Dhaka শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে বাস মালিক-শ্রমিকসহ সবাই একসঙ্গে কাজ করছে : শিমুল বিশ্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে বাস মালিক-শ্রমিকসহ সবাই একসঙ্গে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বাস মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক শ্রমিক নেতা অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।

শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনালে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন, নিরাপদ, হয়রানি ও চাঁদামুক্ত করার লক্ষ্যে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

দেশের পরিবহন খাতসহ বিভিন্ন সেবামূলক খাতে বিদ্যমান বিশৃঙ্খলা ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি দূর করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের জনগণ যেন নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে এবং সেবা পেতে পারে, সে জন্য পরিবহন সেক্টরসহ সব পর্যায়ে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা জরুরি।

শিমুল বিশ্বাস বলেন, পরিবহন খাতে নানা ধরনের অনিয়ম, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, চাঁদাবাজি এবং যাত্রীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ দীর্ঘদিন ধরে চলমান রয়েছে। এসব কারণে সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। জনগণের স্বার্থ রক্ষায় পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং সব ধরনের অনিয়ম কঠোরভাবে দমন করতে হবে।

তিনি বলেন, শুধু পরিবহন খাত নয়, প্রশাসনিক ও সেবামূলক বিভিন্ন ক্ষেত্রেও শৃঙ্খলার অভাব দেখা যাচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। এসব সমস্যা সমাধানে সরকার, প্রশাসন, পরিবহন মালিক-শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

শ্রমিক দলের সমন্বয়ক বলেন, দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও জনগণের স্বস্তির জন্য একটি সুশৃঙ্খল পরিবহন ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ করা এবং চাঁদাবাজি প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং সব ধরনের বিশৃঙ্খলা দূর করতে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। এতে করে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমবে এবং দেশের সামগ্রিক সেবা ব্যবস্থা আরও কার্যকর হবে।

শিমুল বিশ্বাস বলেন, বাস টার্মিনালে মলম পাটি, ছিনতাই প্রতিরোধ, নারী যাত্রীদের নিরাপত্তা, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধ করার জন্য সার্ব সার্বক্ষণিক ভিজিলেন্স টিম হিসেবে কাজ করছে।

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানী থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ব্যাপক নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ঈদকে কেন্দ্র করে লক্কড়-ঝক্কড় বাস রাস্তায় নামানো নিষিদ্ধ করেছেন ডিএমপি কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. সারওয়ার। তিনি বলেন, লক্কড়-ঝক্কড় বাস রাস্তায় নামালেই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডিএমপি কমিশনার পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের উদ্দেশে বলেন, কোনোভাবেই লক্কড়-ঝক্কড় বাস রাস্তায় নামানো যাবে না। কারণ একটি বাস বিকল হলে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এছাড়া বাসের ছাদে যাত্রী নেওয়া, অতিরিক্ত গতি এবং অসুস্থ চালক দিয়ে গাড়ি চালানো কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, যাত্রীদের সুবিধার জন্য বাস টার্মিনালে হেল্পডেস্ক চালু রাখা হবে এবং সেখানে বাসের ভাড়া তালিকা ও সময়সূচি টানিয়ে রাখতে হবে। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, টিকিট কালোবাজারি বা যাত্রী হয়রানির অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিরাপত্তার বিষয়ে ঈদকে কেন্দ্র করে বাস টার্মিনাল, লঞ্চঘাট ও রেলস্টেশন এলাকায় প্রায় ৮০০ থেকে ৯০০ অতিরিক্ত ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার।

ঈদে লক্কড়-ঝক্কড় বাস নামালেই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার

