Dhaka শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তেলাপোকা নয়, ডাইনোসরের মতো বাঁচতে চাই : এনবিআর চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

সুশাসন নিশ্চিতে কঠোরতার ইঙ্গিত দিয়ে এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান বলেন, তেলাপোকার মতো বাঁচতে চাই না, ডাইনোসরের মতো বাঁচতে চাই। তেলবাজি বা তোয়াজের সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে।

রোববার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ব্যক্তি নয়, রাষ্ট্রের স্বার্থ দেখতে হবে। আইন ও বিধি যারা অমান্য করবে তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।

রাজস্ব আদায়ে আইনকানুনের ন্যূনতম ব্যত্যয় হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে এনবিআর) চেয়ারম্যান বলেন, দুর্নীতি শক্তভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। রাঘববোয়ালদের ব্যাপারে তদন্ত করা হবে। শাস্তির আওতায় আনা হবে।

দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়ে আবদুর রহমান খান বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমাদের সুযোগ, এ সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। যেখানে যা করা দরকার, সেখানে আমাদের সেটা করতে হবে। সবচেয়ে বেশি ফোকাস পাবে এনবিআরে এ ধরনের দুর্বৃত্ত যেন তৈরি না হয় তার দিকে। সে বিষয়ে প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নিতে হবে, সেটাই বেশি জরুরি। এরকম যেন আর ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন তৈরি না হয়।

তিনি বলেন, আয়কর, ভ্যাট ও কাস্টমস বিভাগ নিয়ে টাস্কফোর্স করা হবে। সেখানে যেকোনো পর্যায় থেকে অংশগ্রহণ ও কাজ করতে হবে। অন্যায়, অবিচার যেগুলো ধরা পড়বে বা যেগুলোর ইঙ্গিত আসবে, প্রত্যেকটাই অত্যন্ত শক্ত হাতে দেখব। খুব কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ জায়গায় কোনো ব্যত্যয় হবে না। তবে ধীরে ধীরে সব হবে। দুর্নীতিবাজদের খুব শক্ত বার্তা দেওয়া হয়েছে। যদি তারা নিজেদের পরিবর্তন করতে না পারে তাহলে তারা থাকবে না।
আইনের বাইরে যাব না মন্তব্য করে নতুন চেয়ারম্যান বলেন, একজন ব্যক্তি বলল সব হয়ে গেল। আইনকানুন এক পাশে রেখে এভাবে হবে না। আমরা নিয়ম অনুযায়ী চলব। নিয়ম না থাকলে, নিয়ম বানাব। কিন্তু নিয়ম বা আইনের বাইরে যাব না।

অর্থপাচার রোধে এনবিআর কাজ শুরু করছে জানিয়ে আবদুর রহমান খান বলেন, আমরা স্ট্রংলি এটা দেখছি। তবে একটু সময় দিতে হবে। আমরা এখনই একেবারে হুড়মুড় করে পড়ব না। নীতিগত সমস্যার কারণে অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে কাঙ্ক্ষিত বিনিয়োগ পাওয়া যায়নি, এখানে পরিবর্তন আনতে হবে। এনবিআরের নেতিবাচক ইমেজ আছে, সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। গণঅভ্যুত্থানের যেই স্পিরিট, দুর্নীতি মুক্ত ও বৈষম্য মুক্ত সমাজ গড়া, এটা আমাদের ধারণ করতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের ইমেজ সংকট আছে যে আমরা তথ্য ঠিকভাবে সংগ্রহ করতে পারি না। যা নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক বা অডিট অধিদপ্তরের সঙ্গে গরমিল দেখা যায়। এখন থেকে এ বৈষম্য দূর করা হবে। আইবাস থেকে তথ্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এখন থেকে সমন্বিত তথ্য পরিবেশন করা হবে। রাজস্ব আহরণের একটাই ফিগার হবে।

