইরাস আক্রান্তের পর কেটে গেছে দুই বছর। এখন কেমন আছেন গায়িকা? জানার কৌতূহল অনেকের। তবে কোনো সুখবর দেননি অলকা। জানিয়েছেন অবস্থার খুব একটা উন্নতি হয়নি। সেজন্যই ফেরা হয়নি মাইক্রোফোনের সামনে।

তবে এখনও সংগীতের মানুষজন ভোলেননি অলকাকে। এক সাক্ষাৎকারে বলেন, গীতিকার ও সুরকারেরা প্রায়ই আমাকে গান গাওয়ার প্রস্তাব দেন। কিন্তু আমি এখন গাইতে পারছি না।

শ্রবণশক্তি হারানোর খবরে মন ভেঙেছিল সংগীতপ্রেমীদের। এখনও অলকার অভাব বোধ করেন তারা। তাদের কোনো আশার সংবাদ না শোনালেও পরামর্শ দিয়েছেন গায়িকা। শ্রবণশক্তি হ্রাসের সংবাদ দেওয়ার সময় নতুন প্রজন্মকে উচ্চ শব্দ থেকে দূরে থাকার এবং হেডফোন গুঁজে কাজ না করার পরামর্শও দিয়েছিলেন।