নিরাপত্তা জোরদারে সাদা পোশাকের পুলিশ, ডিবি, কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট, সোয়াট টিম ও ডগ স্কোয়াডও বিভিন্ন টার্মিনালে দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ঠিক রাখতে আইন প্রয়োগে ম্যাজিস্ট্রেট টিমও মাঠে থাকবে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঈদযাত্রা সহজ করতে সরকার ১৮ মার্চ অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণা করেছে। এতে যাত্রীদের চাপ এক বা দুই দিনে না পড়ে কয়েক দিনে ভাগ হয়ে যাবে। ফলে ১৬ থেকে ২০ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে ১৫ থেকে ২০ লাখ মানুষ ঢাকা ছাড়তে পারবেন, যা পরিবহন ব্যবস্থাপনার জন্য সুবিধাজনক হবে। ঈদের ছুটিতে এক কোটিরও বেশি মানুষ ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় যাবেন, অন্যদিকে প্রায় ২০ থেকে ২৫ লাখ মানুষ ঢাকায় প্রবেশ করবেন। এই বিপুল যাত্রীর চাপ সামাল দিতে পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে ঈদের আগে ও পরে মহাসড়কে ট্রাক, লরি ও কাভার্ড ভ্যান চলাচল সীমিত রাখা হবে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে অপ্রয়োজনীয় পণ্যবাহী ট্রাক মহাসড়কে না নামানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মো. সারওয়ার বলেন, ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে পুলিশ, পরিবহন মালিক-শ্রমিক ও সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করাই সবার প্রধান লক্ষ্য।

যাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, অস্ত্রধারীসহ বিপুল পরিমাণ পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে। বিভিন্ন টার্মিনালে নিয়মিত নিরাপত্তা অভিযান চলবে। অতিরিক্ত ভাড়া, টিকিট কালোবাজারি বন্ধেও নিয়মিত তদারকি করা হবে।

এসময় দূরপাল্লার বাসে একাধিক চালক রাখার এবং বাসের ছাদে যাত্রী পরিবহন না করার আহ্বান জানান তিনি।

গাবতলী বাস টার্মিনাল সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদ আয়োজিত এ সভায় বক্তব্য দেন ডিএমপি অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এস এন মো. নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক মো. আনিসুর রহমান, মালিক সমিতির সভাপতি এম এ বাতেন ও মহাসচিব সাইফুল আলম, বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আব্দুর রহিম বক্স দুদু, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, রমেশ চন্দ্র ঘোষ প্রমুখ।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে বাস মালিক-শ্রমিকসহ সবাই একসঙ্গে কাজ করছে : শিমুল বিশ্বাস

প্রকাশের সময় : ০২:৫০:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে বাস মালিক-শ্রমিকসহ সবাই একসঙ্গে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বাস মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক শ্রমিক নেতা অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।

শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনালে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন, নিরাপদ, হয়রানি ও চাঁদামুক্ত করার লক্ষ্যে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

দেশের পরিবহন খাতসহ বিভিন্ন সেবামূলক খাতে বিদ্যমান বিশৃঙ্খলা ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি দূর করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের জনগণ যেন নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে এবং সেবা পেতে পারে, সে জন্য পরিবহন সেক্টরসহ সব পর্যায়ে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা জরুরি।

শিমুল বিশ্বাস বলেন, পরিবহন খাতে নানা ধরনের অনিয়ম, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, চাঁদাবাজি এবং যাত্রীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ দীর্ঘদিন ধরে চলমান রয়েছে। এসব কারণে সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। জনগণের স্বার্থ রক্ষায় পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং সব ধরনের অনিয়ম কঠোরভাবে দমন করতে হবে।

তিনি বলেন, শুধু পরিবহন খাত নয়, প্রশাসনিক ও সেবামূলক বিভিন্ন ক্ষেত্রেও শৃঙ্খলার অভাব দেখা যাচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। এসব সমস্যা সমাধানে সরকার, প্রশাসন, পরিবহন মালিক-শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

শ্রমিক দলের সমন্বয়ক বলেন, দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও জনগণের স্বস্তির জন্য একটি সুশৃঙ্খল পরিবহন ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ করা এবং চাঁদাবাজি প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং সব ধরনের বিশৃঙ্খলা দূর করতে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। এতে করে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমবে এবং দেশের সামগ্রিক সেবা ব্যবস্থা আরও কার্যকর হবে।