এনবিআরে সংস্কার প্রসঙ্গে নতুন চেয়ারম্যান বলেন, এনবিআর অটোমেশন করা হবে, এটাই আমার মূল কাজ। টোটাল ফাংশনকে অটোমেশন করতে পারলে হিউম্যান টাচ কমাতে পারলে সবাই এর সুবিধা পাবে। আমাদের আইনে কিছু দুর্বলতা আছে। আইন প্রয়োগেও কিছু দুর্বলতা আছে, ঘাটতি আছে। সে কারণে আমাদের রাজস্ব আদায় কম হচ্ছে, সেখানেও কাজ করতে হবে।

কালো টাকা সাদার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমার ব্যক্তিগত অভিমত হলো এটা অত্যন্ত অশোভন কাজ। টোটালি আন এক্সেপ্টেবল। কালো টাকা সাদা করার মাধ্যমে দুর্নীতিকে স্বীকার করে নিচ্ছি। সৎ কর্মকর্তাকে ডিমোরালাইজড করছি। আমি ব্যক্তিগতভাবে এটার বিরোধিতা করি।

রাষ্ট্রের স্বার্থ সবার আগে দেখতে হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আইনি জটিলতা তৈরি হলে আমি বলব রাষ্ট্রের স্বার্থ সবার আগে দেখতে হবে। এনবিআর কর আদায়ে কাজ করে কিন্তু রাষ্ট্র হিসেবে শুধু ট্যাক্সের কথা চিন্তা করলে হবে না, সেখানে জনকল্যাণের কথা চিন্তা করতে হবে বলেও জানান আবদুর রহমান খান।

নবনিযুক্ত এনবিআর চেয়ারম্যান নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। বলেন, সবার উপরে রাষ্ট্রের স্বার্থ আগে দেখতে হবে। ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাথে স্বার্থের কোনো দ্বন্দ্ব তৈরি হলে রাষ্ট্রকে গুরুত্ব দিতে হবে। বেশি রাজস্ব আদায়ের জন্য প্রতিষ্ঠান ধ্বংস যেন না হয়, কর্মসংস্থানের জায়গা যেন নিঃশেষ না হয়, সেদিকে দৃষ্টি দেওয়ার অনুরোধ করা হচ্ছে। কারণ রাষ্ট্রও এগুলো নিশ্চিত করতে চায়।

ওভার ইনভয়েস বা আন্ডার ইনভয়েসের মাধ্যমে টাকা পাচার হয়। এ টাকা আমাদের তৈরি পোশাকশ্রমিকের টাকা, এ টাকা আমাদের বিদেশে অক্লান্ত পরিশ্রম করে টাকা পাঠাচ্ছে। এই সাধারণ মানুষের অর্থ যেন কিছু লোক অসৎ পথে বিদেশে পাচার করে না নিয়ে যায় – সেই সতর্কতা দেন উপদেষ্টা।

তিনি আরও বলেন, ঘাটতি বাজেট করার মধ্য দিয়ে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য ঋণের বোঝা তৈরি করা হয়েছে। আমরা আগামীর জন্য ভালো কিছু করতে চাই। কিন্তু ঘাটতি বাজেট করে ঋণের মাধ্যমে আগামী প্রজন্মের ওপর ঋণের বোঝা দিয়ে যাচ্ছি। এর মাধ্যমে অসাম্য তৈরি হচ্ছে।

তিনি বলেন, গরিব মানুষের ঋণের বোঝা কমাতে হবে। পরোক্ষ কর গরিব মানুষকে বেশি দিতে হয়। ১৯৭২ সালে পরোক্ষ কর ছিল ৯০ ভাগ আর প্রত্যক্ষ কর ছিল ১০ ভাগ। এখনও অবস্থা খুব একটা উন্নতি হয়নি। এখন ৭৫ ভাগ পরোক্ষ আর ২৫ প্রত্যক্ষ। রাজস্ব আদায়ের নেট সম্প্রসারণ করতে হবে। ৫ শতাংশের নিচে রাজস্ব নিবন্ধনের আওতায় এসেছ। বাকি মানুষ ট্যাক্স নিবন্ধনের বাইরে আছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। এজন্য জন্য সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। যাতে কোনো নাগরিক উপযোগী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজস্ব দিতে নিজ থেকে উদ্যোগী হয়।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

