নিজস্ব প্রতিবেদক :
কৃষি ও কৃষকরাই আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি বলে মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, নির্বাচিত সরকার কৃষি ও কৃষককে দেশের অর্থনীতির মূল কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) আয়োজিত শোভাযাত্রাসহ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার এসএএম মাহফুজুর রহমান।আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু ও মো. সুজাউদ্দৌল্লা সুজন মাহমুদ। ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের সঞ্চালনায় শোভাযাত্রা উদ্বোধনকালে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এবং সারাদেশে পহেলা বৈশাখ উদযাপনের মধ্য দিয়ে যে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তা প্রমাণ করে দেশে একটি মুক্ত পরিবেশ বিরাজ করছে। আমি সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানাই এবং দোয়া ও সহযোগিতা চাই। নতুন বছরে আমরা এই সাংস্কৃতিক পরিবেশ যেন অব্যাহত রাখতে পারি দেশের সমৃদ্ধির স্বার্থে।
তিনি বলেন, মোগল সম্রাটদের প্রবর্তিত বাংলা সনের ঐতিহ্যের সঙ্গে মিল রেখে সরকার এই বছর পহেলা বৈশাখকে ‘কৃষক কার্ড’ বণ্টনের উদ্বোধনী দিন হিসেবে বেছে নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আজ টাঙ্গাইলে আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন। আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো অর্থনীতি পুনর্গঠন করে দেশকে নিজের পায়ে দাঁড় করানো। আর সেই লক্ষ্যেই আমাদের স্লোগান— ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। নববর্ষ উদযাপনকে তিনি গণতন্ত্র চর্চার স্বাভাবিক পরিবেশের প্রতিফলন হিসেবে অভিহিত করেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, সারাদেশব্যাপী পহেলা বৈশাখ উদযাপনের উৎসবমুখর পরিবেশ প্রমাণ করে দেশে একটি মুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এতে গণতন্ত্র চর্চার একটি প্রকৃত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার নববর্ষের এই দিনে কৃষক কার্ড বিতরণের শুভ সূচনা করেছে। প্রধানমন্ত্রী আজ টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করছেন।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বাংলা নববর্ষ আমাদের এই অঞ্চলের অনন্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিফলন। মুঘল আমল থেকেই কৃষকদের ফসল উৎপাদন ও ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত করার মাধ্যমে এ ঐতিহ্যের সূচনা হয়েছে। আমরা আমাদের সংস্কৃতিকে ধারণ করে বলছি-সবার আগে বাংলাদেশ। কৃষি অর্থনীতিই আমাদের মূল ভিত্তি। তাই কৃষি অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতেই সরকার কৃষক কার্ড কার্যক্রম চালু করেছে।
সকাল থেকে ডিআরইউ প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করা হচ্ছে। ‘ছন্দে আনন্দে বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩’ শীর্ষক এই আয়োজন সকাল ১০টায় শুরু হয়ে দিনব্যাপী চলবে। সন্ধ্যা পর্যন্ত বাউল সংগীত, পুতুল নাচ, গাজীর পটগানসহ নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হবে।
ডিআরইউ সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যরা নববর্ষের নানা আয়োজন উপভোগ করছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক 






