শিমুল বিশ্বাস বলেন, বাস টার্মিনালে মলম পাটি, ছিনতাই প্রতিরোধ, নারী যাত্রীদের নিরাপত্তা, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধ করার জন্য সার্ব সার্বক্ষণিক ভিজিলেন্স টিম হিসেবে কাজ করছে।

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানী থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ব্যাপক নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ঈদকে কেন্দ্র করে লক্কড়-ঝক্কড় বাস রাস্তায় নামানো নিষিদ্ধ করেছেন ডিএমপি কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. সারওয়ার। তিনি বলেন, লক্কড়-ঝক্কড় বাস রাস্তায় নামালেই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডিএমপি কমিশনার পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের উদ্দেশে বলেন, কোনোভাবেই লক্কড়-ঝক্কড় বাস রাস্তায় নামানো যাবে না। কারণ একটি বাস বিকল হলে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এছাড়া বাসের ছাদে যাত্রী নেওয়া, অতিরিক্ত গতি এবং অসুস্থ চালক দিয়ে গাড়ি চালানো কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, যাত্রীদের সুবিধার জন্য বাস টার্মিনালে হেল্পডেস্ক চালু রাখা হবে এবং সেখানে বাসের ভাড়া তালিকা ও সময়সূচি টানিয়ে রাখতে হবে। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, টিকিট কালোবাজারি বা যাত্রী হয়রানির অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিরাপত্তার বিষয়ে ঈদকে কেন্দ্র করে বাস টার্মিনাল, লঞ্চঘাট ও রেলস্টেশন এলাকায় প্রায় ৮০০ থেকে ৯০০ অতিরিক্ত ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার।

ঈদে লক্কড়-ঝক্কড় বাস নামালেই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার

নিরাপত্তা জোরদারে সাদা পোশাকের পুলিশ, ডিবি, কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট, সোয়াট টিম ও ডগ স্কোয়াডও বিভিন্ন টার্মিনালে দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ঠিক রাখতে আইন প্রয়োগে ম্যাজিস্ট্রেট টিমও মাঠে থাকবে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঈদযাত্রা সহজ করতে সরকার ১৮ মার্চ অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণা করেছে। এতে যাত্রীদের চাপ এক বা দুই দিনে না পড়ে কয়েক দিনে ভাগ হয়ে যাবে। ফলে ১৬ থেকে ২০ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে ১৫ থেকে ২০ লাখ মানুষ ঢাকা ছাড়তে পারবেন, যা পরিবহন ব্যবস্থাপনার জন্য সুবিধাজনক হবে। ঈদের ছুটিতে এক কোটিরও বেশি মানুষ ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় যাবেন, অন্যদিকে প্রায় ২০ থেকে ২৫ লাখ মানুষ ঢাকায় প্রবেশ করবেন। এই বিপুল যাত্রীর চাপ সামাল দিতে পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে ঈদের আগে ও পরে মহাসড়কে ট্রাক, লরি ও কাভার্ড ভ্যান চলাচল সীমিত রাখা হবে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে অপ্রয়োজনীয় পণ্যবাহী ট্রাক মহাসড়কে না নামানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মো. সারওয়ার বলেন, ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে পুলিশ, পরিবহন মালিক-শ্রমিক ও সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করাই সবার প্রধান লক্ষ্য।

যাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, অস্ত্রধারীসহ বিপুল পরিমাণ পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে। বিভিন্ন টার্মিনালে নিয়মিত নিরাপত্তা অভিযান চলবে। অতিরিক্ত ভাড়া, টিকিট কালোবাজারি বন্ধেও নিয়মিত তদারকি করা হবে।

এসময় দূরপাল্লার বাসে একাধিক চালক রাখার এবং বাসের ছাদে যাত্রী পরিবহন না করার আহ্বান জানান তিনি।

গাবতলী বাস টার্মিনাল সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদ আয়োজিত এ সভায় বক্তব্য দেন ডিএমপি অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এস এন মো. নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক মো. আনিসুর রহমান, মালিক সমিতির সভাপতি এম এ বাতেন ও মহাসচিব সাইফুল আলম, বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আব্দুর রহিম বক্স দুদু, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, রমেশ চন্দ্র ঘোষ প্রমুখ।