পরিবেশের টেকসই উন্নয়নে অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা

তেলাপোকা নয়, ডাইনোসরের মতো বাঁচতে চাই : এনবিআর চেয়ারম্যান

প্রকাশের সময় : ০৩:৪৯:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

সুশাসন নিশ্চিতে কঠোরতার ইঙ্গিত দিয়ে এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান বলেন, তেলাপোকার মতো বাঁচতে চাই না, ডাইনোসরের মতো বাঁচতে চাই। তেলবাজি বা তোয়াজের সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে।

রোববার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ব্যক্তি নয়, রাষ্ট্রের স্বার্থ দেখতে হবে। আইন ও বিধি যারা অমান্য করবে তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।

রাজস্ব আদায়ে আইনকানুনের ন্যূনতম ব্যত্যয় হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে এনবিআর) চেয়ারম্যান বলেন, দুর্নীতি শক্তভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। রাঘববোয়ালদের ব্যাপারে তদন্ত করা হবে। শাস্তির আওতায় আনা হবে।

দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়ে আবদুর রহমান খান বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমাদের সুযোগ, এ সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। যেখানে যা করা দরকার, সেখানে আমাদের সেটা করতে হবে। সবচেয়ে বেশি ফোকাস পাবে এনবিআরে এ ধরনের দুর্বৃত্ত যেন তৈরি না হয় তার দিকে। সে বিষয়ে প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নিতে হবে, সেটাই বেশি জরুরি। এরকম যেন আর ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন তৈরি না হয়।

তিনি বলেন, আয়কর, ভ্যাট ও কাস্টমস বিভাগ নিয়ে টাস্কফোর্স করা হবে। সেখানে যেকোনো পর্যায় থেকে অংশগ্রহণ ও কাজ করতে হবে। অন্যায়, অবিচার যেগুলো ধরা পড়বে বা যেগুলোর ইঙ্গিত আসবে, প্রত্যেকটাই অত্যন্ত শক্ত হাতে দেখব। খুব কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ জায়গায় কোনো ব্যত্যয় হবে না। তবে ধীরে ধীরে সব হবে। দুর্নীতিবাজদের খুব শক্ত বার্তা দেওয়া হয়েছে। যদি তারা নিজেদের পরিবর্তন করতে না পারে তাহলে তারা থাকবে না।
আইনের বাইরে যাব না মন্তব্য করে নতুন চেয়ারম্যান বলেন, একজন ব্যক্তি বলল সব হয়ে গেল। আইনকানুন এক পাশে রেখে এভাবে হবে না। আমরা নিয়ম অনুযায়ী চলব। নিয়ম না থাকলে, নিয়ম বানাব। কিন্তু নিয়ম বা আইনের বাইরে যাব না।

অর্থপাচার রোধে এনবিআর কাজ শুরু করছে জানিয়ে আবদুর রহমান খান বলেন, আমরা স্ট্রংলি এটা দেখছি। তবে একটু সময় দিতে হবে। আমরা এখনই একেবারে হুড়মুড় করে পড়ব না। নীতিগত সমস্যার কারণে অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে কাঙ্ক্ষিত বিনিয়োগ পাওয়া যায়নি, এখানে পরিবর্তন আনতে হবে। এনবিআরের নেতিবাচক ইমেজ আছে, সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। গণঅভ্যুত্থানের যেই স্পিরিট, দুর্নীতি মুক্ত ও বৈষম্য মুক্ত সমাজ গড়া, এটা আমাদের ধারণ করতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের ইমেজ সংকট আছে যে আমরা তথ্য ঠিকভাবে সংগ্রহ করতে পারি না। যা নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক বা অডিট অধিদপ্তরের সঙ্গে গরমিল দেখা যায়। এখন থেকে এ বৈষম্য দূর করা হবে। আইবাস থেকে তথ্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এখন থেকে সমন্বিত তথ্য পরিবেশন করা হবে। রাজস্ব আহরণের একটাই ফিগার হবে।

