Dhaka শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৩২ সাংবাদিকসহ ৫২ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত সংস্থায় অভিযোগ

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০৩:৫১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৪
  • ২০০ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গণহত্যার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৫২ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। এরমধ্যে উসকানি দেয়ার অভিযোগে ৩২ জন সিনিয়র সাংবাদিককে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) সকালে আইনজীবী এমএইচ গাজী তামিম এ অভিযোগ দাখিল করেন।

পরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, একটি অভিযোগ দাখিল হয়েছে। সেখানে ২০ জন মন্ত্রী-এমপি, পুলিশ ও ৩২ জন সাংবাদিক ও সুশীলকে আসামি করা হয়েছে। যারা ৩ তারিখ শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেছিলেন এবং সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করে উসকানি দিয়েছেন এবং টকশো করে গণহত্যার বৈধতা দিয়েছেন।

তামিম বলেন, শ্যামলী রিং রোডে বিজয় মিছিলে গুলিতে নিহত হয় গোলাম রাজ্জাকের ছেলে নাফিস। পরে তিনি ধানমন্ডির তদন্ত সংস্থায় বৃহস্পতিবার এ অভিযোগ আনেন যেসব সাংবাদিক ৩ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে গণহত্যা চালিয়ে নেওয়ার উস্কানি দেন, তাদের আসামি করা হয়। সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছে মাসুদা ভাট্টি, অজয় দাস, নিঝুম মজুমদার, নাইমুল ইসলাম খান, শ্যামল দত্ত, নইম নিজাম, ইকবাল সোবাহান চৌধুরী, ফরিদা ইয়াসমিন, নবনিতা চৌধুরী, সুভাষ সিংহ রায়, তুষার আবদুল্লাহ, প্রবাস আমিন, জাহিদ আহসান পিন্টু, মঞ্জরুল আহসান, সোমা ইসলাম, মিথিলা ফারজানা, শাকিল আহমেদ, ফারজানা রুপাসহ আরও অনেকে।

এর আগে, গত ১৪ আগস্ট গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় আবেদন করা হয়। কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত সাভারের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী আরিফ আহমেদ সিয়ামের বাবা মো. বুলবুল কবীর এ আবেদন করেন। পরে ট্রাইব্যুনালের ধানমন্ডিতে তদন্ত সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে সংস্থার প্রধান কো-অডিনেটর বরাবর অ্যাডভোকেট গাজী এম এইচ তামিম আবেদনটি দায়ের করেন।

আবেদনে ১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ঘটনার তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আহত হয়ে পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় নিহতরাও এর আওতায় থাকবে বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া ঘটনার স্থান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে সমগ্র বাংলাদেশকে।

গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ছাড়াও অভিযুক্ত অন্যরা হলেন- সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত এবং আওয়ামী লীগ সরকারের কতিপয় মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যসহ সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক ও ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, ডিএমপির সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ, কতিপয় অসাধু পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য, র‌্যাবের সাবেক মহাপরিচালক ব্যারিস্টার মো. হারুন অর রশিদ।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

৩২ সাংবাদিকসহ ৫২ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত সংস্থায় অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ০৩:৫১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গণহত্যার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৫২ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। এরমধ্যে উসকানি দেয়ার অভিযোগে ৩২ জন সিনিয়র সাংবাদিককে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) সকালে আইনজীবী এমএইচ গাজী তামিম এ অভিযোগ দাখিল করেন।

পরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, একটি অভিযোগ দাখিল হয়েছে। সেখানে ২০ জন মন্ত্রী-এমপি, পুলিশ ও ৩২ জন সাংবাদিক ও সুশীলকে আসামি করা হয়েছে। যারা ৩ তারিখ শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেছিলেন এবং সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করে উসকানি দিয়েছেন এবং টকশো করে গণহত্যার বৈধতা দিয়েছেন।

তামিম বলেন, শ্যামলী রিং রোডে বিজয় মিছিলে গুলিতে নিহত হয় গোলাম রাজ্জাকের ছেলে নাফিস। পরে তিনি ধানমন্ডির তদন্ত সংস্থায় বৃহস্পতিবার এ অভিযোগ আনেন যেসব সাংবাদিক ৩ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে গণহত্যা চালিয়ে নেওয়ার উস্কানি দেন, তাদের আসামি করা হয়। সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছে মাসুদা ভাট্টি, অজয় দাস, নিঝুম মজুমদার, নাইমুল ইসলাম খান, শ্যামল দত্ত, নইম নিজাম, ইকবাল সোবাহান চৌধুরী, ফরিদা ইয়াসমিন, নবনিতা চৌধুরী, সুভাষ সিংহ রায়, তুষার আবদুল্লাহ, প্রবাস আমিন, জাহিদ আহসান পিন্টু, মঞ্জরুল আহসান, সোমা ইসলাম, মিথিলা ফারজানা, শাকিল আহমেদ, ফারজানা রুপাসহ আরও অনেকে।

এর আগে, গত ১৪ আগস্ট গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় আবেদন করা হয়। কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত সাভারের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী আরিফ আহমেদ সিয়ামের বাবা মো. বুলবুল কবীর এ আবেদন করেন। পরে ট্রাইব্যুনালের ধানমন্ডিতে তদন্ত সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে সংস্থার প্রধান কো-অডিনেটর বরাবর অ্যাডভোকেট গাজী এম এইচ তামিম আবেদনটি দায়ের করেন।

আবেদনে ১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ঘটনার তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আহত হয়ে পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় নিহতরাও এর আওতায় থাকবে বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া ঘটনার স্থান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে সমগ্র বাংলাদেশকে।

গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ছাড়াও অভিযুক্ত অন্যরা হলেন- সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত এবং আওয়ামী লীগ সরকারের কতিপয় মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যসহ সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক ও ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, ডিএমপির সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ, কতিপয় অসাধু পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য, র‌্যাবের সাবেক মহাপরিচালক ব্যারিস্টার মো. হারুন অর রশিদ।