নিজস্ব প্রতিবেদক :
রাজধানীর মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভারে সিএনজিচালিত অটোরকিশা ও মোটরসাইকলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) সকাল সোয়া ৬টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতরা হলেন- নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মো. ইয়াসিন আরাফাত (২১) ও সিএনজি চালক মো. নয়ন তালুকদার (৭০) ।
এ বিষয়ে রমনা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুশান্ত কুমার জানান, ভোরে মৌচাক ফ্লাইওভারে সিএনজি অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে দু’জন নিহত হন এবং একজন আহত হন। নিহতদের মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আহত মোটরসাইকেল আরোহী স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
ইয়াসিন আরাফাত আশিকের ফুপা জাহাঙ্গীর আলম জানান, বুধবার রাতে ইয়াসিন তার এক বন্ধুর সঙ্গে মোটরসাইকেলে ঘুরতে বের হয়। পরে তারা সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হওয়ার খবর পান। হাসপাতালে গিয়ে ইয়াসিনকে মৃত অবস্থায় পেয়েছেন।
ইয়াসিন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি রাজধানীর মুগদা এলাকায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন। তার বাবার নাম জহিরুল ইসলাম।
নয়ন তালুকদারের ছেলে বাবুল তালুকদার জানান, ভোরে তার বাবা সিএনজি নিয়ে বের হয়েছিলেন। পরে হাসপাতাল থেকে ফোন পেয়ে জানতে পারেন, তার বাবা সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন।
নয়ন তালুকদারের গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার মগড়া গ্রামে। বর্তমানে তিনি যাত্রাবাড়ীর ধলপুর এলাকায় পরিবারসহ বসবাস করতেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহতদের লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।
তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, মৌচাক ফ্লাইওভারের ওপর সিএনজি ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে সিএনজি চালক নয়ন তালুকদার ও মোটরসাইকেল আরোহী ইয়াসিন আরাফাত গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক 