এনবিআরে সংস্কার প্রসঙ্গে নতুন চেয়ারম্যান বলেন, এনবিআর অটোমেশন করা হবে, এটাই আমার মূল কাজ। টোটাল ফাংশনকে অটোমেশন করতে পারলে হিউম্যান টাচ কমাতে পারলে সবাই এর সুবিধা পাবে। আমাদের আইনে কিছু দুর্বলতা আছে। আইন প্রয়োগেও কিছু দুর্বলতা আছে, ঘাটতি আছে। সে কারণে আমাদের রাজস্ব আদায় কম হচ্ছে, সেখানেও কাজ করতে হবে।

কালো টাকা সাদার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমার ব্যক্তিগত অভিমত হলো এটা অত্যন্ত অশোভন কাজ। টোটালি আন এক্সেপ্টেবল। কালো টাকা সাদা করার মাধ্যমে দুর্নীতিকে স্বীকার করে নিচ্ছি। সৎ কর্মকর্তাকে ডিমোরালাইজড করছি। আমি ব্যক্তিগতভাবে এটার বিরোধিতা করি।

রাষ্ট্রের স্বার্থ সবার আগে দেখতে হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আইনি জটিলতা তৈরি হলে আমি বলব রাষ্ট্রের স্বার্থ সবার আগে দেখতে হবে। এনবিআর কর আদায়ে কাজ করে কিন্তু রাষ্ট্র হিসেবে শুধু ট্যাক্সের কথা চিন্তা করলে হবে না, সেখানে জনকল্যাণের কথা চিন্তা করতে হবে বলেও জানান আবদুর রহমান খান।

নবনিযুক্ত এনবিআর চেয়ারম্যান নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। বলেন, সবার উপরে রাষ্ট্রের স্বার্থ আগে দেখতে হবে। ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাথে স্বার্থের কোনো দ্বন্দ্ব তৈরি হলে রাষ্ট্রকে গুরুত্ব দিতে হবে। বেশি রাজস্ব আদায়ের জন্য প্রতিষ্ঠান ধ্বংস যেন না হয়, কর্মসংস্থানের জায়গা যেন নিঃশেষ না হয়, সেদিকে দৃষ্টি দেওয়ার অনুরোধ করা হচ্ছে। কারণ রাষ্ট্রও এগুলো নিশ্চিত করতে চায়।

ওভার ইনভয়েস বা আন্ডার ইনভয়েসের মাধ্যমে টাকা পাচার হয়। এ টাকা আমাদের তৈরি পোশাকশ্রমিকের টাকা, এ টাকা আমাদের বিদেশে অক্লান্ত পরিশ্রম করে টাকা পাঠাচ্ছে। এই সাধারণ মানুষের অর্থ যেন কিছু লোক অসৎ পথে বিদেশে পাচার করে না নিয়ে যায় – সেই সতর্কতা দেন উপদেষ্টা।

তিনি আরও বলেন, ঘাটতি বাজেট করার মধ্য দিয়ে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য ঋণের বোঝা তৈরি করা হয়েছে। আমরা আগামীর জন্য ভালো কিছু করতে চাই। কিন্তু ঘাটতি বাজেট করে ঋণের মাধ্যমে আগামী প্রজন্মের ওপর ঋণের বোঝা দিয়ে যাচ্ছি। এর মাধ্যমে অসাম্য তৈরি হচ্ছে।

তিনি বলেন, গরিব মানুষের ঋণের বোঝা কমাতে হবে। পরোক্ষ কর গরিব মানুষকে বেশি দিতে হয়। ১৯৭২ সালে পরোক্ষ কর ছিল ৯০ ভাগ আর প্রত্যক্ষ কর ছিল ১০ ভাগ। এখনও অবস্থা খুব একটা উন্নতি হয়নি। এখন ৭৫ ভাগ পরোক্ষ আর ২৫ প্রত্যক্ষ। রাজস্ব আদায়ের নেট সম্প্রসারণ করতে হবে। ৫ শতাংশের নিচে রাজস্ব নিবন্ধনের আওতায় এসেছ। বাকি মানুষ ট্যাক্স নিবন্ধনের বাইরে আছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। এজন্য জন্য সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। যাতে কোনো নাগরিক উপযোগী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজস্ব দিতে নিজ থেকে উদ্যোগী হয়।